বিশ্ব স্বাস্থ্য দিবসে রাষ্ট্রপতির বাণী

মঙ্গলবার, এপ্রিল ৭, ২০২০,১১:০৫ পূর্বাহ্ণ
0
8

[ + ফন্ট সাইজ বড় করুন ] /[ - ফন্ট সাইজ ছোট করুন ]

রাষ্ট্রপতি মোঃ আবদুল হামিদ ৭ এপ্রিল বিশ্ব স্বাস্থ্য দিবস উপলক্ষে নিম্নোক্ত বাণী প্রদান
করেছেন :

          ‘বিশ্ব স্বাস্থ্য দিবস ২০২০’ পালনের উদ্যোগকে আমি স্বাগত জানাই। সর্বজনীন স্বাস্থ্য সুরক্ষা অর্জনে নার্স ও মিডওয়াইফদের ভূমিকা খুবই গুরুত্বপূর্ণ। নার্স ও মিডওয়াইফদের অবদানের স্বীকৃতিস্বরূপ এবারের বিশ্ব স্বাস্থ্য দিবসের প্রতিপাদ্য Support Nurses and Midwives অর্থাৎ নার্স ও মিডওয়াইফদের দায়িত্বে সহযোগিতা, মান-সম্মত সেবার নিশ্চয়তা অত্যন্ত যথার্থ হয়েছে বলে আমি মনে করি।

          স্বাস্থ্যসেবা মানুষের অন্যতম মৌলিক চাহিদা। মাতৃত্বকে নিরাপদ করতে চিকিৎসকের পাশাপাশি নার্স ও মিডওয়াইফদের ভূমিকা অপরিহার্য। বিশেষ করে প্রসবকালীন ও প্রসব-পরবর্তী সেবায় তাদের ভূমিকা অনস্বীকার্য। বিশ্ব স্বাস্থ্য সংস্থার ৭২তম অধিবেশনে ২০২০ সালকে আন্তর্জাতিক নার্স ও মিডওয়াইফবর্ষ ঘোষণা করা হয়েছে। এ বছর আধুনিক নার্সিং সেবার পথিকৃত ফ্লোরেন্স নাইটিঙ্গেলের ২০০তম জন্মবার্ষিকীও সাড়ম্বরে উদযাপন করা হবে। স্বাস্থ্যসেবা খাতে বর্তমানে পৃথিবীতে প্রায় ২ কোটি ২০ লাখ নার্স ও ২০ লাখ মিডওয়াইভ কর্মরত। এটি বিশ্ব স্বাস্থ্যখাতের মোট জনবলের ৫০ শতাংশ। ২০৩০ সালের মধ্যে টেকসই উন্নয়ন লক্ষ্যমাত্রা অর্জনে আরো বিপুলসংখ্যক দক্ষ নার্স ও মিডওয়াইফ প্রয়োজন। বাংলাদেশেও প্রয়োজনীয় সংখ্যক নার্স ও মিডওয়াইফ নিয়োগ ও তাদের যথাযথ প্রশিক্ষণ প্রদানের মাধ্যমে দেশের প্রান্তিক জনগোষ্ঠির কাছে উন্নত স্বাস্থ্যসেবা পৌছে দেয়া সম্ভব বলে আমি মনে করি।

          মানুষের দোরগোড়ায় স্বাস্থ্যসেবা পৌছে দিতে বর্তমান সরকার বদ্ধপরিকর। সে লক্ষ্যে সরকার মা ও শিশু  স্বাস্থ্যসেবা উন্নয়নে নানামুখী কর্মসূচি বাস্তবায়ন করছে। নিরাপদ মাতৃত্ব ও শিশু মৃত্যুহার হ্রাসে প্রশিক্ষিত মিডওয়াইফের গুরুত্ব বিবেচনায় সরকার মিডওয়াইফারি শিক্ষা কোর্স ও সার্ভিসের উন্নয়নে বিভিন্ন পদক্ষেপ গ্রহণ করেছে। পাশাপাশি দেশব্যাপী স্বাস্থ্য অবকাঠামো নির্মাণসহ বিপুলসংখ্যক চিকিৎসক ও নার্স নিয়োগ দেয়া হয়েছে। সকলের সম্মিলিত প্রচেষ্টায় স্বাস্থ্যখাতে সাফল্যের এ ধারা অব্যাহত থাকুক – এ প্রত্যাশা করি। 

           এ বছর এমন এক সময় ‘বিশ্ব স্বাস্থ্য দিবস’ পালিত হচ্ছে যখন মরণঘাতী করোনা ভাইরাস সংক্রমণে সারাবিশ্ব আক্রান্ত। করোনা ভাইরাস সংক্রমণ প্রতিরোধে এ সংক্রান্ত স্বাস্থ্যবিধি মেনে চলা, সামাজিক দূরত্ব বজায় রাখা এবং ঘরে অবস্থান করে সাহসিকতার সাথে এই সংকট মোকাবিলার জন্য আমি দেশবাসীর প্রতি আহ্বান জানাচ্ছি।

 আসুন, নিজে সতর্ক হই এবং সকলকে এ বিষয়ে সতর্ক করি। এটিই হোক বিশ্ব স্বাস্থ্য দিবসের অঙ্গীকার।

জয় বাংলা।

খোদা হাফেজ, বাংলাদেশ চিরজীবী হোক”।

বিঃদ্রঃ মানব সংবাদ সব ধরনের আলোচনা-সমালোচনা সাদরে গ্রহণ ও উৎসাহিত করে। অশালীন ও কুরুচিপূর্ণ মন্তব্য পরিহার করুন। এটা আইনত দণ্ডনীয় অপরাধ।

একটি উত্তর ত্যাগ

আপনার মন্তব্য লিখুন দয়া করে!
এখানে আপনার নাম লিখুন দয়া করে