[ + ফন্ট সাইজ বড় করুন ] /[ - ফন্ট সাইজ ছোট করুন ]
বাংলাদেশের ওয়ার্কার্স পার্টির কেন্দ্রীয় কমিটির সদস্য ও বগুড়া জেলার সভাপতি বিশিষ্ট মুক্তিযোদ্ধা ও বগুড়া আইনজীবী সমিতির সাবেক সভাপতি কমরেড আব্দুর রাজ্জাক আজ সকাল ৮.০০টায় ঢাকার একটি ক্লিনিকে মৃত্যুবরণ করেন। মৃত্যুকালে তার বয়স হয়েছিল ৭৭ বছর। কমরেড রাজ্জাক দীর্ঘদিন যাবৎ হৃদরোগ ও কিডনি রোগে ভুগছিলেন। তাঁর স্ত্রী নারী নেত্রী জেবউন নাহার ও দুই পুত্র ও এক কন্যা রেখে গেছেন। কমরেড আব্দুর রাজ্জাক ছাত্র জীবনে অবিভক্ত ছাত্র ইউনিয়নের সাথে যুক্ত হন। ১৯৬২ সালে শরীফ শিক্ষা কমিশন বিরোধী আন্দোলনের মধ্যে দিয়ে ছাত্র রাজনীতিতে যুক্ত হন। ১৯৬৭ সালে তিনি ছাত্র ইউনিয়নের বগুড়া জেলা সাধারণ সম্পাদক নির্বাচিত হন। ঐ সময়কালে পার্টিতে সংগঠিত হন। মহান মুক্তিযুদ্ধ চলাকালীন সময়ে তিনি পার্টি সভ্যপদ লাভ করেন। কমিউনিস্ট পার্টির সাথে রাজনৈতিক মত পার্থক্যের কারণে তিনি ওয়ার্কার্স পার্টিতে যোগ দেন। ২০০৯ সাল থেকে তিনি পার্টির কেন্দ্রীয় কমিটির সদস্য আছেন।
বাংলাদেশের ওয়ার্কার্স পার্টির সভাপতি কমরেড রাশেদ খান মেনন ও সাধারণ সম্পাদক কমরেড ফজলে হোসেন বাদশা গভীর শোক প্রকাশ করেছেন এবং শোকসন্তপ্ত পরিবারের প্রতি সমবেদনা জানিয়েছেন। শোকা বার্তায় তারা বলেন, কমরেড আব্দুর রাজ্জাক ছিলেন এদেশের সমাজ পরিবর্তনের আন্দোলনের একজন দীর্ঘদিনের পরীক্ষিত সংগ্রামী নেতা। মৃত্যুর আগ পর্যন্ত তিনি সমাজতন্ত্রের লাল পতাকা উড্ডীন রেখেছিলেন। তাঁর মৃত্যুতে এদেশের শ্রমজীবী মেহনতি মানুষ একজন অকৃত্রিম সহযোদ্ধাকে হারাল। দেশ, জাতি একজন দেশপ্রেমিক বিপ্লবীকে হারাল। যা অপূরণীয় ক্ষতি।
তাঁর মৃত্যুর খবর শুনে বাংলাদেশের ওয়ার্কার্স পার্টির সভাপতি কমরেড রাশেদ খান মেনন ও সাধারণ সম্পাদক কমরেড ফজলে হোসেন বাদশা ঢাকার পান্থপথে সোস্যাল ইসলামীয়া হাসপাতালে ছুটে যান।































