[ + ফন্ট সাইজ বড় করুন ] /[ - ফন্ট সাইজ ছোট করুন ]
বাংলাদেশের ওয়ার্কার্স পার্টির পলিটব্যুরো আজ ৮ মে এক বিবৃতিতে বলেন, কোন বিশেষজ্ঞ মতামতের ভিত্তিতে লকডাউনকে ক্রমান্বয়ে শিথিল করে এখন শপিং মল, দোকানপাট খোলার মধ্য দিয়ে প্রায় উন্মুক্ত করে দেয়া হয়েছে তা দেশবাসীকে জানাতে বলেছেন। কারণ স্বাস্থ্যমন্ত্রী নিজেই বলছেন এভাবে সবকিছু খুলে দেয়ার মধ্য দিয়ে সংক্রমণ ও মৃত্যু আরো বাড়বে। এর পরপরই বলেছেন এ ব্যাপারে টেকনিক্যাল কমিটির পরামর্শ শোনা হবে। তা’হলে ঘোড়ার আগে গাড়ী জুড়ে দেয়া কেন? বিশেষজ্ঞ টেকনিক্যাল কমিটিকেও স্পষ্ট করে বলতে হবে তারা এ ধরনের পরামর্শ দিয়েছেন কিনা।
ওয়ার্কার্স পার্টির বিবৃতিতে বলা হয়, দেশের অর্থনীতি সচল করার প্রয়োজনীয়তা সবাই বোঝে। কিন্তু যদি গার্মেন্টস মালিক, দোকান মালিকদের স্বার্থকে প্রধান করে দেখা হয় তখন সেটা গ্রহণযোগ্য হয় না। এখানেও রাস্তার দোকানদাররা তাদের দোকান বসাতে পারবে না।
বিবৃতিতে বলা হয় মার্কিন যুক্তরাষ্ট্রের প্রেসিডেন্ট ট্রাম্পের অর্থনীতি সচল করার তাগাদার পরও তার রোষ উপেক্ষা করে বিশেষজ্ঞ পরামর্শক ডাঃ ফাউসী সবকিছু খুলে না দেয়ার পক্ষে তার মতে অটল রয়েছেন। ব্রাজিলে স্বাস্থ্যমন্ত্রী করোনা ভাইরাস সম্পর্কে প্রেসিডেন্ট বারসোলনার সব কিছু সচল রাখার মতমতকে বিরোধীতা করে মন্ত্রীত্ব হারিয়েছেন। বাংলাদেশেও বিশেষজ্ঞদের সরকারকে বলতে হবে করোনা ভাইরাস সংক্রমণ ও মৃত্যুর সংখ্যা যখন উর্ধমুখী তখন এ সকল সিদ্ধান্ত আত্মঘাতি কিনা।
ওয়ার্কার্স পার্টির বিবৃতিতে বলা হয় জনমনে আশংকা তৈরী হয়েছে। এসব বিষয় স্পষ্ট করলেই জনগণের মধ্যে আস্থা ও স্বস্থি আসবে। করোনা পরিস্থিতিকে সঠিকভাবে মোকাবিলা করা যাবে।































