মাসে কমপক্ষে একদিন পঞ্চগড়ে চা নিলামে বিক্রি করতে চায় পঞ্চগড়ের ব্যবসায়ীগণ

শুক্রবার, জুন ৪, ২০২১,১০:০৬ পূর্বাহ্ণ
0
14

[ + ফন্ট সাইজ বড় করুন ] /[ - ফন্ট সাইজ ছোট করুন ]

বাংলাদেশের সিলেট ও হবিগঞ্জ চা এর জন্য বিখ্যাত। চট্টগ্রামেও প্রচুর চা-বাগানের কার্যক্রম চলমান আছে। বর্তমান গার্মেন্টস ও চামড়া শিল্পের পরে চা একটি উল্লেখযোগ্য রপ্তানিকৃত পণ্য। এখন নতুন করে ব্যপকভাবে পঞ্চগড়ে চা উৎপাদন কার্যক্রম শুরু হয়েছে। প্রতি সপ্তাহে চট্টগ্রামে সরকারিভাবে নিলামের মাধ্যমে চা ক্রয়-বিক্রয় হয়। অনেক দাবির পরে সিলেটে মাসে একদিন চা নিলাম বিক্রি হয়।

সম্প্রতি পঞ্চগড়ে অনেক বাগান এবং বেশকিছু চা শিল্প গড়ে উঠেছে। কিন্তু পঞ্চগড়ে নিলামে চা বিক্রির ব্যবস্থা না থাকায় চট্টগ্রামে প্রেরণ করতে কেজিপ্রতি প্রায় ১০ টাকা বেশি খরচ হয়। ফলে অন্যান্য জেলার ব্যবসায়ীদের থেকে পঞ্চগড়ের ব্যবসায়ীরা আর্থিকভাবে বেশি ক্ষতির সম্মুখীন হচ্ছে।

চা দিবসে বাণিজ্যমন্ত্রী বলেন, এক সময় চা বাংলাদেশের অন্যতম রপ্তানি পণ্য ছিল। দেশে চায়ের উৎপান অনেক বেড়েছে, একই সাথে অভ্যন্তরীণ চাহিদা বৃদ্ধি পেয়েছে। ফলে চা তেমন রপ্তানি করা সম্ভব হচ্ছে না। একসময় চা খেতে মানুষকে উদ্বুদ্ধ করা হলেও আজ গ্রামের মানুষও চা পান করতে অভ্যস্ত। ফলে চায়ের ব্যবহার বহুগুণ বৃদ্ধি পেয়েছে। ১৯৭০ সালে যেখানে চায়ের উৎপাদন ছিল মাত্র ৩১.৩৮ মিলিয়ন কেজি, সেখানে ২০১৯ সালে দেশে রেকর্ড পরিমাণ  ৯৬.০৭ মিলিয়ন কেজি এবং ২০২০ সালে ৮৬.৩৯ মিলিয়ন কেজি চা উৎপাদিত হয়েছে। ২০২০ সালে ১৯টি দেশে ২.১৯ মিলিয়ন কেজি চা রপ্তানি করে প্রায় ৩৫ কোটি টাকা আয় করা সম্ভব হয়েছে। 

তিনি বলেন, প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনার নির্দেশনায় ১৯৯৬ সাল থেকে দেশের উত্তরাঞ্চল পঞ্চগড়ে সমতল ভূমিতে চা উৎপাদন শুরু হয়। দিন দিন সেখানে চায়ের উৎপাদন বৃদ্ধি পাচ্ছে। সরকার সেখানে চা উৎপাদনে উৎসাহিত করার জন্য প্রয়োজনীয় সবধরনের সহযোগিতা প্রদান করছে। চা শ্রমিকদের প্রয়োজনীয় সহায়তা প্রদান করা হচ্ছে। চা বাংলাদেশের সম্ভাবনাময় রপ্তানি পণ্য। আন্তর্জাতিক বাজারে বাংলাদেশের চা’র বিপুল চাহিদা রয়েছে। অভ্যন্তরীণ চাহিদা মিটিয়ে চা রপ্তানি করা সম্ভব।

পঞ্চগড় এলাকার ব্যবসায়ীগণ মাসে কমপক্ষে একদিন পঞ্চগড়ে চা নিলামে বিক্রির যথাযথ ব্যবস্থা গ্রহণের জন্য সরকারের বিশেষ দৃষ্টি আকর্ষণ করছে। চা একটি অর্থযোগানকারী রপ্তানিযোগ্য পণ্য। সরকার বিশেষ পদক্ষেপ গ্রহণ করলে এ পণ্যর মাধ্যমে উল্লেখযোগ্য রাজস্ব আদায় করা সম্ভব হবে। তাই ব্যবসায়ীগণ মনে করেন এই শিল্পের প্রতি সরকারের বিশেষ প্রণোদনা ও সার্বিক সহযোগিতা এই শিল্পকে উন্নয়ন অগ্রগতিতে শীর্ষস্থানে নিতে পারে।

বিঃদ্রঃ মানব সংবাদ সব ধরনের আলোচনা-সমালোচনা সাদরে গ্রহণ ও উৎসাহিত করে। অশালীন ও কুরুচিপূর্ণ মন্তব্য পরিহার করুন। এটা আইনত দণ্ডনীয় অপরাধ।

একটি উত্তর ত্যাগ

আপনার মন্তব্য লিখুন দয়া করে!
এখানে আপনার নাম লিখুন দয়া করে