[ + ফন্ট সাইজ বড় করুন ] /[ - ফন্ট সাইজ ছোট করুন ]
গতকাল মহাখালীস্থ স্বাস্থ্য অধিদপ্তরের সম্মেলন কক্ষে অনলাইনের মাধ্যমে বিশ্ব স্বাস্থ্য দিবস -২০২০ এর উদ্বোধন করেন স্বাস্থ্য ও পরিবার কল্যাণ মন্ত্রী জাহিদ মালেক। স্বাস্থ্য সেবা বিভাগের সচিব আসাদুল ইসলামের সভাপতিত্বে অনুষ্ঠানে আরো উপস্থিত ছিলেন স্বাস্থ্য অধিদপ্তরের মহাপরিচালক প্রফেসর আবুল কালাম আজাদ, স্বাধীনতা চিকিৎসক পরিষদের সভাপতি ডা. ইকবাল আর্সনাল, বিশ্ব স্বাস্থ্য সংস্থার বাংলাদেশ প্রতিনিধি বার্ধন রানা, নার্সিং এন্ড মিড ওয়াইফারি মহাপরিচালক সিদ্দিকা আকতার, স্বাস্থ্য ব্যুরোর লাইন ডিরেক্টরসহ অন্য কর্মকর্তাবৃন্দ।
সভায় ভিডিও কনফারেন্সের মাধ্যমে দেশের বিভিন্ন জেলা, উপজেলা ও অঞ্চল থেকে প্রায় ৪০০ জন স্বাস্থ্য সংশ্লিষ্ট কর্মকর্তা অংশ নেন। দিবসটির এবারের প্রতিপাদ্য “Support Nurses and Midwives” যার বাংলা অর্থ করা হয়েছে “নার্স ও মিডওয়াইফদের দায়িত্বে সহযোগিতা মান-সম্মত সেবার নিশ্চয়তা”।
সভায় করোনা আক্রান্ত সময়ে দেশের
এই স্বাস্থ্য দিবস উদ্বোধন করতে হচ্ছে জানিয়ে স্বাস্থ্যমন্ত্রী বলেন, “বিশ্বময়
আতঙ্ক তৈরি করা করোনা ভাইরাস আমাদের দেশেও অনেক মানুষকে আক্রান্ত করেছে। এ কারণে
আমরা আমাদের আজকের অনুষ্ঠান অনলাইনে ও ভিডিও কনফারেন্সের মাধ্যমে করার উদ্যোগ
নিয়েছি। এই ভাইরাস মোকাবেলায় দেশের স্বাস্থ্যখাতের সাথে যুক্ত প্রতিটি ব্যক্তিকে
নিরলস কাজ করতে হবে। দেশের মানুষের জন্য কাজ করতে পারার এটি বিরাট সুযোগ, এই সুযোগ
যেন কেউ না হারাই সে ব্যাপারে সবাইকে সজাগ থাকতে হবে। আজকেও দেশে ৪১ জন মানুষ নতুন
করে করোনা ভাইরাসে আক্রান্ত হওয়াসহ ৫ জন মারা গেছেন। সকলে মিলে এখনি নিজ নিজ
অবস্থান থেকে আমাদের কাজে নেমে পড়তে হবে। একদিকে দেশের মানুষকে সচেতন করতে হবে এবং
অন্যদিকে মানুষকে সঠিকভাবে চিকিৎসা প্রদানও করতে হবে।”
প্রধানমন্ত্রী কর্তৃক করোনা
মোকাবেলায় স্বাস্থ্যসেবায় জড়িতদের বিশেষ ইনস্যুরেন্স ব্যবস্থার উদ্যোগ গ্রহণ করাকে
স্বাগত জানিয়ে স্বাস্থ্যমন্ত্রী চিকিৎসক, নার্স, মেডিকেল টেকনোলজিস্টদের আরো নতুন
উদ্যমে কাজে নেমে যাওয়ার আহবান জানান । প্রধানমন্ত্রীর এই প্রণোদনা স্বাস্থ্য
সেবায় বিশেষ ভূমিকা রাখবে বলেও স্বাস্থ্যমন্ত্রী সভায় জানান।
সভায় অন্যান্যের মাঝে স্বাস্থ্য
অধিদপ্তরের মহাপরিচালক প্রফেসর আবুল কালাম আজাদ, স্বাচিপ সভাপতি ডা. ইকবাল আর্সনাল,
বিশ্ব স্বাস্থ্য সংস্থার বাংলাদেশ প্রতিনিধি বার্ধন রানা-সহ অন্য কর্মকর্তারা
দিবসটির তাৎপর্য তুলে ধরে বক্তব্য রাখেন।
এর আগে স্বাস্থ্যমন্ত্রী গতকাল সকালে রাজধানীর ঔষাধাগারে মাঠ পর্যায়ের কর্মকর্তাদের জন্য ১০টি নতুন গাড়ির চাবি হস্তান্তর করেন।


























