[ + ফন্ট সাইজ বড় করুন ] /[ - ফন্ট সাইজ ছোট করুন ]
রবিবার একটি গাইডলাইন প্রকাশ করে স্বাস্থ্য অধিদফতর করোনাভাইরাসের সংক্রমণ ঠেকাতে ঝুঁকিপূর্ণ এলাকা চিহ্নিত করে লকডাউন কার্যকরে। এতে তিনটি বিষয় উল্লেখ করা হয়েছে।
স্বাস্থ্য অধিদফতর নীতিমালা অনুসারে সাধারণভাবে তিন পদ্ধতিতে ঝুঁকিপূর্ণ এলাকাগুলো চিহ্নিত করেছে। এতে কোনো এলাকার করোনা রোগীর সংখ্যা, করোনা শনাক্ত বৃদ্ধির হার ও বিভিন্ন ভৌগোলিক বিষয় বিবেচনা করা হয়েছে।
নীতিমালায় যে তিনটি বিষয়কে গুরুত্ব দিয়ে উল্লেখ করা হয়েছে এগুলো হলো-
১. পূর্ববর্তী ১৪ দিনের মধ্যে পরীক্ষাগারে পরীক্ষার মাধ্যমে প্রতি লাখে কতজন করোনা পজেটিভ রোগী চিহ্নিত হয়েছে। এটি প্রাথমিক নির্দেশক হিসেবে কাজ করবে।
২. পূর্ববর্তী ১৪ দিনের মধ্যে কেসের সংখ্যা দ্বিগুণ হয়েছে, সংক্রমণ বৃদ্ধির হার, রোগের লক্ষণভিত্তিক নজরদারি, অভ্যন্তরীণ অধিক সঞ্চরণশীলতা, অধিক দারিদ্র্য, খাবারের অপ্রতুলতা, নমুনা পজেটিভের হার, পরীক্ষিত নমুনার রিপোর্ট প্রদানে বিলম্ব এবং পরীক্ষার পর্যাপ্ততা।
৩. অঞ্চলগুলোকে সুনির্দিষ্ট করতে গাইডলাইনে বলা হয়, বাংলাদেশের সব ইউনিয়ন পরিষদ, মহানগরী, ওয়ার্ড, মহল্লা সব কিছু এই অঞ্চলায়নের অন্তর্ভুক্ত হবে। এই অঞ্চলায়নের সময় মহানগরীগুলোর ক্ষেত্রে, ইপিআই এলাকা বা অন্য কোনো সহজ পদ্ধতি (আকৃতিগত, প্রকৃতিগত অথবা সুবিধা মতো সীমানা) ব্যবহার করা হবে, যাতে করে অঞ্চলগুলোকে সুনির্দিষ্ট করা যায়।
রেড জোন নির্ধারণ
শুধু ঢাকা মহানগরীতে পূর্ববর্তী ১৪ দিনের মধ্যে পরীক্ষাগারে নমুনা পরীক্ষার মাধ্যমে প্রতি ১ লাখে ৬০ জন বা এর অধিক করোনা রোগী শনাক্ত হলে সেই এলাকা রেড জোনের আওতাভুক্ত হবে। এছাড়া ঢাকা মহানগর ছাড়া অন্যান্য এলাকায় পূর্ববর্তী ১৪ দিনের মধ্যে পরীক্ষাগারে নমুনা পরীক্ষার মাধ্যমে প্রতি ১ লাখে ১০ জন বা এর অধিক শনাক্ত করোনা রোগী পাওয়া গেলে ওই এলাকা রেড জোন হিসেবে গণ্য হবে।
ইয়েলো জোন নির্ধারণ
ঢাকা মহানগরীর ক্ষেত্রে পূর্ববর্তী ১৪ দিনের মধ্যে পরীক্ষাগারে নমুনা পরীক্ষার মাধ্যমে প্রতি ১ লাখ জনে ৩-৫৯ জন শনাক্ত করোনা রোগী পাওয়া গেলে ওই এলাকা ইয়েলো জোনের আওতাভুক্ত হবে। এছাড়া ঢাকার বাইরে অন্যান্য এলাকার ক্ষেত্রে পূর্ববর্তী ১৪ দিনের মধ্যে পরীক্ষাগারে নমুনা পরীক্ষার মাধ্যমে প্রতি ১ লাখে ৩-৯ জন শনাক্ত করোনা রোগী পাওয়া গেলে ওই এলাকা ইয়েলো জোন হিসেবে গণ্য হবে।
গ্রিন জোন নির্ধারণ
রেড এবং ইয়েলো জোনের বাইরে দেশের বাকি ভৌগোলিক অংশকে গ্রিন বা সবুজ জোন বলা হয়েছে। এখানে দুই ধরনের এলাকা আছে। যে সকল এলাকায় জোনিংয়ের শুরু থেকে কোনো কোভিড-১৯ রোগীর সন্ধান পাওয়া যায়নি এবং যেসব এলাকায় পূর্ববর্তী ১৪ দিনে প্রতি ১ লাখ মানুষের মধ্যে ৩ জনের কম সংখ্যক কোভিড-১৯ রোগীর সন্ধান পাওয়া গেছে।


























