সাংবাদিক রোজিনা ইসলামের বিরুদ্ধে করা মামলা প্রত্যাহার করে মুক্তির দাবি

বুধবার, মে ১৯, ২০২১,১২:৩২ অপরাহ্ণ
0
27

[ + ফন্ট সাইজ বড় করুন ] /[ - ফন্ট সাইজ ছোট করুন ]

নির্যাতনকারী সরকারি কর্মচারীদের শাস্তি দিতে হবে

এটমিক রিপোর্টার্স বাংলাদেশে এক বিবৃতিতে বলেন, পেশাগত দায়িত্ব পালনের সময়, প্রশাসনের সর্বোচ্চ কেন্দ্র সচিবালয়ে দৈনিক প্রথম আলোর জ্যেষ্ঠ প্রতিবেদক রোজিনা ইসলামকে নির্যাতন ও সাজানো মামলা করে জেলে পাঠানোর তীব্র প্রতিবাদ ও নিন্দা জানাচ্ছি।

বিবৃতিতে তারা আরো বলেন, এই ঘটনায় আমরা স্তম্ভিত ও বাকরুদ্ধ। সরকারের শীর্ষ পর্যায়ের কর্মচারিদের এরকম আচরণ গণমাধ্যমের স্বাধীনতা ও বাক স্বাধীনতা প্রকাশে সংবিধান প্রদত্ত অধিকারের পরিপন্থি। অবিলম্বে সাংবাদিক রোজিনা ইসলামের বিরুদ্ধে করা মামলা প্রত্যাহারের দাবী করছি আমরা। রোজিনা ইসলামকে মুক্তি দিয়ে চিকিৎসার ব্যবস্থা করতে হবে।

বিভিন্ন উপায়ে সরকারি নথি সংগ্রহ করে খবর প্রকাশ সাংবাদিকদের দায়িত্ব। রাষ্ট্রের চতুর্থ স্তম্ভে কর্মরত কলম যোদ্ধাদের এই কাজ দেশে বিদেশে বিভিন্ন মামলার রায়ে স্বীকৃত পদ্ধতি হিসাবেই দেখা হয়। পৃথিবীর কোথাও এটিকে কোন অপরাধ হিসাবে গণ্য করা হয় না। বৃটিশ আমলে করা তথাকথিত অফিসিয়াল সিক্রেসি অ্যাক্টে সাংবাদিক রোজিনার বিরুদ্ধে যে মামলা করা হয়েছে তা নজিরবিহীন। করোনা ভাইরাসের প্রাদুর্ভাবের পর থেকেই স্বাস্থ্য মন্ত্রণালয় ও এর অধীনস্থ বিভিন্ন সংস্থার নানা দুর্নীতি এবং অব্যবস্থাপনা ইতিমধ্যে প্রকাশ পেয়েছে। ওইসব ঘটনায় কাউকেই এখনো শাস্তির আওতায় আনা হয়নি। বরং যে কয়েকজন নির্ভীক সাংবাদিক জাতির স্বার্থে এসব করেছেন তাদের একজনকে আজ সাজানো মামলায় কারাগারে প্রেরণ করা হলো।

প্রশাসন ও সরকারে শুভ বুদ্ধির মানুষের আজ কি বড়োই অভাব? কতিপয় উচ্ছৃংখল এবং সিন্ডিকেড গড়ে তোলা কর্মচারিদের কাছে সংবিধান, মানবাধিকার এবং মুক্ত মত প্রকাশের স্বাধীনতা জিম্মি হয়ে থাকতে পারেনা। আমরা এসবের অবসান চাই। ডিজিটাল সিকিউরিটি এবং অফিসিয়াল সিক্রেসি অ্যাক্টের মতো সকল কালাকানুন বাতিল করতে হবে।

বিঃদ্রঃ মানব সংবাদ সব ধরনের আলোচনা-সমালোচনা সাদরে গ্রহণ ও উৎসাহিত করে। অশালীন ও কুরুচিপূর্ণ মন্তব্য পরিহার করুন। এটা আইনত দণ্ডনীয় অপরাধ।

একটি উত্তর ত্যাগ

আপনার মন্তব্য লিখুন দয়া করে!
এখানে আপনার নাম লিখুন দয়া করে