[ + ফন্ট সাইজ বড় করুন ] /[ - ফন্ট সাইজ ছোট করুন ]
প্রতিযোগিতায় টিকে থাকার পাশাপাশি নিউইয়র্কস্থ সোনালী এক্সচেঞ্জ প্রবাসীদের অর্থ প্রেরণেও শীর্ষে উঠেছে। এদিকে নানা সুযোগ-সুবিধা প্রদানের টোপ দিয়েও বেসরকারী রেমিটেন্স কোম্পানীগুলো প্রবাসীদের তেমন একটা আকৃষ্ট করতে সক্ষম হচ্ছে না। অন্যদিকে কোন কোন কোম্পানীর অসৎ আচরণে ক্ষোভের মাত্রা ক্রমান্বয়ে বাড়ছে, যার ভিকটিম হচ্ছে সততা ও নিষ্ঠার সাথে কর্মরত রেমিটেন্স কোম্পানীগুলো।
সোনালী ব্যাংকের সহযোগী প্রতিষ্ঠান ‘সোনালী এক্সচেঞ্জ ইনক’ থেকে প্রাপ্ত তথ্য অনুযায়ী, ২৪ জুন পর্যন্ত গত ৬ মাসে সোনালী এক্সচেঞ্জের ১০টি শাখা থেকে ৬৫ হাজার ২৭১ জন প্রবাসী বাংলাদেশে পাঠিয়েছেন প্রায় ৪৭ মিলিয়ন ডলার। গত বছর এই একই সময়ে ৬২ হাজার ৯৭৪ জনে পাঠিয়েছিলেন ৪৫.৬২ মিলিয়ন ডলার। অর্থাৎ প্রেরণকারীর সংখ্যা বৃদ্ধির পাশাপাশি প্রেরিত অর্থের পরিমাণও এবার বেড়েছে। এটি সম্ভব হয় সোনালী এক্সচেঞ্জ প্রশাসনের জনসংযোগে অধিকতর মনোযোগী হবার কারণে। হুন্ডির মাধ্যমে কষ্টার্জিত অর্থ স্বজনের কাছে পাঠানোর মধ্যে সাময়িক কিছু ফায়দা থাকলেও দীর্ঘ বিচারে তার সুফল আসেনা। পাশাপাশি নিজের মধ্যে সব সময় একটা অপরাধবোধ কাজ করে বলে সাধারণ প্রবাসীদের বোঝাতে সক্ষম হয়েছেন সোনালী এক্সচেঞ্জের কর্মকর্তারা। শুধু তাই নয়, দ্রুততম সময়ে গন্তব্যে অর্থ প্রেরণেও শতভাগ কৃতিত্ব সোনালী এক্সচেঞ্জ সাম্প্রতিক সময়ে অর্জন করেছে বলে সুধীজন মনে করছেন। আর তারই সুফল আসছে রেমিটেন্সে।
২০১৭ সালের জানুয়ারি থেকে ২৪ জুন পর্যন্ত ৫৭ হাজার ৪৭ প্রবাসী পাঠিয়েছিলেন ৩৯ মিলিয়ন ডলারের মত। সে সময়ে সিইও ছিলেন মো. আতাউর রহমান। গত বছর জানুয়ারি থেকে সিইও নেই অর্থাৎ তাকে বদলির পর সে দায়িত্ব পালন করছেন জ্যাকসন হাইটস শাখার ম্যানেজার মো. জহুরুল ইসলাম।
অনুসন্ধানকালে জানা গেছে, নিউইয়র্ক অঞ্চলের কয়েকটি রেমিটেন্স কোম্পানী থেকে একবার কেউ স্বজনের কাছে টাকা পাঠালে পরবর্তীতে তার নাম-ঠিকানা ব্যবহার করে বিপুল অর্থ বাংলাদেশে পাঠানো হয়। অর্থাৎ প্রবাসীর অগোচরে এমন অনৈতিক কাজ করা হচ্ছে। এ নিয়ে দেন-দরবারও হয়েছে কয়েক দফা। কিন্তু সংশোধন না হওয়ায় প্রবাসীরা সোনালী এক্সচেঞ্জকেই নির্ভরযোগ্য মনে করছেন। কারণ, সামান্য কিছু টাকার জন্যে কেউই বিপদ ডেকে আনতে চান না বলেও সংশ্লিষ্ট প্রবাসীরা জানিয়েছেন। এমনি পরিস্থিতিতে অর্থ গন্তব্যে পৌঁছার পর বাংলাদেশ সরকার কর্তৃক বোনাস প্রদানের ঘোষণায় সোনালী এক্সচেঞ্জের প্রতি আকর্ষণ ক্রমান্বয়ে বাড়বে বলেই মনে করা হচ্ছে।































