স্থানীয়ভাবে কৃষিযন্ত্রপাতি তৈরিতে গুরুত্বারোপ করা হচ্ছে : কৃষিমন্ত্রী

শুক্রবার, জুলাই ১৭, ২০২০,৪:২৮ পূর্বাহ্ণ
0
6

[ + ফন্ট সাইজ বড় করুন ] /[ - ফন্ট সাইজ ছোট করুন ]

স্থানীয়ভাবে কৃষিযন্ত্রপাতি তৈরিতে গুরুত্বারোপ করা হচ্ছে জানিয়েকৃষিমন্ত্রী ড. মো: আব্দুর রাজ্জাক বলেছেন, কৃষিকাজে লাভবান হতে হলে কৃষিকে যান্ত্রিকীকরণ করতে হবে। যান্ত্রিকীকরণের মাধ্যমে উৎপাদন খরচ কমাতে হবে। স্বল্প সময়ে স্বল্প জমিতে অধিক ফসল ফলাতে হবে। একই সাথে উৎপাদিত কৃষিপণ্যের অপচয় রোধ করতে হবে। এসব বিষয় বিবেচনায় নিয়েই সরকার কৃষির যান্ত্রিকীকরণে সম্প্রতি তিন হাজার ২০ কোটি টাকার প্রকল্প অনুমোদন করেছে। ফলে কৃষিক্ষেত্রে আমূল পরিবর্তন আসবে। এদেশের কৃষি উন্নত দেশের কৃষির মতো আধুনিক যন্ত্রনির্ভর হবে। কৃষিতে বহুমুখী ফসল উৎপাদন হবে। কৃষিপণ্য রপ্তানির মাধ্যমে কৃষক ও দেশ লাভবান হবে। 

কৃষিমন্ত্রী বৃহস্পতিবার মন্ত্রণালয়ের সম্মেলনকক্ষে কৃষি যান্ত্রিকীকরণ বিষয়ে বাংলাদেশ মেশিন টুলস ফ্যাক্টরির প্রতিনিধিদলের সাথে মতবিনিময়কালে এসব কথা বলেন। সভাটি সঞ্চালনা করেন কৃষিসচিব মোঃ নাসিরুজ্জামান। এসময় মন্ত্রণালয়ের ঊর্ধ্বতন কর্মকর্তা ও সংস্থার ঊর্ধ্বতন কৃষি প্রকৌশলীগণ উপস্থিত ছিলেন।

কৃষিমন্ত্রী বলেন, প্রধানমন্ত্রীর নির্দেশনা অনুযায়ী স্থানীয়ভাবে কৃষিযন্ত্রপাতি তৈরিতে বাংলাদেশ মেশিন টুলস ফ্যাক্টরিকে এগিয়ে আসতে পারে। এদেশের উপযোগী কৃষিযন্ত্রপাতি তৈরি করতে পারবে এবং বিদেশ থেকে আনা যন্ত্রপাতিকেও এদেশের উপযোগী করতে পারবে। তাতে কৃষকেরা যেমন কম দামে কৃষিযন্ত্রপাতি পাবে, তেমনি অন্যদিকে স্থানীয় পর্যায়ে কর্মসংস্থান সৃষ্টি হবে ও বৈদেশিক মুদ্রার সাশ্রয় হবে।

উল্লেখ্য, কৃষি মন্ত্রণালয়ের প্রায় তিন হাজার ২০ কোটি টাকার ‘কৃষি যান্ত্রিকীকরণ’ শীর্ষক প্রকল্পের মাধ্যমে প্রায় ৫২ হাজার কৃষিযন্ত্রপাতি কৃষক পর্যায়ে সরবরাহ করা হবে। এসব যন্ত্রপাতির মধ্যে কম্বাইন হারভেস্টার, রিপার, রাইস ট্রান্সপ্লান্টার, সিডার, পাওয়ার থ্রেসার, মেইজ শেলার, ড্রায়ার, পাওয়ার স্প্রেয়ার, পটেটো ডিগার প্রভৃতি রয়েছে। এসব যন্ত্রপাতি কিভাবে স্থানীয়ভাবে তৈরি করা বা সংযোজন করা যায় তা নিয়ে এ সভায় বাংলাদেশ মেশিন টুলস ফ্যাক্টরির সাথে আলোচনা হয়েছে। এসময় বাংলাদেশ মেশিন টুলস ফ্যাক্টরি বিভিন্ন যন্ত্রপাতি তৈরিতে তাদের সক্ষমতা তুলে ধরে।

          কৃষিমন্ত্রী আরো বলেন, সরকারের এখন মূল লক্ষ্য হলো টেকসই কৃষি উন্নয়নের মাধ্যমে কৃষিকে অধিক লাভজনক, আধুনিকীকরণ ও বাণিজ্যিকীকরণ করা। কৃষি যান্ত্রিকীকরণ ও কৃষির বহুমুখীকরণের মাধ্যমেই তা করা সম্ভব।

বিঃদ্রঃ মানব সংবাদ সব ধরনের আলোচনা-সমালোচনা সাদরে গ্রহণ ও উৎসাহিত করে। অশালীন ও কুরুচিপূর্ণ মন্তব্য পরিহার করুন। এটা আইনত দণ্ডনীয় অপরাধ।

একটি উত্তর ত্যাগ

আপনার মন্তব্য লিখুন দয়া করে!
এখানে আপনার নাম লিখুন দয়া করে