[ + ফন্ট সাইজ বড় করুন ] /[ - ফন্ট সাইজ ছোট করুন ]
বিপর্যয় নেমে এসেছে চট্টগ্রামে কাঁচা চামড়ার বাজারে।চামড়া সংগ্রহ করার পর তা বিক্রি করতে পারেনি আড়তদারদের কাছে মৌসুমী ব্যবসায়ী ও বিভিন্ন মাদ্রাসা কর্তৃপক্ষ। ফলে তাদের চলে যেতে হয়েছে বিপুলসংখ্যক চামড়া রাস্তাঘাট ও ডাস্টবিনে ফেলেই।বর্তমানে এসব চামড়া ভাগাড়ে নিয়ে ফেলতে কাজ করছে চট্টগ্রাম সিটি করপোরেশন (চসিক)। চসিক কর্মকর্তারা মনে করছেন ফেলে দেওয়া এসব পচা চামড়ার সংখ্যা প্রায় এক লাখ হবে, যার অনেকগুলোই উন্নতমানের চামড়া ছিল।
এ বিষয়ে গণমাধ্যমকে চট্টগ্রামের মেয়র আ জ ম নাছির উদ্দীন বলেন, ‘চামড়া পচবে, সেই চামড়া চসিককে অপসারণ করতে হবে এ ধরনের কোনো ভাবনাই আমাদের কোনো কালে ছিলো না। আমরা কোরবানির দিন পশুর নাড়ি-ভুঁড়ি, বর্জ্য, রক্ত, উচ্ছিষ্টাংশ দ্রুত অপসারণের প্রস্তুতি নিয়েছিলাম। সেই লক্ষ্য আমরা অর্জনও করেছি। কিন্তু পচা চামড়া অপসারণের কাজটি ছিল নতুন একটি চ্যালেঞ্জের। গভীর রাত পর্যন্ত এ কাজটিও অত্যন্ত দক্ষতার সঙ্গে আমরা সম্পন্ন করেছি।’
চট্টগ্রামের বিভিন্ন রাস্তায় ও ডাস্টবিনে জমা এসব চামড়া ৩২টি ট্রাক দিয়ে অপসারণের কাজ করছে ঈদের পর থেকে চসিক। কর্মকর্তারা জানিয়েছেন, মঙ্গলবার রাত আড়াইটা পর্যন্ত ২০০ শ্রমিক ও ৮টি পে লোডারের সাহায্যে ৩২টি ট্রাকে ৯০ ট্রিপে প্রায় এক লাখ পচা চামড়া অপসারণ করেছে। এ বিষয়ে গণমাধ্যমকে চসিকের পরিচ্ছন্ন বিভাগের প্রধান শফিকুল মান্নান সিদ্দিকী যিশু বলেন, চাকরিজীবনে এমনটি আর দেখিনি। বড় বড় গরুর সুন্দর সুন্দর চামড়া পচে-গলে গেছে। চামড়াগুলো সরিয়ে নেওয়া হয় চট্টগ্রাম নগরের কাঁচা চামড়ার প্রধান বাজার হামজারবাগ, আতুরার ডিপোসহ বহদ্দারহাট, আগ্রাবাদসহ বিভিন্ন স্থান থেকে পচা।





























