[ + ফন্ট সাইজ বড় করুন ] /[ - ফন্ট সাইজ ছোট করুন ]
আজ থেকে শুরু হয়েছে একাদশ জাতীয় সংসদের ১৬তম (শীতকালীন) অধিবেশন এবং চলতি বছরের প্রথম অধিবেশন। আজ রবিবার বিকেলে স্পিকার ড. শিরীন শারমিন চৌধুরীর সভাপতিত্বে শুরু হওয়া অধিবেশন রাষ্ট্রপতি মো. আবদুল হামিদ-এর ভাষণ শেষে মূলতবি করা হয়েছে। রাষ্ট্রপতির ভাষণের ওপর সাধারণ আলোচনা ছাড়াও অধিবেশনে বেশ কয়েকটি বিল পাসের সম্ভাবনা রয়েছে এই অধিবেশনে।
রাষ্ট্রপতির ভাষণ ও করোনাভাইরাস সংক্রমণ বাড়তে থাকায় সংসদ অধিবেশনে স্বাস্থ্যবিধি কঠোরভাবে অনুসরণ ও নিরাপত্তা ব্যবস্থায় কড়াকড়ি আরোপ করা হয়। সংসদ সদস্যসহ কর্মকর্তা-কর্মচারীদের সংসদ ভবনে প্রবেশ করতে দেওয়া হয় করোনা নেগেটিভ নিশ্চিত হয়েই।
অধিবেশনের শুরুতে স্পিকার ও ডেপুটি স্পিকারের অনুপস্থিতিতে সংসদ অধিবেশন পরিচালনার জন্য সভাপতিমণ্ডলীর সদস্য নির্বাচন করা হয়। নির্বাচিতরা হলেন- উপাধ্যক্ষ মো. আবদুস শহীদ, এ বি তাজুল ইসলাম, মনজুর হোসেন, মো. মুজিবুল হক ও পারভীন শিকদার।
রাষ্ট্রপতির ভাষণের আগে সংসদ অধিবেশনে এক মিনিট নিরাবতা পালন, শোক প্রস্তাব উপস্থাপন ও তা গ্রহণ শেষে প্রয়াতদের বিদেহী আত্মার মাফফেরাত কামনা করে মোনাজাত করা হয়। শোক প্রস্তাবে যাদের নাম রয়েছে, তারা হলেন সাবেক গৃহায়ণ ও গণপূর্ত প্রতিমন্ত্রী অ্যাডভোকেট আফসার উদ্দিন আহমদ খান, সাবেক গণপরিষদ সদস্য মহান মুক্তিযুদ্ধের সংগঠক অধ্যাপক মো. হানিফ, সাবেক পূর্বপাকিস্তান প্রাদেশিক পরিষদ সদস্য ভাষাসৈনিক অ্যাডভোকেট গোলাম হাসনায়েন নান্নু, সাবেক সংসদ সদস্য বীর মুক্তিযোদ্ধা জয়নাল আবদিন হাজারী, চৌধুরী আকমল ইবনে ইউসুফ, মো. আহাদ মিয়া ও শাহাদত হোসেন চৌধুরী।
শোক প্রস্তাবে শোক প্রকাশ করা হয় একুশে পদকপ্রাপ্ত জাতীয় অধ্যাপক রফিকুল ইসলাম, প্রখ্যাত কথাসাহিত্যিক হাসান আজিজুল হক, বীর মুক্তিযোদ্ধা অধ্যক্ষ আফজল খান, একাত্তরের স্বাধীন বাংলা বেতার কেন্দ্রের শব্দসৈনিক বীর মুক্তিযোদ্ধা শহীদজায়া মুশতারী শফী, সংসদ সদস্য এস এম শাহজাদার মাতা ছকিনা খানম, দক্ষিণ আফ্রিকার আর্চবিশপ শান্তিতে নোবেলজয়ী ডেসমন্ড টুটু এবং ইউরোপীয় পার্লামেন্টের প্রেসিডেন্ট ডেভিড সাসোলি-এর মৃত্যুতে শোক ও দুঃখ প্রকাশ করা হয়। এছাড়া অভিযান-১০ লঞ্চে অগ্নিকাণ্ডে হতাহত, মেক্সিকোতে সড়ক দুর্ঘটনা, ভারতের তামিলনাড়ুতে হেলিকপ্টার দুর্ঘটনাসহ দেশ-বিদেশের বিভিন্ন স্থানে দুর্ঘটনায় হতাহতদের জন্য।
সংসদ সচিবালয়ের কর্মকর্তারা জানান, অন্যান্য বছর এই অধিবেশনটি দীর্ঘ হলেও করোনা পরিস্থিতির কারণে গত বছরের মতো এবারের অধিবেশন সংক্ষিপ্ত হবে। করোনা ঝুঁকির কারণে আগের ৯টি অধিবেশনের মতো তা স্বাস্থ্যবিধি মেনেই পরিচালনা হবে। প্রতি কার্যদিবসে ৭০-৮০ জন সংসদ সদস্যের উপস্থিতি নিশ্চিত করা হয়। করোনা ঝুঁকি এড়াতে মাঝখানে গ্যাপ দিয়ে দিয়ে আসন বিন্যাস করা হয়। নিয়ন্ত্রণ করা হয়েছে সংসদে দর্শনার্থী প্রবেশ।


























