[ + ফন্ট সাইজ বড় করুন ] /[ - ফন্ট সাইজ ছোট করুন ]
জাতীয় শ্রমিক ফেডারেশনের ভারপ্রাপ্ত সভাপতি কামরূল আহসান ও সাধারণ সম্পাদক আমিরুল হক আমিন এক বিবিৃতিতে করোনাভাইরাস পরিস্থিতির কারণে অনেক শ্রমজীবি মানুষ কাজ হারিয়েছেন। বিশেষ করে হোমকোয়ারেন্টাইন বা সংগনিরোধ বিধি পালনকালে অসংগঠিত খাতের শ্রমজীবি মানুষ যারা দিনআনে দিনখায় তাদের জীবিকা অর্জন বন্ধ হয়েছে, তাদের পরিবার নিয়ে জীবনধারণ সংকটে পড়ায় গভীর উদ্বেগ প্রকাশ করেছেন।
বিবৃতিতে তারা বলেন, দেশে অপ্রাতিষ্ঠানিক খাতে শ্রমিক ও শ্রমজীবি মানুষের সংখ্যা শতকরা ৮৫%। এরা তাদের আয়ের অর্থ দিয়ে শুধু নিজেরাই বাঁচে না; গ্রামীণ অর্থনীতিকেও সচল রাখে। এই অবস্থায় রপ্তানি মুখী শিল্পে শ্রমিক কর্মচারীদের বেতন-ভাতার জন্য ৫০০০ কোটি টাকার তহবিলের মত এসকল অপ্রাতিষ্ঠানিক শ্রমিক ও শ্রমজীবিদের জন্য আপৎকালীন বিশেষ তহবিল গঠন, জনপ্রতিনিধি ও শ্রমিকনেতৃবৃন্দেও সমন্বয়ে গঠিত তদারকি কমিটির মাধ্যমে তা তাদের মাঝে দ্রুত বিতরণের ব্যবস্থা করার আহ্বান জানিয়েছে।
এক বিবৃতিতে তারা বলেন, দেশের এ্ই প্রান্তিক জনগোষ্ঠি তাদের জীবিকা অজনের পথ বন্ধ হওয়ায় কঠিন সংকটে পড়েছেন। এই পরিস্থিতে তাদের জরুরি ত্রান ও খাদ্য সামগ্রী সরবরাহ করা প্রয়োজন। বিবৃতিতে তারা বলেন, রাষ্ট্রায়াত্ব পাটকল শ্রমিকদের আট সপ্তাহ মুজুরি বকেয়া, শ্রমিক-কমচারিদের তিনমাসের বেতন বকেয়া; তারা দুরাবস্থায় পড়েছেন। বতমান পরিস্থিতিতে তাদের বকেয়া পরিশোধ করে সংকট সমাধান করার জন্য কতৃপক্ষের নিকট দাবী জানাচ্ছি।


























