[ + ফন্ট সাইজ বড় করুন ] /[ - ফন্ট সাইজ ছোট করুন ]
পরিবেশ, বন ও জলবায়ু পরিবর্তন মন্ত্রী মোঃ শাহাব উদ্দিন বলেছেন, জলবায়ু পরিবর্তনের বিরূপ প্রভাব মোকাবিলায় সরকার যথাসাধ্য চেষ্টা করছে। জলবায়ু ঝুঁকি হ্রাসে বার্ষিক উন্নয়ন কর্মসূচি হতে গত পাঁচ বছরে প্রায় দুই বিলিয়ন মার্কিন ডলার ব্যয় করা হয়েছে। জলবায়ু সহিষ্ণুতা অর্জনে সরকারের নিজস্ব তহবিলে গঠিত জলবায়ু পরিবর্তন ট্রাস্ট ফান্ড হতে এ পর্যন্ত প্রায় চারশত পঞ্চাশ মিলিয়ন মার্কিন ডলার বা ৩ হাজার ৮ শত কোটি টাকা অভিযোজন ও প্রশমন কার্যক্রমে ব্যয় করা হয়েছে। মন্ত্রী বলেন, বাংলাদেশের সীমিত সম্পদ দিয়ে পরিপূর্ণভাবে জলবায়ু ঝুঁকি মোকাবিলা কষ্টসাধ্য। এজন্য বাংলাদেশ সরকার জলবায়ু পরিবর্তনের ঝুঁকি মোকাবিলায় উন্নত রাষ্ট্রসমূহকে পাশে চায়।
মন্ত্রী গতকাল গুলশানের বেঙ্গল ব্লুবেরি হোটেলে কানাডার হাইকমিশন আয়োজিত জলবায়ুসহিষ্ণু অর্থনীতি বিষয়ক এক পলিসি ব্রেকফাস্ট ইভেন্টে প্রধান অতিথির বক্তব্যে এসব কথা বলেন।
জলবায়ু পরিবর্তন মন্ত্রী বলেন, বাংলাদেশ ক্লাইমেট চেঞ্জ স্ট্রাটেজি এন্ড একশন প্ল্যান হালনাগাদকরণ এবং আন্তর্জাতিক অঙ্গনে অভিযোজনের অগ্রাধিকার নিরসনে একটি কৌশলগত দলিল হিসেবে ন্যাশনাল এডাপটেশন প্ল্যান প্রণয়নের কাজ শুরু করা হয়েছে। তিনি বলেন, কপ-২৫ এ প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা ক্লাইমেট ভালনারিবিলিটি ফোরামে (সিভিএফ)র সভাপতির দায়িত্ব গ্রহণে সম্মত হওয়ায় অতি শীঘ্র পরিবেশ অধিদপ্তরে সিভিএফ এবং ভালনারেবল-২০ গ্রুপের অফিস স্থাপন করা হবে। উক্ত অফিস থেকে জলবায়ু পরিবর্তন মোকাবিলায় আন্তর্জাতিক সম্প্রদায়ের সাথে সমন্বয় সাধন করা হবে।
বাংলাদেশে নিযুক্ত কানাডার হাইকমিশনার বেনোয়া প্রেফান্তে; পরিবেশ, বন ও জলবায়ু পরিবর্তন মন্ত্রণালয় সম্পর্কিত সংসদীয় স্থায়ী কমিটির সভাপতি সাবের হোসেন চৌধুরী, মন্ত্রণালয়ের সচিব জিয়াউল হাসান, অতিরিক্ত সচিব (পরিবেশ) মাহমুদ হাসান, অতিরিক্ত সচিব (উন্নয়ন) আহমদ শামীম আল রাজী-সহ কানাডিয়ান হাইকমিশন, সেন্টার ফর ইন্টারন্যাশনাল প্রাইভেট এন্টারপ্রাইজ এবং ইনস্টিটিউট অভ্ ইনফরমেটিক্স এন্ড ডেভেলপমেন্টর ঊর্ধ্বতন কর্মকর্তারা এ সময় উপস্থিত ছিলেন।


























