ঘূর্ণিঝড় ‘আম্ফান’ মোকাবেলায় উপকূলীয় ১৯ জেলায় ৭ হাজার আশ্রয়কেন্দ্র প্রস্তুত

সোমবার, মে ১৮, ২০২০,৮:২৯ পূর্বাহ্ণ
0
35

[ + ফন্ট সাইজ বড় করুন ] /[ - ফন্ট সাইজ ছোট করুন ]

ঘূর্ণিঝড় ‘আম্ফান’ উপকূলের দিকে ধেয়ে আসছে। আগামীকাল মঙ্গলবার (১৯ মে) এটি আঘাত হানতে পারে খুলনা থেকে কক্সবাজার পর্যন্ত উপকূল এলাকায়। এ আশঙ্কায় উপকূলীয় ১৯টি জেলায় ৭ হাজার আশ্রয়কেন্দ্র প্রস্তুত রাখা হয়েছে সম্ভাব্য ক্ষয়ক্ষতি মোকাবেলায়।

আবহাওয়া অফিসের পক্ষ থেকে চট্টগ্রাম, কক্সবাজার, মংলা ও পায়রা সমুদ্র বন্দরকে ৪ (চার) নম্বর স্থানীয় হুঁশিয়ারি সংকেত দেখিয়ে যেতে বলা হয়েছে বর্তমান পরিস্থিতিতে। সংশ্লিষ্ট এলাকার মানুষকে আশ্রয়কেন্দ্রে নেওয়া শুরু হবে ৭ নম্বর সংকেত দিলেই ।

আজ সোমবার (১৮ মে) দুপুরে দুর্যোগ ব্যবস্থাপনা ও ত্রাণ প্রতিমন্ত্রী ডা. মো. এনামুর রহমান এসব তথ্য জানান। তিনি বলেন, এর আগে ঘূর্ণিঝড় ফনি-তে ১৮ লাখ এবং বুলবুল’র সময় ২০ লাখ মানুষকে আশ্রয়কেন্দ্রে নেওয়া হয়েছিল। এবার আম্ফান মোকাবেলায় ৩০ লাখ মানুষকে আশ্রয়কেন্দ্রে নেওয়ার প্রস্তুতি নেওয়া হয়েছে।

প্রতিমন্ত্রী জানান, উপকূলীয় এলাকায় কোস্টগার্ড ও নৌবাহিনীকে প্রস্তুত রাখা হয়েছে। স্বেচ্ছাসেবকরা মানুষকে সতর্কতামূলক মাইকিং শুরু করেছেন। আশ্রয়কেন্দ্রে নেওয়ার ক্ষেত্রে গর্ভবতী নারী, শিশু ও বৃদ্ধদের অগ্রাধিকার দেওয়া হবে।

ত্রাণ প্রতিমন্ত্রী বলেন, আগের চেয়ে তিনগুণ বেশি আশ্রয়কেন্দ্র প্রস্তুত রাখার জন্য সংশ্লিষ্ট ডিসি ও ইউএনও-দের নির্দেশ দেওয়া হয়েছে। প্রয়োজনে স্থানীয় স্কুল-মাদরাসাকেও আশ্রয়কেন্দ্রের আওতায় আনা হবে।

সূত্র মতে, দুর্যোগ ব্যবস্থাপনা ও ত্রাণ মন্ত্রণালয়ের পক্ষ থেকে সোমবারই আশ্রয়কেন্দ্রের জন্য শুকনো খাবার, শিশুখাদ্যসহ পর্যাপ্ত ত্রাণ বরাদ্দ দেওয়া হয়েছে।

এদিকে, স্বরাষ্ট্রমন্ত্রণালয়ের সুরক্ষা বিভাগ থেকে বলা হয়েছে ঘূর্ণিঝড় আশ্রয়কেন্দ্রগুলোতে মানুষের প্রয়োজনীয় নিরাপত্তা ও খাবারের ব্যবস্থা করা হচ্ছে। 

বিঃদ্রঃ মানব সংবাদ সব ধরনের আলোচনা-সমালোচনা সাদরে গ্রহণ ও উৎসাহিত করে। অশালীন ও কুরুচিপূর্ণ মন্তব্য পরিহার করুন। এটা আইনত দণ্ডনীয় অপরাধ।

একটি উত্তর ত্যাগ

আপনার মন্তব্য লিখুন দয়া করে!
এখানে আপনার নাম লিখুন দয়া করে