রাজধানীর বে-দখল হওয়া সব খাল উদ্ধার করা হবে

শুক্রবার, জানুয়ারি ১, ২০২১,৯:৪৮ অপরাহ্ণ
0
4

[ + ফন্ট সাইজ বড় করুন ] /[ - ফন্ট সাইজ ছোট করুন ]

রাজধানীতে বে-দখল হওয়া সকল খাল দুই সিটি কর্পোরেশনের মেয়রসহ সংশ্লিষ্ট সকলের সমন্বিত উদ্যোগে উদ্ধার করা হবে বলে জানিয়েছেন স্থানীয় সরকার, পল্লী উন্নয়ন ও সমবায় মন্ত্রী মোঃ তাজুল ইসলাম।

          ঢাকা মহানগরীর ড্রেনেজ ব্যবস্থার পরিচালনা, রক্ষণাবেক্ষণ ও উন্নয়নের লক্ষ্যে দ্রুত কাজ শুরু করার জন্য মেয়রদ্বয়ের প্রতি আহ্বান জানান মন্ত্রী।

          তিনি গতকাল রাজধানীর একটি হোটেলে ঢাকা মহানগরীর জলাবদ্ধতা নিরসনে বৃষ্টির পানি নিষ্কাশনের দায়িত্ব ঢাকা ওয়াসার নিকট হতে ঢাকা উত্তর ও দক্ষিণ সিটি কর্পোরেশনের নিকট হস্তান্তরের লক্ষ্যে ঢাকা ওয়াসা এবং দুই সিটি কর্পোরেশনের মধ্যে সমঝোতা স্মারক স্বাক্ষর অনুষ্ঠানে প্রধান অতিথির বক্তব্যে এসব কথা বলেন।

          স্থানীয় সরকার মন্ত্রী বলেন, ঢাকা শহরকে আধুনিক ও দৃষ্টিনন্দন করতে হলে নগরীর বে-দখল এবং হারিয়ে যাওয়া খালগুলোকে উদ্ধার, সংস্কার ও পরিষ্কার-পরিচ্ছন্ন করতে হবে। সব চ্যালেঞ্জ মোকাবিলা করে ধীরে ধীরে পুনরুদ্ধার করা হবে বলেও জানান তিনি।

          মন্ত্রী বলেন, জলাবদ্ধতা নিরসনসহ নাগরিকের সকল সুযোগ-সুবিধা দেশের জনগণের কাছে পৌঁছে দেওয়ার জন্য প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনার নির্দেশে আমরা সকলে ঐক্যবদ্ধ। ঢাকা শহরের জলাবদ্ধতা নিরসনে দুই সিটি কর্পোরেশন ভালো করতে পারবে বলেই হস্তান্তর করা হলো। এসময় দুই সিটি মেয়রকে ড্রেনেজ ব্যবস্থাপনা কঠোর মনিটরিংয়ের পরামর্শ দেন তিনি।

          মোঃ তাজুল ইসলাম জানান, দুই সিটি কর্পোরেশনের মেয়রদ্বয় জনগণের সরাসরি ভোটে নির্বাচিত। তাই জনগণের কাছে তাদের জবাবদিহিতা ও দায়বদ্ধতা রয়েছে। নাগরিক সুযোগ-সুবিধা অনুধাবন করে তাদের দুঃখ কষ্ট নিরসনে সর্বোচ্চ গুরুত্ব দিয়ে কাজ করবে এমন আশাবাদ ব্যক্ত করে দুই মেয়রকে একসঙ্গে কাজ করার আহ্বান জানান।

          খাল দখল করে রাস্তা না বানিয়ে ওয়াটার ট্রান্সপোর্ট চালু করার সুযোগ ছিল কিন্তু তা করা হয়নি উল্লেখ করে মন্ত্রী বলেন, নগরীর সকল খাল সংস্কার করে একটির সাথে একটি সংযোগ দিয়ে ওয়াটার ট্রান্সপোর্ট চালু করা, দুই পাশে ওয়াকওয়ে ও সাইকেল লেন নির্মাণসহ অন্যান্য নাগরিক সুবিধা নিশ্চিতের লক্ষ্যে মন্ত্রণালয়ের মাধ্যমে প্রকল্প তৈরি করা হচ্ছে।

          স্থানীয় সরকার মন্ত্রী জানান, জাতির পিতা বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমান বলেছেন, ভিক্ষুকের জাতির কোনো মর্যাদা নেই আর তাঁর সুযোগ্য কন্যা শেখ হাসিনা বলেছেন ভিক্ষুকের জাতির নেতৃত্ব দেওয়ার জন্য তিনি প্রধানমন্ত্রী হননি। এজন্যই প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা দেশকে ক্ষুধা-দারিদ্র্যমুক্ত ও উন্নত সমৃদ্ধ করার দায়িত্ব হাতে তুলে নিয়েছেন এবং নিরলসভাবে কাজ করে যাচ্ছেন। দেশ দ্রুত এগিয়ে যাওয়ায় বিশ্ববাসীর কাছে ইতোমধ্যে চমক সৃষ্টি হয়েছে এবং উন্নয়নের রোল মডেলে ‍রূপান্তরিত হয়েছে বলে উল্লেখ করেন মন্ত্রী।

          স্থানীয় সরকার বিভাগের সিনিয়র সচিব হেলালুদ্দীন আহমদ এর সভাপতিত্বে অনুষ্ঠানে ঢাকা দক্ষিণ সিটি কর্পোরেশন মেয়র শেখ ফজলে নুর তাপস, উত্তর সিটি কর্পোরেশনের মেয়র মো: আতিকুল ইসলামসহ স্থানীয় সরকারের বিভাগ, ঢাকা দুই সিটি কর্পোরেশন এবং ওয়াসার ঊর্ধ্বতন কর্মকর্তাবৃন্দ উপস্থিত ছিলেন।

বিঃদ্রঃ মানব সংবাদ সব ধরনের আলোচনা-সমালোচনা সাদরে গ্রহণ ও উৎসাহিত করে। অশালীন ও কুরুচিপূর্ণ মন্তব্য পরিহার করুন। এটা আইনত দণ্ডনীয় অপরাধ।

একটি উত্তর ত্যাগ

আপনার মন্তব্য লিখুন দয়া করে!
এখানে আপনার নাম লিখুন দয়া করে