[ + ফন্ট সাইজ বড় করুন ] /[ - ফন্ট সাইজ ছোট করুন ]
মরনঘাতি করোনার সাথে ডেঙ্গু প্রতিরোধ করতে হবে। এ ব্যাপারে সরকার কালবিলম্ব এখনই যথাযথ পদক্ষেপ গ্রহণ না করলে জনজীবনকে রক্ষা করা যাবে না। করোনার পরে ডেঙ্গুর প্রাদুর্ভাব ঘটলে মরার উপর খাড়ার ঘাঁ হিসাবে সৃষ্টি হবে। তাই ঢাকা সিটি কর্পোরেশনের দায়িত্বপ্রাপ্ত মেয়র ও কাউন্সিলরগণ এখনই এব্যাপারে কার্যকর পদক্ষেপ গ্রহণ করবেন।
আজ ১৩ মে ২০২০ সকাল ১১টায় বাংলাদেশের ওয়ার্কার্স পার্টি ঢাকা মহানগর কমিটির উদ্যোগে জাতীয় প্রেস ক্লাবের সামনে অনুষ্ঠিত এক মানববন্ধন কর্মসূচিতে পার্টির নেতৃবৃন্দ এ আহবান জানান। ঢাকা মহানগরের সভাপতি কমরেড আবুল হোসাইনের সভাপতিত্বে অনুষ্ঠিত মানববন্ধন কর্মসূচিতে বক্তব্য রাখেন কেন্দ্রীয় কমিটির নেতা কমরেড জাকির হোসেন রাজু, কমরেড মোস্তফা আলমগীর রতন, ঢাকা মহানগরের সাধারণ সম্পাদক কমরেড কিশোর রায়, মহানগর নেতা কমরেড জাহাঙ্গীর আলম ফজলু, কমরেড মোঃ তৌহিদ, কমরেড মুর্শিদা আখতার নাহার, কমরেড শিউলি সিকদার, কমরেড তপন সাহা সংহতি বক্তব্য রাখেন বাংলাদেশ জাসদ এর ঢাকা মহানগরের নেতা জনাব জাকির হোসেন প্রমুখ।
বাংলাদেশের ওয়ার্কার্স পার্টির নেতৃবৃন্দ বলেন, মশা নিধনের ঔষধ ক্রয় ক্ষেত্রে অতীতে অনিয়ম ও দুর্নীতি হয়েছে তা তদন্তপূর্বক বিচার করতে হবে। যাতে করে ভবিষ্যতে এধরনের অনিয়ম ও দুর্র্নীতি করার দুঃসাহস দেখাতে না পারে।
উদ্বেগ প্রকাশ করে বলেন বাংলাদেশে সাধারণ স্বাস্থ্য সেবা থেকে মানুষ বঞ্চিত এ অবস্থা মধ্যে যদি ডেঙ্গ মহামারি আকারে দেখা দেয় তাহলে চিকিৎসা ব্যবস্থা সম্পূর্নভাবে ভেঙ্গে পড়বে। যা হবে দেশের জন্য মহাবিপদজনক। নেতৃবৃন্দ আগামী বাজেটে স্বাস্থ্য ও শিক্ষা খাতে প্রয়োজনীয় বরাদ্ধ রাখার এবং সেটা বাস্তবায়নের জন্য কার্যকরি পদক্ষেপ নিবেন।
নেতৃবৃন্দ বলেন, সরকার সারাদেশের ৫০ লক্ষ মানুষকে মাসে আড়াই হাজার করে নগদ সহায়তা প্রদানের প্রধানমন্ত্রীর সিদ্ধান্তকে বাস্তবসম্মত পদক্ষেপ বলে অভিহিত করেছেন। করোনা ভাইরাস সংক্রমণের কারণে কর্মহীন হয়ে যাওয়া মানুষকে এই সহায়তা প্রদান তাদের যেমন আত্মবিশ্বাস ফিরিয়ে আনবে, তেমনি অর্থনীতিতেও চাহিদা সৃষ্টি করে তাকে সচল করতে সাহায্য করবে। এই কর্মসূচি বাস্তবায়নে অনিয়ম, দুর্নীতি ও দলপ্রীতি কঠোর ভাবে বন্ধ করতে হবে।






























