যাত্রীসেবায় বেসরকারি উদ্যোক্তাদের এগিয়ে আসতে নৌপরিবহন প্রতিমন্ত্রীর আহ্বান

বুধবার, নভেম্বর ১১, ২০২০,১১:৩০ অপরাহ্ণ
0
4

[ + ফন্ট সাইজ বড় করুন ] /[ - ফন্ট সাইজ ছোট করুন ]

নৌপরিবহন প্রতিমন্ত্রী খালিদ মাহ্মুদ চৌধুরী বলেছেন, সরকার ঢাকার চারপাশে বৃত্তাকার নৌপথে আধুনিক ও নান্দনিক জলযান নামানোর চিন্তা করছে। তিনি বলেন, এ খাতে বেসরকারি উদ্যোক্তাদের বিনিয়োগকে স্বাগত জানানো হবে।

          প্রতিমন্ত্রী গতকাল রাজধানীর  সদরঘাটে ‘ওয়াটার বাস’ সার্ভিস পরিচালনা ও যাত্রীসেবা কার্যক্রম পরিদর্শনকালে  এসব কথা বলেন।

          এসময় অন্যান্যের মধ্যে নৌপরিবহন মন্ত্রণালয়ের সচিব মোহাম্মদ মেজবাহ্ উদ্দিন চৌধুরী, বাংলাদেশ অভ্যন্তরীণ নৌপরিবহন সংস্থার (বিআইডব্লিউটিসি) চেয়ারম্যান খাজা মিয়া এবং বাংলাদেশ অভ্যন্তরীণ নৌপরিবহন কর্তৃপক্ষের (বিআইডব্লিউটিএ) চেয়ারম্যান কমডোর গোলাম সাদেক উপস্থিত ছিলেন।

          খালিদ মাহ্মুদ চৌধুরী বলেন, কারও জীবিকার ওপর হাত দিতে চাই না; জীবনটা নিরাপদ করতে চাই। যাত্রীসেবা দিতে বেসরকারি উদ্যোক্তারা এখানে কোনো ধরণের বিনিয়োগ করতে চাইলে সেটাকে সরকার স্বাগত জানাবে। তিনি বলেন, এখন শুধু জীবন ও জীবিকার জন্য এ নদীপথ ব্যবহার হচ্ছে। এর সাথে বিনোদনের জন্য এই নদীকে কাজে লাগাতে চাই।

          প্রতিমন্ত্রী বলেন, সরকার যাত্রীসেবা আরো আপগ্রেড করার জন্য চেষ্টা করছে। এজন্য বেসরকারি বিনিয়োগকারীদের উৎসাহিত করছে। আমরা চাই সব ক্ষেত্রে বেসরকারি বিনিয়োগকারীরা এগিয়ে আসুক। বেসরকারি উদ্যোগের জন্য আজ যাত্রীসেবায় অনেক বিলাসবহুল জাহাজ এসেছে। আমরা চাই বাংলাদেশের বেসরকারি পর্যায়ের বিনিয়োগ আরো বিস্তৃতি লাভ করুক। সেজন্য সরকার তাদের সব ধরনের সুযোগ সুবিধা দেবে।

          প্রতিমন্ত্রী বলেন, যাত্রী পারাপার নিরাপদ করতে সবচেয়ে বেশি প্রয়োজন জনসচেতনতা। এ সচেতনতামূলক কাজগুলো আগে খুব দুর্বলভাবে হয়েছে সে কারণে অনেক ধরনের ঘটনা ঘটেছে। সরকার সেজন্য বিআইডব্লিউটিএ’র মাধ্যমে মূল বন্দরের দু’পাশ থেকে ‘ওয়াটার বাস’ চালু করেছি। যেগুলো আগে ঢাকার চারপাশের নৌরুটে চলতো। এজন্য এখানে যারা ডিঙ্গি নৌকা চালায় তাদের সাথে কথা বলেছি। তাদের এ বিষয়ে সম্মতি রয়েছে। পাশাপাশি যাত্রী সাধারণেরও ভালো সাড়া পাচ্ছি। তিনি বলেন, সরকার এই ব্যবস্থাকে আরো আধুনিক করবে। তবে সহসাই (ওভারনাইট) কোনো কিছু করা যায় না। ধীরে ধীরে করছে এবং এটা কি রকম ফলপ্রসূ হচ্ছে সেজন্য আজ পরিদর্শনে এসেছি। আর সদরঘাটের সুবিধাগুলো আরো বেশি আধুনিকায়ন হচ্ছে, এটা চলমান প্রক্রিয়া। প্রতিমন্ত্রী  বলেন, বুড়িগঙ্গার পাড়ের ডকইয়ার্ডগুলো সরাতে বিআইডব্লিউটিএ একটি খসড়া চূড়ান্ত করছে এবং শীঘ্্রই সে বিষয় পদক্ষেপ নেওয়া হবে।

          প্রতিমন্ত্রী কেরানীগঞ্জের হাইস্পিড শিপইয়ার্ডে বিআইডব্লিউটিসির জন্য দু’টি ফেরির নির্মাণ কাজ পরিদর্শন করেন। ফেরি দু’টি আগামী বছরের এপ্রিলের মধ্যে পাওয়া যাবে। মিডিয়াম সাইজের প্রতিটি ফেরিতে ১২টি করে বাস-ট্রাক এবং ১০০ জন কর যাত্রী পারাপার করা যাবে। ফেরি দু’টি নির্মাণে ব্যয় হবে ২১ কোটি ৪২ লাখ টাকা।

          পরে প্রতিমন্ত্রী রাজধানীর দৈনিকবাংলা মোড়ে বাংলাদেশ শিপিং কর্পোরেশন (বিএসসি) ভবনে বিএসসি’র ৩০৬তম বোর্ড সভায় সভাপতিত্ব করেন।

বিঃদ্রঃ মানব সংবাদ সব ধরনের আলোচনা-সমালোচনা সাদরে গ্রহণ ও উৎসাহিত করে। অশালীন ও কুরুচিপূর্ণ মন্তব্য পরিহার করুন। এটা আইনত দণ্ডনীয় অপরাধ।

একটি উত্তর ত্যাগ

আপনার মন্তব্য লিখুন দয়া করে!
এখানে আপনার নাম লিখুন দয়া করে