[ + ফন্ট সাইজ বড় করুন ] /[ - ফন্ট সাইজ ছোট করুন ]
আজ বৃহস্পতিবার রোহিঙ্গা গণহত্যার অভিযোগে মিয়ানমারের বিরুদ্ধে গাম্বিয়ার করা মামলায় অন্তর্বতীকালীন আদেশ দেবেন আন্তর্জাতিক আদালত। এ আদেশের অপেক্ষায় রয়েছে বাংলাদেশ। রায় জানার পর বাংলাদেশ সরকার পরবর্তী পদক্ষেপ নেবে। এ রায়ের অপেক্ষায় রয়েছেন বাংলাদেশে আশ্রয় নেওয়া ১০ লক্ষাধিক রোহিঙ্গা, দাতাগোষ্ঠী ও স্থানীয় জনসাধারণ। সবার আশা রায়ে এমন কিছু থাকবে, যা রোহিঙ্গাদের দেশে ফেরার পথ করে দেবে। রোহিঙ্গাদের আশা এ রায়ের মাধ্যমে তাদের অধিকার রক্ষা হবে।
২০১৭ সালের আগস্টে রাখাইনে রোহিঙ্গাদের ওপর জাতিগত শুদ্ধি অভিযান চালায় মিয়ানমার। দেশটির সেনাবাহিনীর হত্যা, ধর্ষণ ও অগ্নিসংযোগের মুখে নতুন করে প্রায় সাড়ে সাত লাখ রোহিঙ্গা বাংলাদেশে পালিয়ে আসে। আগে থেকে পালিয়ে আসা রোহিঙ্গাদের সঙ্গে যোগ দেওয়ায় বাংলাদেশের বিভিন্ন আশ্রয় শিবিরে রোহিঙ্গাদের সংখ্যা ১১ লাখ ছাড়িয়ে যায়।
২০১৯ সালের ১১ নভেম্বর আইসিজেতে রোহিঙ্গাদের ওপর গণহত্যার অভিযোগে মামলা করে গাম্বিয়া। আজ বৃহস্পতিবার (২৩ জানুয়ারি) মামলায় প্রাথমিক পদক্ষেপ হিসেবে অন্তর্বতীকালীন আদেশ দেবেন আন্তর্জাতিক আদালত। সেখানে প্রথমবারের মতো সু’চির সামনেই রোহিঙ্গাদের ওপর বর্বর নির্যাতনের চিত্র তুলে ধরেন গাম্বিয়ার আইনজীবীরা। নেদারল্যান্ডসের হেগের আদালতে শুনানি হয় মামলাটি। ১৫ জুরি বোর্ডের আদালত সংখ্যাগরিষ্ঠের ভিত্তিতে রায় দেবেন।


























