সরকার ১০ বছরে ৯৭৫০৪ কর্মকর্তা নিয়োগ দিয়েছে : জনপ্রশাসন প্রতিমন্ত্রী

মঙ্গলবার, ফেব্রুয়ারি ১৮, ২০২০,৭:০৬ পূর্বাহ্ণ
0
6

[ + ফন্ট সাইজ বড় করুন ] /[ - ফন্ট সাইজ ছোট করুন ]

বর্তমান আওয়ামী লীগ সরকারের আমলে ২০১০ সাল থেকে ২০১৯ সালের মধ্যে বাংলাদেশ সরকারি কর্ম কমিশনের মাধ্যমে ৯৭ হাজার ৫০৪ জন কর্মকর্তা নিয়োগ দেওয়া হয়েছে। এরমধ্যে ৩০ হাজার ৩০১ জনকে বিভিন্ন ক্যাডারে এবং ৬৭ হাজার ২০৩ জনকে নন-ক্যাডারে নিয়োগ দেওয়া হয়েছে বলে জানিয়েছেন জনপ্রশাসন প্রতিমন্ত্রী মো. ফরহাদ হোসেন। গতকাল সোমবার বিকেলে তিনি এ তথ্য জানান জাতীয় সংসদ অধিবেশনে প্রশ্নোত্তর পর্বে। স্পিকার ড. শিরীন শারমিন চৌধুরীর সভাপতিত্বে অধিবেশনে এসংক্রান্ত প্রশ্নটি উত্থাপন করেন সরকার দলীয় সদস্য মনজুর হোসেন। 

বিরোধী দল জাতীয় পার্টির দলীয় সদস্য মো. রুস্তম আলী ফরাজীর প্রশ্নের লিখিত জবাবে তিনি জানান, দেশে ১৫৩ জন মহিলা কর্মকর্তা উপজেলা নির্বাহী অফিসার (ইউএনও) হিসেবে কর্মরত আছেন। বর্তমানে মাঠ পর্যায়ে ২৮তম, ২৯তম, ৩০তম ও ৩১তম ব্যাচের কর্মকর্তাগণ উপজেলা নির্বাহী অফিসার (ইউএনও) হিসেবে দায়িত্ব পালন করছেন। 

বিরোধী দলীয় চিফ হুইপ মসিউর রহমান রাঙ্গার প্রশ্নের জবাবে প্রতিমন্ত্রী জানান, সরকারি চাকরি আইন, ২০১৮ এর ৪৯ ধারা অনুযায়ী জনস্বার্থে চুক্তিভিত্তিক নিয়োগ পদ্ধতি রাষ্ট্রপতির এখতিয়ারভুক্ত একটি বিশেষ ব্যবস্থা, যা বাতিল করার কোনো পরিকল্পনা আপাতত সরকারের নেই।

তিনি জানান, চুক্তিভিত্তিক নিয়োগ একটি প্রশাসনিক কার্যক্রম। বিশেষায়িত পদে এবং যে সকল সরকারি প্রতিষ্ঠান/সংস্থায় উপযুক্ত যোগ্যতাসম্পন্ন জনবল সংকট রয়েছে, সে সকল সংস্থায় উপযুক্ত সামরিক/অসামরিক কর্মকর্তা/কর্মচারী এবং জনসাধরণের মধ্য হতে বিশেষে যোগ্যতা সম্পন্ন ব্যক্তিকে সরকার চুক্তিভিত্তিক নিয়োগ দেওয়ার মাধ্যমে দাপ্তরিক কার্যক্রম চলমান রাখা হয়। 

একই প্রশ্নের জবাবে প্রতিমন্ত্রী জানান, প্রশাসনিক ও মামলাসংক্রান্ত জটিলতার কারণে যে সকল দপ্তরে দ্রুত, যোগতাসম্পন্ন জনবল নিয়োগ করা সম্ভব হয় না, প্রশাসনিক মন্ত্রণালয়ের অনুরোধে সে সকল সংস্থায় অবসরপ্রাপ্ত সরকারি কর্মকর্তা/কর্মচারীগণকে চুক্তিভিত্তিক নিয়োগ প্রদানের মাধ্যমে জনবল সংকট নিরসন করা হয়। স্বাভাবিক দাপ্তরিক কার্যক্রম ব্যহত হতে পারে চুক্তিভিত্তিক নিয়োগ না দেওয়া হলে।

বিঃদ্রঃ মানব সংবাদ সব ধরনের আলোচনা-সমালোচনা সাদরে গ্রহণ ও উৎসাহিত করে। অশালীন ও কুরুচিপূর্ণ মন্তব্য পরিহার করুন। এটা আইনত দণ্ডনীয় অপরাধ।

একটি উত্তর ত্যাগ

আপনার মন্তব্য লিখুন দয়া করে!
এখানে আপনার নাম লিখুন দয়া করে