[ + ফন্ট সাইজ বড় করুন ] /[ - ফন্ট সাইজ ছোট করুন ]
প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা ২৬ মার্চ র্যাপিড অ্যাকশন ব্যাটালিয়ন (র্যাব) এর ১৬তম প্রতিষ্ঠাবার্ষিকী উপলক্ষে নিম্নোক্ত বাণী প্রদান করেছেন:
“র্যাপিড অ্যাকশন ব্যাটালিয়ন (র্যাব) এর ১৬তম প্রতিষ্ঠাবার্ষিকী উপলক্ষে আমি এ বাহিনীর সকল সদস্যকে শুভেচ্ছা ও অভিনন্দন জানাই। দেশমাতৃকার কল্যাণে আইন-শৃঙ্খলা রক্ষার দায়িত্ব পালনে র্যাবের যে সকল বীর সদস্য জীবন উৎসর্গ করেছেন, তাঁদের আত্মার মাগফেরাত ও শান্তি কামনা করছি।
প্রতিষ্ঠালগ্ন হতে দেশপ্রেম, দায়িত্ববোধ, পেশাদারিত্ব, সততা ও নিষ্ঠার সঙ্গে র্যাব দেশের আইন-শৃঙ্খলা পরিস্থিতির টেকসই উন্নয়ন ও জননিরাপত্তা নিশ্চিত করতে তাৎপর্যপূর্ণ ভূমিকা পালন করে চলেছে। দুর্নীতি ও অরাজকতার বিরুদ্ধে আমাদের সরকারের দৃপ্ত অঙ্গীকারের সফল ও সার্থক বাস্তবায়নে দুর্নীতিবাজদের চিহ্নিত করে আইনের আওতায় এনে তাদের দৃষ্টান্তমূলক শাস্তি বিধানের লক্ষ্যে র্যাবের কর্মতৎপরতা প্রশংসনীয়। এছাড়া বিশ্ব ঐতিহ্যের অনন্য নিদর্শন সুন্দরবন ও তৎসংলগ্ন জনপদসমূহকে সন্ত্রাসমুক্ত করে দস্যুদের আত্মসমর্পণপূর্বক স্বাভাবিক জীবনধারায় প্রত্যাবর্তনের পথ সুগম করার ক্ষেত্রে এ বাহিনী অনুকরণীয় দৃষ্টান্ত স্থাপন করেছে।
দুর্নীতি, জঙ্গিবাদ, ধর্মীয় মৌলবাদী বিষবৃক্ষের মূলোৎপাটন, অবৈধ মাদক, আগ্নেয়াস্ত্রের ব্যবহার ও বাণিজ্য নির্মূলকরণ, নারী ও শিশুদের প্রতি সহিংসতা দমন, জনস্বাস্থ্য সুরক্ষায় ভেজাল খাদ্যদ্রব্য এবং মানহীন, নকল ও অবৈধ ঔষধের বাণিজ্য প্রতিহতকরণ, প্রশ্নপত্র ফাঁস রোধকরণসহ বিভিন্ন আর্থ-সামাজিক অপরাধের বিরুদ্ধে অবিরত অভিযান পরিচালনার মাধ্যমে সামগ্রিক অপরাধ দমনে র্যাব কার্যকর ভূমিকা রাখছে। অপরাধমুক্ত প্রগতিশীল বাংলাদেশ গড়ার প্রত্যয়ে র্যাব কাজ করে যাচ্ছে। র্যাবের আধুনিকায়ন, সম্প্রসারণ ও গুণগত উৎকর্ষতা সাধনে আমরা গ্রহণ করেছি বহুমুখী কর্মপরিকল্পনা।
আমি আশা করি, মহান মুক্তিযুদ্ধের চেতনায় উজ্জীবিত হয়ে সর্বকালের সর্বশ্রেষ্ঠ বাঙালি, জাতির পিতা বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমানের আজীবন লালিত স্বপ্ন অসাম্প্রদায়িক, উন্নত ও স্বনির্ভর বাংলাদেশ বিনির্মাণে র্যাব তার আগামীর অগ্রযাত্রা অব্যাহত রাখবে।
আমি র্যাব এর সর্বাঙ্গীণ সাফল্য কামনা করছি।
জয় বাংলা, জয় বঙ্গবন্ধু
বাংলাদেশ চিরজীবী হোক।”


























