[ + ফন্ট সাইজ বড় করুন ] /[ - ফন্ট সাইজ ছোট করুন ]
শিক্ষাবিদ, লেখক ও জাতীয় অধ্যাপক ড. আনিসুজ্জামান আজ রাজধানীর সম্মিলিত সামরিক হাস্পাতালে শেষ নিঃশ্বাস ত্যাগ করেন। তিনি দীর্ঘদিন ধরে ফুসফুসে সংক্রমণ সহ বিভিন্ন জটিলতায় ভুগছিলেন।
বাংলাদেশের প্রখ্যাত এই শিক্ষাবিদ, লেখক ১৯৩৭ সালে পশ্চিমবঙ্গের কলকাতায় জন্মগ্রহণ করেন। মুক্তিযুদ্ধে অংশগ্রহণকারী এই বিশিষ্ট শিক্ষাবিদ ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের বাংলা ও সাহিত্যের অধ্যাপক হিসেবে কর্মজীবন শেষ করে অবসরে ছিলেন।
তিনি ৫২ এর ভাষা আন্দোলন, ৬৯ এর গনঅভ্যুত্থান, ৭১ এর বাংলাদেশের মুক্তিযুদ্ধ, ৭২ এর জাতীয় শিক্ষা কমিশনের সদস্য হিসেবে দায়িত্ব পালন সহ বাংলাদেশের ধর্মান্ধতা ও মৌলবাদবিরোধী আন্দোলনে রেখেছেন সক্রিয় ভূমিকা। একজন সমাজ হিতৈষী, গনতান্ত্রিক প্রগতিশীল চেতনা, সুশীল বুদ্ধিবৃত্তিকর চর্চা দিয়ে নিজেকে পরিনত করেছেন দেশের একজন অগ্রগন্য মানুষ হিসেবে।
বাংলা ভাষা ও সাহিত্য বিষয়ে তাঁর গুরুত্বপূর্ণ অবদানের জন্য তিনি একুশে পদক, বাংলা একাডেমি পদক, স্বাধীনতা পুরষ্কার ও জগত্তারিনী পুরষ্কার সহ নানাবিধ পুরষ্কারে ভূষিত হয়েছেন। ২০১৮ সালের ১৯ জুন বাংলাদেশ সরকার তাঁকে জাতীয় অধ্যাপক হিসেবে নিয়োগ প্রদান করেন।
বাংলাদেশ মহিলা পরিষদের অভিভাবকতুল্য ড. আনিসুজ্জামান ছিলেন নারী আন্দোলনের একান্ত সুহৃদ, সামাজিক আন্দোলনের পৃষ্ঠপোষক। এই কিংবদন্তি, নিবেদিত প্রাণ মানুষকে হারিয়ে যে ক্ষতি বাংলাদেশের হল, তা কখনো পূরন হবার নয়।
বাংলাদেশ মহিলা পরিষদ পরিবার এই মহান ব্যক্তিত্ব কে হারিয়ে গভীর ভাবে শোকাহত।
তাঁর স্ত্রী সিদ্দিকা জামান, দুই মেয়ে রুচিবা ও শুচিতা এবং ছেলে আনন্দ জামান- এর প্রতি বাংলাদেশ মহিলা পরিষদ গভীর সমবেদনা জ্ঞাপন করছে।


























