[ + ফন্ট সাইজ বড় করুন ] /[ - ফন্ট সাইজ ছোট করুন ]
আগামী ১১ জানুয়ারি প্রতিষ্ঠার ১৪ বছর পর দেশের অন্যতম উচ্চশিক্ষা প্রতিষ্ঠান জগন্নাথ বিশ্ববিদ্যালয়ের (জবি) হতে যাচ্ছে প্রথম সমাবর্তন। সমাবর্তনকে ঘিরে হাজারো গ্রাজুয়েটের পদচারণায় মুখর বিশ্ববিদ্যালয় ক্যাম্পাস।বিশ্ববিদ্যালয়টির ইতিহাসে প্রথম এ সমাবর্তনে অংশ নেবেন ১৮ হাজারেরও বেশি শিক্ষার্থী। শিক্ষা জীবনের সর্বশ্রেষ্ঠ অর্জন। সর্বোচ্চ শিক্ষা লাভের আনুষ্ঠানিক স্বীকৃতি। তাইতো উচ্ছ্বাসটাও যেন বাঁধভাঙা, বাঁধনহারা।
দেশের অন্যতম উচ্চ শিক্ষা প্রতিষ্ঠান জগন্নাথ বিশ্ববিদ্যালয়ের প্রথম সমাবর্তনকে ঘিরে ক্যাম্পাসজুড়ে যেন আনন্দ-উৎসবের মেলা। কালো গাউন, কালো টুপিতে-হ্যাটে পুরো ক্যাম্পাস ছেয়ে গেলেও শিক্ষার্থীদের অন্তরে যেন ডানা মেলেছে রঙিন সব স্বপ্নরা। সবাই যেন একই রঙের পাখি হয়ে, অপেক্ষায় উড়ে যাওয়ার। এক শিক্ষার্থী বলেন, গাউন পরে অনেক গর্ব লাগছে। এটা পরার পর দায়িত্ববোধ বেড়ে গেল।
বিশ্ববিদ্যালয়ের ইতিহাসে প্রথম সমাবর্তনে অংশ নিতে হাজারো গ্রাজুয়েট হয়েছেন ক্যাম্পাসমুখী। ক্যাম্পাস পরিণত হয়েছে সাবেক ও বর্তমান শিক্ষার্থীদের মিলনমেলায়। দীর্ঘদিন পর প্রিয় ক্যাম্পাস, আর প্রিয় বন্ধুর দেখা পেয়ে অনেকেই ফিরে গেছেন পুরনো সেই দিনে। আগামী ১১ জানুয়ারি পুরান ঢাকার ধুপখোলা মাঠে অনুষ্ঠিত হতে যাওয়া সমাবর্তনে অংশ নেবেন ১৮ হাজারেরও বেশি গ্রাজুয়েট। বিশ্ববিদ্যালয়ের আচার্য রাষ্ট্রপতি আবদুল হামিদের সভাপতিত্বে সমাবর্তন বক্তা হচ্ছেন পদার্থ বিজ্ঞানে দেশের একমাত্র ইমেরিটাস অধ্যাপক অরুন কুমার বসাক।
জগন্নাথ বিশ্ববিদ্যালয়ের উপাচার্য অধ্যাপক ড. মীজানুর রহমান বলেন, সমাবর্তন প্রত্যেক ছাত্রছাত্রীর আনন্দের বিষয়। এ পর্যন্ত যা আয়োজন মোটামুটি আমরা প্রস্তুত। প্রথম অভিজ্ঞতার আলোকে পরবর্তীতে নিয়মিত সমাবর্তনের আয়োজন করা হবে বলেও জানিয়েছে বিশ্ববিদ্যালয় কর্তৃপক্ষ।


























