ব্রিটেনে অবৈধ বাংলাদেশিরা নতুন প্রধানমন্ত্রীর ঘোষণায় আশা দেখছেন

শনিবার, জুলাই ২৭, ২০১৯,৫:১৮ পূর্বাহ্ণ
0
43

[ + ফন্ট সাইজ বড় করুন ] /[ - ফন্ট সাইজ ছোট করুন ]

যুক্তরাজ্যে অবৈধভাবে বসবাসকারীদের ভাগ্য এবার হয়তো খুলতে যাচ্ছে । সদ্য দায়িত্ব নেয়া ব্রিটিশ প্রধানমন্ত্রী বরিস জনসন এমনই আভাস দিলেন । প্রধানমন্ত্রী হিসেবে সংসদের প্রথম দিনের প্রশ্নোত্তর পর্বে বাংলাদেশি বংশোদ্ভূত সংসদ সদস্য রুপা হকের প্রশ্নের জবাবে তিনি ইতিবাচক জবাব দেন । অবৈধভাবে বসবাসকারীদের বৈধতার প্রশ্নে তার সরকার নীতিগতভাবে আন্তরিক বলে জানান তিনি। আর  ব্রিটেনে অবৈধভাবে বসবাস করা এক লাখের বেশি বাংলাদেশি তাই নতুন করে আশার আলো দেখছেন।

বেশ কয়েক দশক ধরে মনের মধ্যে আশা জমিয়ে রেখেছে ব্রিটেনে অবৈধভাবে বসবাসকারী অভিবাসীরা। সরকার পরিবর্তনের পাশাপাশি হয়তো পরিবর্তন হবে তাদের খণ্ডিত ভাগ্য।

২০০৯ সালে লন্ডনের মেয়র থাকাকালে বরিস জনসন সরকারের কাছে উত্থাপিত এক প্রস্তাবে দশ বছরের বেশি সময় ধরে যারা ব্রিটেনে  বসবাস করছেন অবৈধভাবে
তাদের বৈধতা দিয়ে আইনের আওতায় নিয়ে আসার দাবী জানান। বরিস জনসনের সেই আহ্বানের কথা মনে করিয়ে দিয়ে বাংলাদেশি বংশোদ্ভূত ব্রিটিশ এমপি রুপা হক অভিবাসীদের নিয়ে জানতে চান সরকারের পরিকল্পনা।
জবাবে বরিস জনসন বলেন, অবৈধ অভিবাসীদের বৈধতার প্রশ্নে তার সরকার বে আন্তরিক
নীতিগতভা।

ব্রিটিশ প্রধানমন্ত্রী বরিস জনসন বলেন, আমরা গুরুত্বের সঙ্গে ব্রিটেনের অর্থনীতিতে অবদান রাখা এসব কাগজপত্র ছাড়া অভিবাসীদের কিভাবে প্রদান করা যায়
নাগরিকত্ব  তা বিবেচনা করছি।
বাংলাদেশি ইতিবাচক হিসেবে দেখছে
কমিউনিটি ক্ষমতায় এসেই অভিবাসীদের নিয়ে বরিস জনসনের পরিকল্পনাকে ।বাংলাদেশি বংশোদ্ভূত এক আইনজীবী জানান তবে শিগগিরই এটি না হওয়ার সম্ভাবনা।

ব্যারিস্টার ফেরদৌসী কবীর বলেন, সরকার এটি বাস্তবায়ন করার পরিকল্পনা করলেও এটি করতে বর্তমান অনেক সময় লাগবে
ব্রিটেনের পরিপ্রেক্ষিতে।

২০০০ সালে “ওভার স্টেয়ার রেগুলেশন ২০০০”নামে আইন করে স্বরাষ্ট্র দফতর নীতিমালার মধ্যে অবৈধভাবে বসবাসকারীদের সুযোগ দিয়েছিলো
ব্রিটেনে বসবাসের

বিঃদ্রঃ মানব সংবাদ সব ধরনের আলোচনা-সমালোচনা সাদরে গ্রহণ ও উৎসাহিত করে। অশালীন ও কুরুচিপূর্ণ মন্তব্য পরিহার করুন। এটা আইনত দণ্ডনীয় অপরাধ।

একটি উত্তর ত্যাগ

আপনার মন্তব্য লিখুন দয়া করে!
এখানে আপনার নাম লিখুন দয়া করে