মুজিববর্ষ উপলক্ষে পাট গবেষণা ইনস্টিটিউটের মহাপরিচালকের নিকট বঙ্গবন্ধু ও দেশ উন্নয়নের কবিতা হস্তান্তর

বুধবার, অক্টোবর ২৭, ২০২১,৩:০৯ অপরাহ্ণ
0
4

[ + ফন্ট সাইজ বড় করুন ] /[ - ফন্ট সাইজ ছোট করুন ]

নিজস্ব সংবাদদাতা : জাতির পিতা বঙ্গবন্ধুর জন্মশতবার্ষকী, স্বাধীনতার সুবর্ণজয়ন্তী ও মুজিববর্ষ উপলক্ষে সারাদেশব্যাপী স্বাস্থ্যবিধি মেনে চলছে বিভিন্ন কর্মসূচী ও অনুষ্ঠানসমুহ। তারই ধারাবাহিকতায় গত ১৮ অক্টোবর ২০২১ তারিখে বাংলাদেশ পাট গবেষণা ইনস্টিটিউট, ঢাকার দপ্তরে ” বঙ্গবন্ধু জাতীয় কৃষি পদকপ্রাপ্ত ” কৃষিবিদ সাংবাদিক, কবি, প্রাবন্ধিক ও অবসরপ্রাপ্ত উপপরিচালক (বীজ প্রত্যয়ন), কৃষি মন্ত্রণালয় এবং বঙ্গবন্ধু জাতীয় কৃষি পদকপ্রাপ্ত পরিষদ, বাংলাদেশ এর সিনিয়র সহ-সভাপতি কৃষিবিদ শেখ মোঃ মুজাহিদ নোমানী বাংলাদেশ পাট গবেষণা ইনস্টিটিউট, ঢাকা- র মহাপরিচালক ড. মোঃ আইয়ুব খান এর সাথে স্বাক্ষাৎ করেন ও সংক্ষিপ্ত আলোচনায় মিলিত হন।

আলোচনা শেষে চলমান মুজিববর্ষ ও স্বাধীনতার সুর্বণজয়ন্তী উপলক্ষে ব্যপক প্রচার-প্রচারণার নিমিত্তে ” এক মহানায়কের অমর কীর্তিগাঁথা..!” এবং “অদম্য এক বাংলাদেশ” শীর্ষক স্বরচিত দুটি কবিতা ফেষ্টুন আকারে মোঃ আইয়ুব খান, মহাপরিচালক, বিজেআরআই- এর হাতে তুলে দেন কৃষিবিদ শেখ মোঃ মুজাহিদ নোমানী।এ সময় সেখানে আরও উপস্থিত ছিলেন কৃষিবিদ ড.মো. মাহমুদ আল হোসেন, পরিচালক ( প্রশাসন ও অর্থ), বিজেআরআই, ঢাকা। 

উল্লেখ্য,” হে বঙ্গবন্ধু, অসীম দূরদৃষ্টি তোমার…! ” শীর্ষক কবিতাটিতে বঙ্গবন্ধুর জন্ম হতে শাহাদাৎ বরণ পূর্ব পর্যন্ত সময়ে শৈশবে দুঃখী মানুষের জন্য অকৃত্রিম দরদ,কৈশোরে প্রতিবাদী যুবকের বৈশিষ্ট্য আর তারুণ্যে অসাধারণ নেতৃত্ব প্রদান, বঙ্গবন্ধুর ঐতিহাসিক ৬ দফা আন্দোলন আর ৭ মার্চ,১৯৭১-এর অগ্নিঝরা ভাষণে উজ্জীবিত মুক্তিযুদ্ধের মধ্য দিয়ে অভ্যুদয় ঘটে স্বাধীন সার্বভৌম রাষ্ট্র বাংলাদেশের যা কবিতাটিতে তুলে ধরা হয়েছে।
তাছাড়া বাঙালির মুক্তি-সংগ্রামের ইতিহাসে এক ক্ষণজন্মা মহাপুরুষ, সর্বকালের সর্বশ্রেষ্ঠ বাঙালি,স্বাধীনতার মহান স্থপতি,জাতির পিতা বঙ্গবন্ধুর ১০ জানুয়ারি ১৯৭১ তারিখে স্বদেশ প্রত্যাবর্তন,যুদ্ধ-বিধ্বস্ত বাংলাদেশ পুনর্গঠনে, দক্ষ রাষ্ট্র পরিচালনায় প্রতিটি ক্ষেত্রে অসীম দূরদর্শিতা, সফল পররাষ্ট্র নীতি, আন্তর্জাতিক সম্মাননা অর্জনসহ অনেক উল্লেখযোগ্য অবিস্মরণীয় ঘটনাসমূহ তুলে ধরা হয়েছে ” হে বঙ্গবন্ধু, অসীম দূরদৃষ্টি তোমার….!” শীর্ষক কবিতাটিতে।
অপরদিকে জাতির জনক বঙ্গবন্ধুর সুযোগ্য কন্যা ৪র্থ মেয়াদে নির্বাচিত একজন অনন্য সাধারণ প্রধানমন্ত্রী জননেত্রী শেখ হাসিনার নেতৃত্বে সফল উন্নয়ন প্রকল্পসহ বিশ্ব রাজনীতিতেও সফলতা এবং বিশ্ববাসীকে চমকে দিয়ে হেনরী কিসিঞ্জারের সেই ” বাংলাদেশ একটি তলাবিহীন ঝুড়ি”-বিদ্রুপাত্মক মন্তব্যকে মিথ্যা প্রমাণ করে দিয়ে বাংলাদেশ আজ উন্নয়নে বিশ্বের বিস্ময় এবং উন্নয়নের রোল মডেল হয়ে দাড়িঁয়েছে! যা ৩৪(চৌত্রিশ) লাইনে রচিত “অদম্য এক বাংলাদেশ “নামক অপর আরেকটি কবিতায় তুলে ধরা হয়েছে।
উল্লেখ্য,জননেত্রী শেখ হাসিনা তাঁর প্রজ্ঞা, অকুতোভয় সাহস, ইস্পাত-দৃঢ় আত্মবিশ্বাস আর দক্ষ রাষ্ট্র পরিচালনায় দেশ ও জনগণের কল্যাণে টেকসই উন্নয়ন অভীষ্ট(এসডিজি) অর্জনে সময়োপযোগী বিভিন্ন গুরুত্বপূর্ণ উন্নয়নমূলক মেগাপ্রকল্প গ্রহণ করায় বাংলাদেশের প্রতিটি ক্ষেত্রে যে অভাবনীয় ও অভূতপূর্ব উন্নয়ন সাধিত হয়েছে তার সুফল এখন জনগণ ভোগ করছে এবং আগামীতেও প্রজন্ম থেকে প্রজন্মান্তরে এর সুফল ভোগ করবে যা আবালবৃদ্ধবনিতা সকলের জানা উচিৎ। এ বিষয়গুলোকে তুলে ধরেই রচনা করা হয়েছে “অদম্য এক বাংলাদেশ” শীর্ষক অপর আরেকটি কবিতাটি।

উল্লেখ্য যে, কবিতা দুটি নিছকই কবিতা নয় একটি হচ্ছে বঙ্গবন্ধুর বর্নাঢ্যময় জীবনকাহিনী আরেকটি হচ্ছে বঙ্গবন্ধুর শাহাদাৎ বরণের পরে তাঁর সুযোগ্য কন্যা মাননীয় প্রধানমন্ত্রী জননেত্রী শেখ হাসিনার রাষ্ট্র পরিচালনায় সফলতা ও বাংলাদেশের অভাবনীয় উন্নয়নের চিত্র। তাই এখানে কবিতার ভাবগাম্ভীর্য, গুরু-গম্ভীর কঠিন শব্দের ব্যবহার করা হয়নি বর্ণিত কবিতা দুটিতে।
বরং কোমলমতি স্কুল-কলেজের শিক্ষার্থীসহ সকলের জন্য উপযোগী করে অত্যন্ত সহজ-সরল ভাষায় বর্ণিত কবিতা দুটি রচনা করা হয়েছে বঙ্গবন্ধুর জন্মশতবর্ষ ও মুজিবর্ষ উদযাপন উপলক্ষে সকলের মাঝে ছড়িয়ে দেয়ার জন্য।
এ উদ্দেশ্যে বিভিন্ন অনুষ্ঠানে কবিতা দুটি আবৃত্তি করা,  ইন্সটিটিউটের  প্রতিটি কেন্দ্রে  কবিতা দুটি সরবরাহকরতঃ আবৃত্তি প্রতিযোগিতার আয়োজনসহ কবিতা দুটির ভিডিও চিত্র নির্মাণ করে সর্বত্র ছড়িয়ে দেয়ার জন্য বাংলাদেশ পাট গবেষণা ইনস্টিটিউট এর মহাপরিচালক মহোদয়কে বিনীত অনুরোধ জানান শেখ মোঃ মুজাহিদ নোমানী।

তাছাড়া মুজিববর্ষ ও স্বাধীনতার সুবর্ণজয়ন্তী উপলক্ষে বঙ্গবন্ধুর বর্নাঢ্যময় জীবনকাহিনী ও জননেত্রী শেখ হাসিনার অসাধারণ সফলতা ও দেশের অভূতপূর্ব উন্নয়নের ইতিহাস তুলে ধরে ফেষ্টুন আকারে কবিতা দুটি ইন্সটিটিউটের সদর দপ্তর ও আঞ্চলিক গবেষণা কেন্দ্রে বিদ্যমান শিক্ষা প্রতিষ্ঠানে সরবরাহ করে আবৃত্তি প্রতিযোগিতার আয়োজন ও আবৃত্তির সাথে সাথে ভিডিও তথ্যচিত্র নির্মাণ করে প্রচার-প্রচারণার মহতী উদ্যোগ গ্রহণের জন্য মোঃ আইয়ুব খান, মহাপরিচালক, বাংলাদেশ পাট গবেষণা ইনস্টিটিউট কৃষিবিদ শেখ মোঃ মুজাহিদ নোমানীকে অভিনন্দন জানান ও ধন্যবাদ জ্ঞাপন করেন এবং প্রস্তাবিত কর্মসূচি বাস্তবায়নে সর্বাত্মক সহযোগিতা প্রদানের আশ্বাস প্রদান করেন।

বিঃদ্রঃ মানব সংবাদ সব ধরনের আলোচনা-সমালোচনা সাদরে গ্রহণ ও উৎসাহিত করে। অশালীন ও কুরুচিপূর্ণ মন্তব্য পরিহার করুন। এটা আইনত দণ্ডনীয় অপরাধ।

একটি উত্তর ত্যাগ

আপনার মন্তব্য লিখুন দয়া করে!
এখানে আপনার নাম লিখুন দয়া করে