স্বাধীনতা সড়ক ও উন্নয়ন কার্যক্রম পরিদর্শনে স্থানীয় সরকার মন্ত্রী

শুক্রবার, জানুয়ারি ১৫, ২০২১,৯:৫২ অপরাহ্ণ
0
6

[ + ফন্ট সাইজ বড় করুন ] /[ - ফন্ট সাইজ ছোট করুন ]

মেহেরপুরের মুজিবনগরে স্বাধীনতা সড়ক ও লালমনিরহাটের বিভিন্ন ছিটমহলসহ দুই জেলায় সরকার কর্তৃক বাস্তবায়নাধীন নানা উন্নয়নমূলক কাজ পরিদর্শন করেছেন স্থানীয় সরকার মন্ত্রী মোঃ তাজুল ইসলাম।

          মন্ত্রী গতকাল সকালে তেজগাঁও পুরাতন বিমান বন্দর থেকে হেলিকপ্টারযোগে জনপ্রশাসন প্রতিমন্ত্রী ফরহাদ হোসেনকে সাথে নিয়ে প্রথমে মেহেরপুরের উদ্দেশে যাত্রা শুরু করেন। সকাল সাড়ে দশটায় পৌঁছে প্রথমে স্মৃতিসৌধে পুষ্পস্তবক অর্পণ করে জাতির শ্রেষ্ঠ সন্তানদের প্রতি শ্রদ্ধা নিবেদন করেন তিনি। এরপর স্বাধীনতা সড়কসহ এলজিইডি কর্তৃক বাস্তবায়নাধীন বিভিন্ন উন্নয়নমূলক কাজ পরিদর্শন করেন।

          এ সময় মন্ত্রী সাংবাদিকদের জানান, সড়কটি বাস্তবায়িত হলে দুই দেশের মধ্যকার সম্পর্ক আরো সুদৃঢ় হবে, দুই দেশের জনগণের মধ্যে সম্প্রীতি বৃদ্ধি পাবে। পর্যটনের ক্ষেত্রেও নতুন সম্ভাবনার দ্বার উন্মোচিত হবে। তিনি আরো জানান, মুজিবনগর-কলকাতা স্বাধীনতা সড়কের কাজ শিগগিরই শুরু হবে এবং সর্বোচ্চ গুরুত্ব দিয়ে করা হবে। মুক্তিযুদ্ধের স্মৃতি সংরক্ষণে স্বাধীনতা সড়কটি আগামী মার্চে বাংলাদেশের প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা ও ভারতের প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদি উদ্বোধন করবেন বলেও জানান মন্ত্রী। স্বাধীনতা সড়কটি ঐতিহাসিক মুজিবনগর থেকে শুরু হয়ে ভারতের নদীয়া থেকে কলকাতার সঙ্গে যুক্ত হয়েছে।

          এরপর স্থানীয় সরকার মন্ত্রী ও জনপ্রশাসন প্রতিমন্ত্রী স্থানীয় নেতৃবৃন্দকে সাথে নিয়ে ঐতিহাসিক মুজিবনগর স্মৃতি কমপ্লেক্সসহ স্মৃতিবিজড়িত স্থানসমূহ পরিদর্শন করেন।

          মেহেরপুর সফর শেষে বিকালে মন্ত্রী লালমনিরহাট পৌঁছে তিন বিঘা করিডোরে বিজিবি এবং বিএসএফ কর্তৃক গার্ড অভ্‌ অনার গ্রহণ করেন।

          এরপর লালমনিরহাট জেলার বিলুপ্ত ছিটমহলের উন্নয়ন পরিদর্শন ও আলোচনা সভায় অংশ নিয়ে স্থানীয় সরকার মন্ত্রী বলেন, বাংলাদেশ ভারত ছিটমহল বিনিময় হওয়ার পরপরই প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনার নির্দেশনা অনুযায়ী  সকল ছিটমহলে রাস্তা ঘাট, ব্রিজ, মসজিদ মন্দির, স্কুল কলেজ, হাসপাতাল বিদ্যুৎসহ সব নাগরিক সেবা ঘরে ঘরে পৌঁছে দেয়া হয়েছে। দীর্ঘ ৬৮ বছর ধরে ছিটমহলের মানুষ যে অমানবিক কষ্ট করেছেন তা প্রধানমন্ত্রী অল্প সময়ের মধ্যেই লাঘব করে দিয়েছেন।

          স্থানীয় সরকার বিভাগের সিনিয়র সচিব হেলালুদ্দীন আহমদ, এলজিইডির প্রধান প্রকৌশলী মোঃ আব্দুর রশিদ খান, ডিপিএইচই’র প্রধান প্রকৌশলী মোঃ সাইফুর রহমান মন্ত্রীর সফরসঙ্গী ছিলেন।

বিঃদ্রঃ মানব সংবাদ সব ধরনের আলোচনা-সমালোচনা সাদরে গ্রহণ ও উৎসাহিত করে। অশালীন ও কুরুচিপূর্ণ মন্তব্য পরিহার করুন। এটা আইনত দণ্ডনীয় অপরাধ।

একটি উত্তর ত্যাগ

আপনার মন্তব্য লিখুন দয়া করে!
এখানে আপনার নাম লিখুন দয়া করে