[ + ফন্ট সাইজ বড় করুন ] /[ - ফন্ট সাইজ ছোট করুন ]
নিজের নির্বাচনী এলাকা রংপুরের মানুষের কাছ থেকে শেষ বিদায় নিতে সেখানে মরদেহ পৌঁছেছে এরশাদের । বেলা ১১টা ৫০ মিনিটে রংপুর সেনানিবাসে অবতরণ করে জাতীয় পার্টির চেয়ারম্যান ও রংপুর-৩ আসনের সদ্যপ্রয়াত সংসদ সদস্য হুসেইন মুহম্মদ এরশাদের কফিনবাহী হেলিকপ্টার।
এর আগে সকাল সাড়ে ১০টার দিকে মরদেহ নিয়ে তেজগাঁও বিমানবন্দর থেকে হেলিকপ্টারযোগে রওনা দেন নেতৃবৃন্দ।
হেলিকপ্টারটিতে রয়েছেন জাতীয় পার্টির ভারপ্রাপ্ত চেয়ারম্যান জি এম কাদের, হুসেইন মুহম্মদ এরশাদের ছেলে রাহগির আল মাহি সাদ এরশাদ, জাতীয় পার্টির মহাসচিব মসিউর রহমান রাঙ্গা, সাবেক মহাসচিব এ বি এম রুহুল আমিন হাওলাদার, প্রেসিডিয়াম সদস্য সৈয়দ আবু হোসেন বাবলা, মেজর (অব.) খালেদ আখতার, আজম খান, এ টি ইউ তাজ রহমান ও শফিকুল ইসলাম সেন্টু।
বাদ জোহর রংপুর ঈদগাহ মাঠে হুসেইন মুহম্মদ এরশাদের চতুর্থ জানাজা অনুষ্ঠিত হওয়ার কথা রয়েছে। পরে তাঁর কফিন হেলিকপ্টারযোগে নিয়ে আসা হবে ঢাকায়। বাদ আসর বাংলাদেশ সেনাবাহিনীর কবরস্থানের সমাহিত করার কথা তাঁকে।
এর আগে গতকাল সোমবার বাদ আসর সাবেক রাষ্ট্রপতি হুসেইন মুহম্মদ এরশাদের তৃতীয় জানাজা অনুষ্ঠিত হয় জাতীয় মসজিদ বায়তুল মোকাররমে । জাতীয় পার্টির কেন্দ্রীয় নেতৃত্বসহ বিভিন্ন রাজনৈতিক দলের নেতারা অংশ নেন জানাজায় । তারও আগে সকাল পৌনে ১১টায় জাতীয় সংসদের দক্ষিণ প্লাজার টানেলে অনুষ্ঠিত হয় দ্বিতীয় জানাজা । গত রবিবার দুপুরে ঢাকা সেনানিবাসের কেন্দ্রীয় মসজিদে অনুষ্ঠিত হয় তাঁর প্রথম জানাজা।
১৪ জুলাই সকাল ৭টা ৪৫ মিনিটে সম্মিলিত সামরিক হাসপাতালে (সিএমএইচ) শেষনিঃশ্বাস ত্যাগ করেন বাংলাদেশের রাজনীতিতে আলোচিত-সমালোচিত সাবেক এই সেনাপ্রধান। ২৬ জুন রক্তের ক্যান্সার মাইডোলিস প্লাস্টিক সিনড্রোমে আক্রান্ত সিএমএইচে ভর্তি হন এরশাদ ।





























