প্রতিবাদ করাতেই শাকিলকে কুপিয়ে হত্যা

বৃহস্পতিবার, আগস্ট ১, ২০১৯,৭:৫৯ পূর্বাহ্ণ
0
49

[ + ফন্ট সাইজ বড় করুন ] /[ - ফন্ট সাইজ ছোট করুন ]

নারায়ণগঞ্জের ফতুল্লার দেওভোগে তুচ্ছ ঘটনাকে কেন্দ্র করে শাকিল নামের এক যুবক খুনের ঘটনায় এক আসামি আদালতে স্বীকারোক্তিমূলক জবানবন্দী দিয়েছেন ।এতে তিনি স্বীকার করে বলেন, ঘটনাস্থলে একজন মোটরসাইকেল আরোহীকে ধারালো অস্ত্র দিয়ে কোপানোর প্রতিবাদ করার কারণেই  হত্যা করা হয়েছে শাকিলকে।

বুধবার সন্ধ্যায় নারায়ণগঞ্জ সিনিয়র জুডিশিয়াল ম্যাজিস্ট্রেট আহমেদ হুমায়ুন কবিরের আদালত বুলেট নামের ওই আসামির রেকর্ড করেন।এর আগে মঙ্গলবার ভোরে অভিযান চালিয়ে মুন্সিগঞ্জ থেকে  ফতুল্লা থানা পুলিশ তাকে গ্রেফতার করে।

গত ২৭ জুলাই রাতে ফতুল্লার দেওভোগ হাশেম নগর এলাকায় মোটরসাইকেলের লাইটের আলো চোখে পড়ায় ক্ষিপ্ত হয়ে  কুপিয়ে হত্যা করা হয় শাকিলকে। আরও ৬ জন এ ঘটনায় আহত হয়েছে ।পরদিন শাকিলের ভাই সাঈদ বাদী হয়ে তুহিন, নিক্সন ও চান্দুর নাম উল্লেখ করে অজ্ঞাত ৮ জনের বিরুদ্ধে দায়ের করেন হত্যা মামলা । ইতোমধ্যে গ্রেফতার হয়েছেন চান্দু।

মামলার তদন্তকারী কর্মকর্তা ফতুল্লা মডেল থানার এসআই মিজানুর রহমান জানান, বুলেট আদালতে দায় স্বীকার করে বলেছেন কাজ করতেন তিনি ইয়াবা ব্যাবসায়ী তুহিনের বডিগার্ড হিসেবে । বিভিন্ন স্থানে ইয়াবা সরবরাহ এবং ইয়াবা বিক্রির টাকা সংগ্রহ করতেন। ঘটনার দিন তুহিনসহ অন্তত ২০ জন বাংলাবাজার এলাকা থেকে মাদক বিক্রির টাকা সংগ্রহ করে পায়ে হেঁটে যাচ্ছিল দেওভোগের দিকে । এ সময় হাশেমবাগ এলাকায় আসা মাত্র একটি মোটরসাইকেলের আলো পড়ে সকলের চোখে । তখন তুহিন মোটরসাইকেল আরোহীকে থামান এবং গালাগাল করে মারধর করতে থাকেন। এক পর্যায়ে মোটরসাইকেল আরোহী দ্রুত মোটরসাইকেল চালিয়ে পালানোর চেষ্টা করলে তাকে ধাওয়া করে এলোপাথাড়ি কোপায় তারা। এসময় আশপাশের লোকজন ছুটে আসলে রিকশার গ্যারেজ থেকে এগিয়ে এসে প্রতিবাদ করেনশাকিল ও সজিব। এতে ক্ষিপ্ত হয়ে সকলে শাকিল, সজিব ও শানকে ধরে তাদের তিনজনকে কোপায় তারা। এরপর যে যার মত চলে যায়। এতে শাকিল নিহত হন।

বিঃদ্রঃ মানব সংবাদ সব ধরনের আলোচনা-সমালোচনা সাদরে গ্রহণ ও উৎসাহিত করে। অশালীন ও কুরুচিপূর্ণ মন্তব্য পরিহার করুন। এটা আইনত দণ্ডনীয় অপরাধ।

একটি উত্তর ত্যাগ

আপনার মন্তব্য লিখুন দয়া করে!
এখানে আপনার নাম লিখুন দয়া করে