রক্ত আনতে গিয়ে ধর্ষণের ঘটনায় গ্রেপ্তার ২জন রিমান্ডে

সোমবার, সেপ্টেম্বর ২৮, ২০২০,১১:৫৪ পূর্বাহ্ণ
0
48

[ + ফন্ট সাইজ বড় করুন ] /[ - ফন্ট সাইজ ছোট করুন ]

আদালত দুই দিন করে রিমান্ডের আদেশ দিয়েছেন মুমূর্ষু স্বামীর জন্য রক্ত আনতে গিয়ে এক নারী ধর্ষণের অভিযোগে গ্রেপ্তার ২ আসামিকে। তারা হলেন, মনোয়ার হোসেন ওরফে সজীব (৪৩) ও মাশনু আরা বেগম ওরফে শিল্পী (৪০)। রবিবার ঢাকা মহানগর হাকিম দেবদাস চন্দ্র অধিকারীর আদালত এ আদেশ দেন। 

এর আগে দুই আসামিকে আদালতে হাজির করা হয়। পরে মামলার তদন্ত কর্মকর্তা তাদের সাত দিনের রিমান্ডের আবেদন করেন। এ সময় আসামি পক্ষের আইনজীবীরা রিমান্ড বাতিল চেয়ে জামিন আবেদন করেন। অন্যদিকে রাষ্ট্রপক্ষ জামিনের বিরোধিতা করেন। উভয় পক্ষের শুনানি শেষে আদালত প্রত্যেকের দুইদিন করে রিমান্ড মঞ্জুর করেন। 

গত ২৫ সেপ্টেম্বর রাত ৮টার দিকে রাজধানীর মিরপুরে মনিপুরীপাড়ায় শিফা ভিলা নামের একটি ফ্ল্যাট থেকে তাদের দুজনকে গ্রেপ্তার করে র‌্যাব।

মামলার সূত্রে জানা যায়, গত ১৫ সেপ্টেম্বর বিকেল ৪টার দিকে ভুক্তভোগী নারী অসুস্থ স্বামীকে নিয়ে সোহরাওয়ার্দী হাসপাতালে মেডিসিন বিভাগের ভর্তি করান। দায়িত্বরত চিকিৎসক স্বামীর জন্য রক্ত প্রয়োজন এবং জরুরিভাবে রক্তের ব্যবস্থা করার পরার্মশ দেন। ভুক্তভোগী নারী হাসপাতালের দ্বিতীয় তলার ব্লাড ব্যাংকের সামনে গিয়ে তিন-চারজন পুরুষকে বসা দেখতে পেয়ে রক্তের বিষয়ে জানতে চাইলে মনোয়ার হোসেন ওরফে সজীব রক্তের ব্যবস্থা করে দেবেন বলে জানান। পরে গত ১৬ সেপ্টেম্বর দুপুর দেড়টার দিকে কৌশলে রক্তের ব্যবস্থা করে দেওয়ার নাম করে মিরপুরে শিল্পীর বাসায় নিয়ে যান। বাসায় নিয়ে শিল্পীর সহযোগিতায় তাকে ধর্ষণ করে মনোয়ার। এ সময় বিষয়টি যেন কাউকে না বলে এজন্য হুমকি দেয়। পরে ভুক্তভোগী নারী লোকলজ্জার ভয়ে ও স্বামীর অসুস্থতার কারণে ধর্ষণের বিষয়টি গোপন রাখেন। ওইদিন সন্ধ্যা সাড়ে ৭টার দিকে তার স্বামীর মোবাইলে কল করে তারা বলে রক্তের ব্যবস্থা হয়েছে- আপনার স্ত্রীকে হাসপাতালের দ্বিতীয় তলায় পাঠিয়ে দেন। তখন ওই নারী পুনরায় ধর্ষিত হওয়ার ভয়ে তার স্বামীকে বিষয়টি খুলে বলেন।

এ ঘটনায় গত ২৬ সেপ্টেম্বর ধর্ষণের শিকার নারী বাদী হয়ে মিরপুর মডেল থানায় নারী ও শিশু নির্যাতন দমন আইনের মামলা দায়ের করেন।

বিঃদ্রঃ মানব সংবাদ সব ধরনের আলোচনা-সমালোচনা সাদরে গ্রহণ ও উৎসাহিত করে। অশালীন ও কুরুচিপূর্ণ মন্তব্য পরিহার করুন। এটা আইনত দণ্ডনীয় অপরাধ।

একটি উত্তর ত্যাগ

আপনার মন্তব্য লিখুন দয়া করে!
এখানে আপনার নাম লিখুন দয়া করে