[ + ফন্ট সাইজ বড় করুন ] /[ - ফন্ট সাইজ ছোট করুন ]
কৃষক অ্যাপের মাধ্যমে সরকার ধান সংগ্রহের সিদ্ধান্ত নিলেও এ ব্যাপারে কিছুই জানেন না অধিকাংশ কৃষক। প্রথমবারের মতো এমন সিদ্ধান্তে কিছুটা ধোঁয়াশের মধ্যে আছেন তারা। তবে সে ধোঁয়াশা কাটিয়ে সার্বিক সহযোগিতায় কাজ করছে খাদ্য ও কৃষি বিভাগ।
ব্রাহ্মণবাড়িয়ায় খাদ্য শস্য সংগ্রহ ব্যবস্থাপনা ও কৃষক অ্যাপ কার্যক্রম সোমবার ভিডিও কনফারেন্সের মাধ্যমে উদ্বোধন করা হয়েছে। এ সময় খাদ্য অধিদপ্তরের মহাপরিচালক ও জেলা প্রশাসকসহ প্রশাসনের ঊর্ধ্বতন কর্মকর্তারা উপস্থিত ছিলেন। সরাসরি মোবাইল অ্যাপের মাধ্যমে পাইলট প্রকল্পের অংশ হিসেবে সদর উপজেলার ১ হাজার প্রান্তিক পর্যায়ের কৃষক থেকে লটারির মাধ্যমে ৯৯৯ টন ধান ১ হাজার ৪০ টাকা দরে সংগ্রহ করা হবে।
কৃষক অ্যাপের মাধ্যমে সরকার ধান সংগ্রহের সিদ্ধান্ত নিলেও এ ব্যাপারে কিছুই জানেন না রংপুরের প্রান্তিক কৃষক। প্রথমবারের মতো সরকারের এমন সিদ্ধান্তে অনেকটা ধোঁয়াশার মধ্যে আছেন তারা। তবে খাদ্য ও কৃষি বিভাগ বলছে, এ অ্যাপ সম্পর্কে কৃষকদের মধ্যে সচেতনতা তৈরিতে কাজ চলছে।
বগুড়ায় কৃষক মোবাইল অ্যাপসের মাধ্যমে ধান কেনাবেচা করতে পারবেন। অ্যাপ ডাউনলোড করে জাতীয় পরিচয় নম্বর, কৃষি কার্ডের মাধ্যমে ধান বিক্রির নিবন্ধন করতে পারবেন তারা। এ ব্যাপারে সার্বিক সহযোগিতায় আছে জেলা খাদ্য ও কৃষি বিভাগ জানালেন বগুড়া জেলা খাদ্য নিয়ন্ত্রক এসএম সাইফুল ইসলাম এবং বগুড়া কৃষি সম্প্রসারণ বিভাগের উপপরিচালক আবুল কাশেম আযাদ। নওগাঁ ও দিনাজপুরসহ দেশের ১৬টি জেলার সদর উপজেলায় সরকারিভাবে ধান চাল সংগ্রহের জন্য কৃষক অ্যাপসের মাধ্যমে তালিকা তৈরি করা হবে।































