মশামুক্ত, পরিচ্ছন্নতা, ভাঙা রাস্তাঘাট মেরামত কাজ অগ্রাধিকার পাবে : চসিক মেয়র

বৃহস্পতিবার, ফেব্রুয়ারি ১৮, ২০২১,২:১০ অপরাহ্ণ
0
2

[ + ফন্ট সাইজ বড় করুন ] /[ - ফন্ট সাইজ ছোট করুন ]

চট্টগ্রাম সিটি কর্পোরেশনের নব নির্বাচিত মেয়র মুক্তিযোদ্ধা মোহাম্মদ রেজাউল করিম চৌধুরী দায়িত্বভার গ্রহনের দ্বিতীয় দিনে পরিচ্ছন্ন বিভাগের কর্মকর্তা, সুপারভাইজারদের জানিয়ে দিয়েছেন তিনি চট্টগ্রাম নগরীকে পরিচ্ছন্ন, মশামুক্ত ও নগরবাসীর বাস উপযোগী দেখতে চান। আমার ১০০ দিনের অগ্রাধিকার দেয়া কর্মসূচি নিয়ে কাজ শুরু করবো। কর্মসূচির মধ্যে থাকবে নগরকে মশা মুক্ত করা,পরিস্কার পরিচ্ছন্ন রাখা ও ভাঙা রাস্তা-ঘাট মেরামত করা। তিনি বলেন, যারা আন্তরিকতা ও দায়িত্বশীলতার সাথে কাজ করবেন, তাদের আমি সব ধরনের সহায়তা করার সর্বোচ্চ চেষ্টা করবো। আর যদি কেউ দায়িত্ব পালনে অবহেলা করেন,তাহলে কোন ছাড় নাই। কারণ চট্টগ্রাম সিটি কর্পোরেশনের পরচ্ছিন্ন বিভাগ নিয়ে নগরবাসীর অভিযোগ বেশি। কাজেই এই অভিযোগ মিথ্যা প্রমান করতে আন্তরিকভাবে কাজ করবেন এটাই প্রত্যাশা। মেয়র গতকাল বুধবার সকালে কর্পোরেশনের পরিচ্ছন্ন বিভাগের কর্মকর্তা-কর্মচারি সুপারভাইজারদের সভায় প্রধান অতিথির বক্তব্যে এসব কথা বলেন।

কর্পোরেশনের প্রধান নির্বাহী কর্মকর্তা কাজী মুহাম্মদ মোজাম্মেল হক সভায় সভাপতিত্ব করেন। সঞ্চালনায় ছিলেন অতিরিক্ত প্রধান পরিচ্ছন্ন কর্মকর্তা মোর্শেদুল আলম চৌধুরী। উপস্থিত ছিলেন চট্টগ্রাম সিটি কর্পোরেশন আঞ্চলিক কার্যালয় জোন-৬ এর নির্বাহী কর্মকর্তা আফিয়া আকতার, মেয়রের একান্ত সচিব মো.আবুল হাশেম।
মেয়র মোহাম্মদ রেজাউল করিম চৌধুরী পরিচ্ছন্ন সুপারভাইজার ও কর্মকর্তাদের উদ্দেশ্যে আরো বলেন, অতীতে কি হয়েছে, কি হয়নি এটা আমার কাছে বিবেচ্য নয়। এখন থেকে আপনারা শতভাগ আন্তরিক হয়ে কাজ করবেন এটা আমার প্রত্যাশা। তিনি এই সময় মেয়র থাকাকালে তাঁকে দিয়ে কোন ধরনের অনৈতিক কার্যক্রম কেউ করাতে পারবেনা বলে জানিয়ে পরিচ্ছন্ন সুপারভাইজার ও কর্মকর্তাদের দৃঢ় মনোবল, সাহস নিয়ে কর্ম পরিকল্পনা গ্রহনের আহ্বান জানান। মেয়র বলেন, আমি আগামীর চট্টগ্রাম নগরীকে বাংলাদেশের মডেল শহরে পরিণত করতে চাই। কাজেই আপনারা সেভাবে কাজ করতে মানসিক প্রস্তুতি গ্রহন করুন।

সভাপতির বক্তব্যে প্রধান নির্বাহী কর্মকর্তা কাজী মুহাম্মদ মোজাম্মেল হক বলেন, নবনির্বাচিত মেয়রের নির্বাচনী ইশতেহার এখন চট্টগ্রাম সিটি কর্পোরেশনের ইশতেহার। এই ইশতেহারের ১৫ নং অনুচ্ছেদে নগরকে মশামুক্ত করতে পরিবেশবান্ধব কীটনাশক ছিটানো, পুকুর, ডোবা, খাল-নালা, জলাশয় পরিস্কারের কথা উল্লেখ আছে। নবনির্বাচিত মেয়রের নির্দেশে এখন থেকে এই কর্মসূচিকে অগ্রাধিকার দিয়ে কাজ শুরু করুন। আগামী ২/৩ দিনের মধ্যে মশা নিধনে ওষুধ কীটনাশকের বিষয়ে সিদ্ধান্ত গ্রহন করা হবে। আগামী ১০ দিনের মধ্যে কাজ শুরু হবে। তিনি কর্পোরেশনের পরিচ্ছন্ন সুপারভাইজারদের বলেন কোন কাজ ছোট না। কাজেই বেতন নিবেন কাজ করবেন না এটা হতে পারে না।

বিঃদ্রঃ মানব সংবাদ সব ধরনের আলোচনা-সমালোচনা সাদরে গ্রহণ ও উৎসাহিত করে। অশালীন ও কুরুচিপূর্ণ মন্তব্য পরিহার করুন। এটা আইনত দণ্ডনীয় অপরাধ।

একটি উত্তর ত্যাগ

আপনার মন্তব্য লিখুন দয়া করে!
এখানে আপনার নাম লিখুন দয়া করে