শর্ত সাপেক্ষে গণপরিবহণের পূর্বনির্ধারিত ভাড়ায় ফিরে যাওয়ার বিষয়ে সরকার ভাবছে

বুধবার, আগস্ট ২৬, ২০২০,৯:১৯ পূর্বাহ্ণ
0
7

[ + ফন্ট সাইজ বড় করুন ] /[ - ফন্ট সাইজ ছোট করুন ]

মাস্ক পরিধান বাধ্যতামূলক করা এবং দাঁড়ানো অবস্থায় যাত্রী পরিবহন না করার শর্তে গণপরিবহণের আগের নির্ধারিত ভাড়ায় ফিরে যাওয়ার বিষয়ে সরকার চিন্তাভাবনা করছে বলে জানিয়েছেন সড়ক পরিবহন ও সেতুমন্ত্রী এবং বাংলাদেশ আওয়ামী লীগের সাধারণ সম্পাদক ওবায়দুল কাদের। শীঘ্রই এ বিষয়ে সিদ্ধান্ত জানানো হবে বলে তিনি জানান।

          মন্ত্রী গতকাল সকালে নিজ বাসভবন থেকে কুমিল্লা সড়ক জোন, বিআরটিএ ও বিআরটিসি কর্মকর্তাদের সাথে ভিডিও কনফারেন্সে মতবিনিময়কালে একথা জানান।

          এ সময় মন্ত্রী বলেন, রোহিঙ্গা সংকট সমাধানে শেখ হাসিনা সরকার কূটনৈতিক প্রয়াস অব্যাহত রেখেছে। এ সংকটে বাংলাদেশের পরিবেশ, প্রতিবেশ এবং পর্যটন শিল্প ক্ষতিগ্রস্ত হচ্ছে। আন্তর্জাতিক সম্প্রদায়ের আগ্রহ কমে গেলে এগারো লাখ অতিরিক্ত মানুষের চাপ বহন করা বাংলাদেশের জন্য অত্যন্ত কষ্টকর হবে উল্লেখ করে এ সমস্যা সমাধানে তিনি জাতিসংঘসহ আন্তর্জাতিক সম্প্রদায়ের দৃষ্টি আকর্ষণ করেন।

          ভিডিও কনফারেন্সে মন্ত্রী সড়ক নির্মাণে গুণগতমান নিশ্চিতের ওপর গুরুত্বারোপ করে বলেন, ভূমি অধিগ্রহণে ধীরগতি অনেক ক্ষেত্রে প্রকল্প বাস্তবায়নকে বিলম্বিত করছে। তিনি নির্মাণকাজ চলাকালে প্রকৌশলীদের তদারকি বাড়ানোর নির্দেশ দেন।

          মন্ত্রী বলেন, দেশের অর্থনীতির লাইফ-লাইন ঢাকা-চট্টগ্রাম মহাসড়ক। দ্বিতীয় কাঁচপুর, মেঘনা ও গোমতী সেতু নির্মাণের ফলে এ মহাসড়কে আর কোনো যানজট নেই। তবে পরিচ্ছন্নতার অভাব আছে উল্লেখ করে তিনি বলেন, যাত্রাবাড়ি থেকে কাঁচপুর অংশে সড়কের উপর আবর্জনা পরিষ্কার করে মহাসড়কটি পরিচ্ছন্ন রাখতে হবে।

          মন্ত্রী কুমিল্লা হতে বেগমগঞ্জ পর্যন্ত মহাসড়ক চারলেনে উন্নীতকরণ কাজের ধীরগতিতে অসন্তোষ প্রকাশ করেন। তিনি বলেন, ফেনী-চৌমুহনী এবং চৌমুহনী-সোনাপুর চারলেন প্রকল্পের জমি অধিগ্রহণের জটিলতা কাটিয়ে দ্রুত নির্মাণকাজ শেষ করতে হবে।

          বরিশাল-ভোলা-লক্ষ্মীপুর সড়ক উন্নয়ন প্রকল্পের লক্ষ্মীপুর অংশের কাজ শুরু করতে বিলম্বের জন্য তিনি সংশ্লিষ্টদের ভর্ৎসনা করেন এবং এ কাজ জনস্বার্থে দ্রুত এগিয়ে নেয়ার নির্দেশ দেন। এছাড়া লক্ষ্মীপুর শহরের সড়ক প্রশস্তকরণ প্রকল্পে দ্রুত অর্থায়ন করা হবে বলে তিনি জানান।

          দাউদকান্দি হতে দক্ষিণ মতলব পর্যন্ত প্রকল্পটি সম্প্রতি একনেকে অনুমোদন পাওয়ায় ঢাকার সাথে চাঁদপুরের দূরত্ব সত্তর কিলোমিটার কমে যাবে জানিয়ে মন্ত্রী প্রয়োজনীয় প্রক্রিয়া শেষে এ সড়কের নির্মাণকাজ স্বল্প সময়ে শুরু হবে বলে আশা প্রকাশ করেন।

          ভিডিও কনফারেন্সে অন্যান্যের মাঝে সড়ক পরিবহন ও মহাসড়ক বিভাগের সচিব মো. নজরুল ইসলাম, সড়ক ও জনপথ অধিদপ্তরের প্রধান প্রকৌশলী মো. শাহারিয়ার হোসেনসহ কুমিল্লা জোনের বিভিন্ন সড়ক বিভাগের নির্বাহী প্রকৌশলী এবং বিআরটিএ ও বিআরটিসি’র কর্মকর্তাগণ সংযুক্ত ছিলেন।

#

বিঃদ্রঃ মানব সংবাদ সব ধরনের আলোচনা-সমালোচনা সাদরে গ্রহণ ও উৎসাহিত করে। অশালীন ও কুরুচিপূর্ণ মন্তব্য পরিহার করুন। এটা আইনত দণ্ডনীয় অপরাধ।

একটি উত্তর ত্যাগ

আপনার মন্তব্য লিখুন দয়া করে!
এখানে আপনার নাম লিখুন দয়া করে