[ + ফন্ট সাইজ বড় করুন ] /[ - ফন্ট সাইজ ছোট করুন ]
ভয়াবহ বন্যায় কৃষির ব্যাপক ক্ষতি হয়েছে গাইবান্ধায়। ঘরের ধান বন্যায় ভেসে গেছে, নষ্ট হয়েছে আমনের বীজতলা।বাড়ি থেকে পানি নেমে গিয়েছে কিছু কিছু এলাকায়। এখনও হাঁটু পানি ফসলের মাঠে। এ অবস্থায় ব্যাপক সংকট দেখা দিয়েছে চলমান আমন মৌসুমে ধানের চারার।
বন্যার পানি নেমে গেছে বাড়িঘর থেকে। তবে ফসলের মাঠে এখনও হাটু থেকে কোমরপানি রয়েছে গাইবান্ধার বন্যা কবলিত বেশিরভাগ এলাকায়। চারার সংকট দেখা দিয়েছে যে সমস্ত এলাকায় জমি থেকে পানি সরে গেছে সেসব এলাকায়। ফলে ফাঁকা পড়ে আছে ফসলের মাঠ। কিছু আমনের চারা হাট-বাজার গুলোতে পাওয়া গেলেও উচ্চ মূল্যে তা বিক্রি হচ্ছে। চারা কিনে জমিতে লাগানো অসম্ভব হয়ে দাঁড়িয়েছে সাধারণ কৃষকের পক্ষে। আবার চারা কিনে জমিতে লাগাচ্ছেন সামর্থবান কৃষকেরা।
কৃষক নেতা মনজুর আলম মিঠু বলছেন, সরকারের উচিত কৃষকদের সহজ শর্তে বিনা সুদে ঋণ দেয়া। পাশাপাশি বীজতলা তৈরি করে কৃষকদের মাঝে কৃষি বিভাগের মাধ্যমে বন্টন করা। তবে কৃষি মন্ত্রণালয়ের বিশেষজ্ঞ পুল কৃষিবিদ হামিদুর রহমান বলছে, ধানের বীজ ও চারা বিতরণের কর্মসূচি গ্রহণ করেছে কৃষকদের পরামর্শের পাশাপাশি। এবার কৃষি বিভাগ ১ লাখ ২৩ হাজার হেক্টর জমিতে রোপা আমন ধান চাষের লক্ষ্যমাত্রা নির্ধারণ করেছে জেলায়। আর ৫ লক্ষ ৯ হাজার মেট্রিক টন উৎপাদন লক্ষ্যমাত্রা ধরা হয়েছে।





























