১৬২ টি ডিজিটাল সেবার উদ্বোধন করলেন পানিসম্পদ প্রতিমন্ত্রী

সোমবার, নভেম্বর ৯, ২০২০,১২:৩৩ অপরাহ্ণ
0
6

[ + ফন্ট সাইজ বড় করুন ] /[ - ফন্ট সাইজ ছোট করুন ]

          সেবাব্যবস্থা যুগোপযোগী করার লক্ষ্যে পানি সম্পদ মন্ত্রণালয়ের ১৬২ ডিজিটাল সেবার উদ্বোধন করেছেন পানি সম্পদ প্রতিমন্ত্রী জাহিদ ফারুক।

       গতকাল পানি সম্পদ মন্ত্রণালয়ের সভাকক্ষে আয়োজিত এই উদ্বোধন অনুষ্ঠানে প্রধান অতিথির বক্তব্যে প্রতিমন্ত্রী বলেন, ‘মাত্র ২ সপ্তাহে মন্ত্রণালয়ের ১৬২ টি সেবাকে ডিজিটাল করা হয়েছে যা শুধু মন্ত্রণালয় নয়, পুরো বাংলাদেশের ডিজিটাল অগ্রযাত্রায় এক যুগান্তকারী অর্জন। মুজিববর্ষে এটা পানি সম্পদ মন্ত্রণালয়ের উপহার। প্রধানমন্ত্রীর নেতৃত্ব ও নির্দেশনায় ডিজিটাল সেবা যেভাবে এগিয়ে যাচ্ছে, আশা করি ২০২১ সালের মধ্যেই ডিজিটাল বাংলাদেশ এবং ২০৪১ সালের মধ্যে আমরা সমৃদ্ধিশালী দেশে উন্নীত হবো’।

          মন্ত্রণালয়ের সিনিয়র সচিব কবির বিন আনোয়ারের সভাপতিত্বে অনুষ্ঠানে বিশেষ অতিথি হিসেবে উপস্থিত ছিলেন পানি সম্পদ উপমন্ত্রী এ কে এম এনামুল হক শামীম। এছাড়া বিশেষ অতিথি হিসেবে অনলাইনে সংযুক্ত ছিলেন তথ্য ও যোগাযোগ প্রযুক্তি প্রতিমন্ত্রী জুনাইদ আহমেদ পলক এবং তথ্য ও যোগাযোগ প্রযুক্তি মন্ত্রণালয়ের সিনিয়র সচিব এন এম জিয়াউল আলম। 

          পানি সম্পদ উপমন্ত্রী বলেন, ‘প্রধানমন্ত্রী আগামী প্রজন্ম নিয়ে ভাবেন। জীবনের ঝুঁকি নিয়ে এ বছর সরকার ঘূর্ণিঝড় ও বন্যার মোকাবিলা করেছে। সেবাসমূহ ডিজিটাইজেশনে আমাদের কাজে আরও গতিশীলতা আসবে’।

          প্রসঙ্গত, মাইগভ প্ল্যাটফর্ম ব্যবহার করে পানি সম্পদ মন্ত্রণালয়ের ৩৩ টি এবং এর অধীনস্থ সংস্থাসমূহের ১২৯ টিসহ মোট ১৬২ টি সেবা ডিজিটাল সেবায় রূপান্তরিত করে পানি সম্পদ মন্ত্রণালয়কে ডিজিটাল মন্ত্রণালয়ে রূপান্তর সম্ভব হয়েছে। এতে সহজেই ডিজিটাল পদ্ধতিতে সেবার আবেদন, সেবা সংশ্লিষ্ট পেমেন্ট, সেবার অগ্রগতি, প্রয়োজনীয় কাগজ দাখিল এবং সংশ্লিষ্ট অন্যান্য কার্যক্রম সেবাগ্রহীতা নিজে, ৩৩৩ কল সেন্টারে কল করে অথবা ডিজিটাল সেন্টারের মাধ্যমে সম্পাদন করতে পারবেন।

          এছাড়া অনেকক্ষেত্রেই সেবা গ্রহীতারা সেবা সংক্রান্ত তথ্যের অপ্রতুলতার জন্য সেবাগ্রহীতা এবং প্রদানকারী উভয়ের সময় ও অর্থের অপচয় হয়। অধিকন্তু, সেবার জন্য একাধিকবার একই স্থানে যাওয়া, অনেক দলিল দস্তাবেজের ব্যবহার ও সেবাগ্রহীতা সনাক্তকরণে জটিলতা ইত্যাদি জটিলতা প্রশাসনিক সেবা কাঠামোতে রয়েছে।

          এই ব্যবস্থাপনার ফলে তথ্যপ্রাপ্তির আবেদন, ছুটির আবেদন, পিআরএল অনুমোদনের আবেদন, মাতৃত্বকালীন ছুটি, লিয়েন আবেদন, চাকুরী স্থায়ীকরণ, বিভাগীয় মামলা, ইউটিলিটি বিলসহ ১৬২ সেবা অনলাইনে পাওয়া যাবে। অধীনস্থ সংস্থাগুলোর মধ্যে পানি উন্নয়ন বোর্ডের ৩১টি, বাংলাদেশ হাওড় ও জলাভূমি উন্নয়ন অধিদপ্তরের ২১টি ,পানি সম্পদ পরিকল্পনা সংস্থার ২৬টি, নদী গবেষণা ইনস্টিটিউটের ৩০টি, যৌথ নদী কমিশনের ২১টি সেবা ডিজিটালাইজড করা হয়েছে।

বিঃদ্রঃ মানব সংবাদ সব ধরনের আলোচনা-সমালোচনা সাদরে গ্রহণ ও উৎসাহিত করে। অশালীন ও কুরুচিপূর্ণ মন্তব্য পরিহার করুন। এটা আইনত দণ্ডনীয় অপরাধ।

একটি উত্তর ত্যাগ

আপনার মন্তব্য লিখুন দয়া করে!
এখানে আপনার নাম লিখুন দয়া করে