স্কুলছাত্র পলাশ হত্যার প্রতিবাদে ক্ষোভে উত্তাল কুলাউড়া

সোমবার, আগস্ট ৫, ২০১৯,৭:১৯ পূর্বাহ্ণ
0
33

[ + ফন্ট সাইজ বড় করুন ] /[ - ফন্ট সাইজ ছোট করুন ]

মৌলভীবাজারের কুলাউড়া উপজেলার সদর ইউনিয়নের স্কুলছাত্র পলাশ হত্যার প্রতিবাদে ইউনিয়নের সর্বস্তরের মানুষ ক্ষোভে উত্তাল। হত্যাকাণ্ডের সাথে জড়িতদের ফাঁসির দাবিতে রবিবার বিকেল ৩টায় ইউনিয়নবাসী স্থানীয় জনতা বাজারে এক বিশাল মানববন্ধন ও প্রতিবাদ সমাবেশ করেছে। সেই কর্মসূচিতে সদর ইউনিয়নের বিভিন্ন শিক্ষাপ্রতিষ্ঠানের শিক্ষক-শিক্ষার্থী, জনপ্রতিনিধিসহ একাত্মতা পোষণ করেন সর্বস্তরের মানুষ ।

মানববন্ধন ও প্রতিবাদসভায় বক্তারা বলেন, পলাশ হত্যাকাণ্ডের সাথে জড়িত মূল হোতা জাহেদ আলী, তার সহযোগী রাহেল মিয়া ও জাহেদেও পিতা মির্জান আলী পুলিশের হাতে আটক হলেও তাদের ফাঁসি হওয়া উচিত এ ধরনের নির্মম হত্যাকাণ্ডের দায়ে। এরা এলাকায় খারাপ ও বখাটে হিসেবে চিহ্নিত। এই আন্দোলন অব্যাহত থাকবে তাদের ফাঁসি না হওয়া পর্যন্ত । 

কুলাউড়া সদর ইউনিয়নের সাবেক চেয়ারম্যান মো. শাহজাহানের সভাপতিত্বে ও সাবেক মেম্বার আব্দুল জলিলের পরিচালনায় মানববন্ধন ও প্রতিবাদ সমাবেশে একাত্মতা পোষণ করে বক্তব্য দেন প্রভাষক আফাজুর রহমান চৌধুরী, ছাত্রনেতা জীবন রহমান, মেম্বার ছালিক আহমদ, জমশেদ আলী, মহিলা মেম্বার বৃন্দা রানী গোয়ালা, শিক্ষক সঞ্জয় দেবনাথ, ব্যবসায়ী আজিজুর রহমান, কুলাউড়া উপজেলা ছাত্রলীগ সভাপতি নিয়াজুল তায়েফ প্রমুখ।

মানববন্ধনে নিহত স্কুলছাত্র পলাশ শব্দকরের বাবা পরিমল শব্দকর ও পলাশের মা উপস্থিত হলে  অবতারণা হয় এক হৃদয়বিদারক দৃশ্যের। পরিমল শব্দকর তার বক্তব্যে বলেন, আমার বা আমার ছেলের কোনো বিরোধ ছিল না ঘাতকদের সাথে । আমার ছেলেকে তারপরও তারা হত্যা করেছে। আর যেন এভাবে খালি না হয় কোনো মায়ের বুক । তিনি  ফাঁসি চান হত্যাকারীদের।

প্রসঙ্গত, গত ৩১ জুলাই বুধবার কুলাউড়া সদর ইউনিয়নের বালিশ্রী গ্রামের বাসিন্দা রিকশাচালক পরিমল শব্দকরের শিশু ছেলে পলাশ শব্দকরকে ফুঁসলিয়ে নিয়ে স্থানীয় কালিটি চা-বাগানে বখাটে জাহেদ ও রাহেল হাত-পা বেঁধে নির্মমভাবে হত্যা করে বলাৎকার করে । এ নিয়ে ২ আগস্ট প্রকাশিত হয় একটি রিপোর্ট । 

বিঃদ্রঃ মানব সংবাদ সব ধরনের আলোচনা-সমালোচনা সাদরে গ্রহণ ও উৎসাহিত করে। অশালীন ও কুরুচিপূর্ণ মন্তব্য পরিহার করুন। এটা আইনত দণ্ডনীয় অপরাধ।

একটি উত্তর ত্যাগ

আপনার মন্তব্য লিখুন দয়া করে!
এখানে আপনার নাম লিখুন দয়া করে