সিংড়ায় ২৫২ কোটি টাকা ব্যয়ে নির্মিত হচ্ছে চলনবিল ডিজিটাল সিটি সেন্টার

শনিবার, জুন ২৬, ২০২১,১১:১৭ পূর্বাহ্ণ
0
12

[ + ফন্ট সাইজ বড় করুন ] /[ - ফন্ট সাইজ ছোট করুন ]

সৌরভ সোহরাব.সিংড়া(নাটোর) প্রতিনিধি : নাটোরের সিংড়া উপজেলার শেরকোল ইউনিয়নের বগুড়া-নাটোর মহাসড়ক সংলগ্নে ১৫ একর জমির বিশাল এলাকা জুড়ে নির্মাণ করা হচ্ছে ‘চলনবিল ডিজিটাল সিটি সেন্টার’। একই জায়গায় চারটি প্রতিষ্ঠানের মধ্যে রয়েছে হাই-টেক পার্ক, ইনকিউবেশন সেন্টার, টেকনিক্যাল স্কুল এন্ড কলেজ ও টেকনিক্যাল ট্রেনিং সেন্টার। আইসিটি বিভাগের অধীনে ৪৩ কোটি টাকা ব্যয়ে হাই-টেক পার্ক, ১৫৪ কোটি টাকা ব্যয়ে শেখ কামাল আইটি ট্রেনিং এন্ড ইনকিউবেশন সেন্টার এবং শিক্ষা মন্ত্রণালয়ের অধীনে ৩৪ কোটি টাকা ব্যয়ে নির্মাণ করা হচ্ছে সিংড়া টেকনিক্যাল স্কুল এন্ড কলেজ। এছাড়া প্রবাসী কল্যাণ ও বৈদেশিক কর্মসংস্থান মন্ত্রণালয়ের অধীনে ২১ কোটি টাকা ব্যয়ে নির্মাণ করা হচ্ছে টেকনিক্যাল ট্রেনিং সেন্টার। চারটি প্রতিষ্ঠান মিলে গড়ে উঠা চলনবিল ডিজিটাল সিটি সেন্টার নামে এই প্রতিষ্ঠানের মোট ব্যয় হবে ২ শত ৫২ কোটি টাকা।

এরই মধ্যে হাইটেক পার্ক ও গণপূর্ত বিভাগের অধীনে টেকনিক্যাল ট্রেনিং সেন্টার নির্মাণের কাজ দৃশ্যমান হয়েছে। বর্তমানে চারটি প্রতিষ্ঠানের মধ্যে হাইটেক পার্কের মূল ভবনের কাজ ৫০ শতাংশ শেষ হয়েছে। বাকিগুলোর নির্মাণ কাজ দ্রুতগতিতে চলছে । হাই-টেক পার্কটি নির্মাণ করছে আনোয়ার ল্যান্ডমার্ক লিমিটেড। নির্দিষ্ট সময়ের মধ্যে এই চার প্রতিষ্ঠানের কাজ সম্পন্ন হলে অন্তত্ব ২০ হাজার মানুষের নতুন কর্মসংস্থানের সুযোগ সৃষ্টি হবে এমনটাই স্বপ্ন দেখছেন স্থানীয়রা। চলনবিল ডিজিটাল সিটি সেন্টার নিয়ে স্থানীয়দের পাশাপাশি আশার আলো দেখছেন চলনবিলের ফ্রিল্যান্সাররাও। চলনবিলের প্রত্যন্ত এলাকায় চারটির মধ্যে একটি হাই-টেক পার্ক, অন্যটি শেখ কামাল আইটি ট্রেনিং অ্যান্ড ইনকিউবেশন সেন্টার হওয়ায় ফ্রিল্যান্সার তৈরির কারিগর হবে এখানে। উন্নত প্রশিক্ষণ নিয়ে কর্মসংস্থানের পাশাপাশি বৈদেশিক মুদ্রা আয় সম্ভব বলে জানান ফ্রিল্যান্সাররা।

হাই-টেক পার্ক নির্মাণ প্রকল্পের ঠিকাদারি প্রতিষ্ঠান আনোয়ার ল্যান্ডমার্ক লিমিটেডের প্রজেক্ট ম্যানেজার মশিউর রমজান বলেন, গত বছর আমাদের প্রকল্পের মেয়াদ শেষ হয়েছে। তবে কাজের অনুমতি দেরিতে পাওয়ার কারণে কাজ শেষ করা সম্ভব হয়নি। নির্মাণকাজ দ্রুত গতিতে এগিয়ে চলেছে। মূল ভবনের ৫০ শতাংশ কাজ শেষ হয়েছে। আশা করি নির্দিষ্ট সময়ের মধ্যে কাজ শেষ করতে পারব।

আইসিটি প্রতিমন্ত্রী জুনাইদ আহমেদ পলক এমপি বলেন, চলনবিল ডিজিটাল সিটি সেন্টার নির্মাণ কাজ শেষ হলে এখানে একখন্ড সিঙ্গাপুর গড়ে উঠবে। চলনবিলের শিক্ষিত বেকার যুবকরা ডিজিটাল সিটি সেন্টারে প্রশিক্ষণ নিয়ে সুশিক্ষায় শিক্ষিত হলে অন্তত্ব ২০ হাজার তরুণ-তরুণীর কর্মসংস্থানের সুযোগ সৃষ্টি হবে।

বিঃদ্রঃ মানব সংবাদ সব ধরনের আলোচনা-সমালোচনা সাদরে গ্রহণ ও উৎসাহিত করে। অশালীন ও কুরুচিপূর্ণ মন্তব্য পরিহার করুন। এটা আইনত দণ্ডনীয় অপরাধ।

একটি উত্তর ত্যাগ

আপনার মন্তব্য লিখুন দয়া করে!
এখানে আপনার নাম লিখুন দয়া করে