[ + ফন্ট সাইজ বড় করুন ] /[ - ফন্ট সাইজ ছোট করুন ]
কৃষিমন্ত্রী ড. মো. আব্দুর রাজ্জাক জানিয়েছেন ধানের ন্যায্যমূল্য নিশ্চিত করতে সরকার চাল রপ্তানির সিদ্ধান্ত নিয়েছে । তিনি বলেন, রপ্তানি করা হবে ১০ থেকে ১৫ লাখ টন চাল ।
আজ বৃহস্পতিবার সচিবালয়ে ধানের কম বাজার মূল্যের বিষয়ে সরকারের গৃহীত কার্যক্রম নিয়ে আয়োজিত এক সংবাদ সম্মেলনে এ কথা জানান কৃষিমন্ত্রী।
মন্ত্রী বলেন, খাদ্য নিরাপত্তা নিশ্চিত করে সরকার ১০ থেকে ১৫ লাখ টন চাল রপ্তানির সিদ্ধান্ত নিয়েছে। চাল রফতানির ক্ষেত্রে নগদ সহায়তা ২০ শতাংশ থেকে বাড়ানো হবে বলেও জানান কৃষিমন্ত্রী।
ধানের ন্যায্যমূল্য দিতে দ্রুত পদক্ষেপ হিসাবে
সরাসরি কৃষকের কাছ থেকে ধান ক্রয় এবং চালের আমদানি শুল্ক ২৮ শতাংশ থেকে বাড়িয়ে ৫৫
শতাংশ করা হয়েছে বলে জানান কৃষিমন্ত্রী।
ড. রাজ্জাক বলেন, ধানসহ কৃষকের উৎপাদিত ফসলের ন্যায্যমূল্য
নিশ্চিতের লক্ষ্যে সরকার কতিপয় দীর্ঘমেয়াদী পরিকল্পনা নিয়েছে। এর মধ্যে রয়েছে
ধানের ক্রয়মূল্য অগ্রিম নির্ধারণ করে মৌসুমের শুরুতেই সরাসরি কৃষক পর্যায় থেকে এ
ফসল সংগ্রহ শুরু, চাষিদের
সঠিক তালিকা প্রণয়ন করে সে মোতাবেক ক্রয় কার্যক্রম সম্পন্ন করা, সরকারি গুদামের ধারণ ক্ষমতা পর্যায়ক্রমে
বৃদ্ধি, সরকারের ধান সংগ্রহের
পরিমাণ পর্যায়ক্রমে বৃদ্ধি করে ৫০ লাখ মেট্রিকটনে উন্নীত এবং চাল আমদানি
নিরুৎসাহিত করে রপ্তানিকে উৎসাহিত করা।
শ্রমিক সংকট নিরসনে যান্ত্রিকীকরণের
বরাদ্দ বাড়ানো হবে জানিয়ে কৃষিমন্ত্রী বলেন, ইতোমধ্যে কৃষি মন্ত্রণালয়ের অনুকূলে বিগত অর্থবছরের
রাজস্ব বাজেট বাবদ বরাদ্দকৃত ভর্তুকি খাতের তিন হাজার কোটি টাকা যান্ত্রিকীকরণ
খাতে ব্যয় করার সিদ্ধান্ত নেওয়া হয়েছে এবং সে মোতাবেক খসড়া প্রকল্পও প্রণয়ন করা
হয়েছে।


























