[ + ফন্ট সাইজ বড় করুন ] /[ - ফন্ট সাইজ ছোট করুন ]
করোনা পরিস্থিতির কারণে দীর্ঘ ছুটির পর গত ৩১ মে থেকে ২১ জুন পর্যন্ত তিন সপ্তাহেই বিদেশ গামীদের ১৫ ধরণের ১ হাজার ৭১৫ টি সার্টিফিকেট সত্যায়িত করেছে আইন মন্ত্রণালয়।বিদেশ যেতে বা বিদেশে গিয়ে কোন সুবিধা নিতে গেলে এসব সার্টিফিকেট লাগে।
আইন, বিচার ও সংসদ বিষয়ক মন্ত্রণালয়ের আইন ও বিচার বিভাগের রেজিস্ট্রেশন শাখা হতে দেশের বিভিন্ন প্রান্ত হতে প্রাপ্ত এসব সার্টিফিকেট সত্যায়িত করা হয়। বিদেশগামীদের ম্যারেজ সার্টিফিকেট, পাসপোর্ট ও অভিজ্ঞতা সনদসহ অন্যান্য কাগজপত্র বিদেশী এম্বাসীতে প্রদর্শন করাতে গেলে বাংলাদেশের পররাষ্ট্র মন্ত্রনালয় হয়ে যেতে হয়।
আইন মন্ত্রণালয়ের সত্যায়ন ছাড়া পররাষ্ট্র মন্ত্রণালয় ও বিদেশী এম্বাসীগুলো এসব কাগজপত্র গ্রহণ করেনা। এম্বাসীগুলোতে এসব সত্যায়িত কাগজপত্র জমা দিলে তারা যাচাই করে দেখে। এজন্য আইন মন্ত্রণালয়ের সংশ্লিষ্ট কর্মকর্তাদের নমুনা স্বাক্ষর এম্বাসীগুলোতে দেয়া আছে।
আমাদের দেশের প্রবাসী ভাই বোনেরা তাদের স্বামী বা স্ত্রী নিয়ে যেতে চাইলে ম্যারেজ সার্টিফিকেট লাগে। সন্তানের জন্য বার্থ সার্টিফিকেট লাগে। নাগরিকত্ব পাইতে, চাকরি পাইতেও অনেক সার্টিফিকেট চায় সেখানে। শিক্ষাগত যোগ্যতার সনদ লাগে উচ্চ শিক্ষার জন্য। অনেকে অসুস্থতার সার্টিফিকেট দিয়ে ছুটি নেয়। অনেক সময় ডেথ সার্টিফিকেট দিয়ে পেনশন সহ অন্যান্য পাওনাদি আদায় করে।
অভিজ্ঞতা সনদ দিয়ে প্রমোশন নেয়। কেউকেউ এদেশে কোন জমিজমা নাই , নদীতে ভেঙ্গে গেছে এসব কারণ দেখিয়ে বিদেশে এসাইলাম নেয়। অনেক সময় কেউ বিদেশে পাওয়ার অব এটর্নি পাঠায় যা সত্যায়িত করে পাঠাতে হয়।
প্রক্রিয়া: প্রথমে যেকোন ভ্যালিড ডকুমেন্ট নোটারি পাবলিক দিয়ে সার্টিফাইড করাতে হয়। তারপর আইন মন্ত্রণালয় হতে সত্যায়ন করে পররাষ্ট্র মন্ত্রণালয়ে জমা দিতে হয়। এরপর পররাষ্ট্র মন্ত্রণালয় তা সংশ্লিষ্ট এম্বাসীতে পাঠিয়ে দেয়।
প্রতিদিন সকাল ০৯:০০ হতে ০১:০০ টা পর্যন্ত কাগজাদি জমা নেওয়া হয়। অতঃপর বিকেল ০৩:০০ হতে ডেলিভারী দেওয়া হয়।
এই মহামারীর সময়েও আইনমন্ত্রীর নির্দেশনা মোতাবেক স্বাস্থ্য বিধি মেনে নিরাপদ দূরত্ব বজায় রেখে সরকারি পরিবহন পুল ভবনের নিচ তলায় সরকারি ছুটির দিন ব্যতীত প্রতিদিন জমা গ্রহন করা হচ্ছে। আবার সেখান থেকেই নিরাপদ দূরত্ব বজায় রেখে ডেলিভারী দেওয়া হচ্ছে।


























