শেখ হাসিনার কাছেই মুক্তিযুদ্ধের বাংলাদেশ নিরাপদ : প্রাণিসম্পদ মন্ত্রী

শনিবার, ডিসেম্বর ১৯, ২০২০,৯:৫৮ পূর্বাহ্ণ
0
16

[ + ফন্ট সাইজ বড় করুন ] /[ - ফন্ট সাইজ ছোট করুন ]

মৎস্য ও প্রাণিসম্পদ মন্ত্রী শ ম রেজাউল করিম বলেছেন, শেখ হাসিনার কাছেই মুক্তিযুদ্ধের বাংলাদেশ নিরাপদ। মুক্তিযুদ্ধের বাংলাদেশ রক্ষার ক্ষেত্রে শেখ হাসিনার কোনো বিকল্প নেই। তিনি ছিলেন বিধায় যুদ্ধাপরাধীদের বিচার হয়েছে। তিনি আছেন বিধায় মুক্তিযোদ্ধারা স্যালুট পাচ্ছেন, নিয়মিত ভাতা পাচ্ছেন। তিনি আছেন বিধায় হাসপাতালে মুক্তিযোদ্ধাদের জন্য বিনামূল্যে কেবিন থাকে। সরকারি যানবাহনে মুক্তিযোদ্ধারা বিনা ভাড়ায় চলতে পারেন। তাঁর জন্যই মুক্তিযোদ্ধাদের বীর মুক্তিযোদ্ধা হিসেবে আইনি স্বীকৃতি দেওয়া হয়েছে।

    গতকাল পিরোজপুর জেলা মুক্তিযোদ্ধা কমপ্লেক্স মিলনায়তনে ‘মহান বিজয় দিবস ২০২০’ উপলক্ষে বীর মুক্তিযোদ্ধাদের সাথে শুভেচ্ছা বিনিময় অনুষ্ঠানে প্রধান অতিথির বক্তব্যে মন্ত্রী এসব কথা বলেন।

          এ সময় তিনি আরো বলেন, মুক্তিযুদ্ধের বাংলাদেশে সাম্প্রদায়িক শক্তি মাথাচাড়া দিয়ে উঠলে তাদেরকে সকলে মিলে প্রতিহত করতে হবে। তাদের অস্তিত্ব বিনাশ করে দিতে হবে। সাম্প্রদায়িক শক্তিকে কোনোভাবে বিকশিত হতে দেয়া হবে না। এই ব্যাপারে কঠোর অবস্থান নেয়া হবে। স্বাধীনতাবিরোধীদের শেকড় এদেশ থেকে উপড়ে ফেলা হবে।

          এদিন পিরোজপুরে মহান মুক্তিযুদ্ধের শহিদদের স্মরণে নবনির্মিত মুক্তিযোদ্ধা স্মৃতিসৌধ উদ্বোধন করেন মন্ত্রী।

          পিরোজপুরের অতিরিক্ত জেলা প্রশাসক ও  পিরোজপুর জেলা মুক্তিযোদ্ধা সংসদের প্রশাসক চৌধুরী রওশন ইসলামের সভাপতিত্বে অনুষ্ঠানে বিশেষ অতিথি হিসেবে উপস্থিত ছিলেন পিরোজপুরের জেলা প্রশাসক আবু আলী মোঃ সাজ্জাদ হোসেন, পুলিশ সুপার হায়াতুল ইসলাম খান, পিরোজপুর জেলা আওয়ামী লীগের সাধারণ সম্পাদক এম এ হাকিম হাওলাদার, পিরোজপুর গণপূর্ত বিভাগের নির্বাহী প্রকৌশলী আব্দুল্লাহ আল মাসুম, বাংলাদেশ মুক্তিযোদ্ধা সংসদের পিরোজপুর জেলা ইউনিট কমান্ডের সাবেক জেলা কমান্ডার গৌতম নারায়ন রায় চৌধুরী, সাবেক জেলা কমান্ডার সমীর কুমার দাস বাচ্চু ও  সাবেক জেলা কমান্ডার মোঃ ফজলুল হক সেন্টু।

বিঃদ্রঃ মানব সংবাদ সব ধরনের আলোচনা-সমালোচনা সাদরে গ্রহণ ও উৎসাহিত করে। অশালীন ও কুরুচিপূর্ণ মন্তব্য পরিহার করুন। এটা আইনত দণ্ডনীয় অপরাধ।

একটি উত্তর ত্যাগ

আপনার মন্তব্য লিখুন দয়া করে!
এখানে আপনার নাম লিখুন দয়া করে