বিশ্ব স্বাস্থ্য দিবসে প্রধানমন্ত্রীর বাণী

মঙ্গলবার, এপ্রিল ৭, ২০২০,১১:০৩ পূর্বাহ্ণ
0
27

[ + ফন্ট সাইজ বড় করুন ] /[ - ফন্ট সাইজ ছোট করুন ]

প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা ৭ এপ্রিল বিশ্ব স্বাস্থ্য দিবস উপলক্ষে নিম্নোক্ত বাণী প্রদান করেছেন :

            বিশ্বের অন্যান্য দেশের ন্যায় বাংলাদেশেও ৭ এপ্রিল ২০২০ যথাযোগ্য মর্যাদায় ’বিশ্ব স্বাস্থ্য দিবস’ পালিত হচ্ছে জেনে আমি আনন্দিত। দিবসটির এবারের প্রতিপাদ্য ÕSupport Nurses and Midwives’ যার বাংলা অনুবাদ করা হয়েছে ’নার্স ও মিডওয়াইফের দায়িত্বে সহযোগিতা মানসম্মত সেবার নিশ্চয়তা’ সময়োচিত হয়েছে বলে মনে করি।

            বিশ্বের ২ কোটি ২০ লাখ নার্স ও ২০ লাখ মিডওয়াইফের অবদানের স্বীকৃতির অংশ হিসেবে বিশ্ব স্বাস্থ্য সংস্থা ৭২ তম অধিবেশনে ২০২০ সালকে আন্তর্জাতিক নার্স ও মিডওয়াইফারি বর্ষ ঘোষণা করেছে। বিশ্বে স্বাস্থ্যখাতের মোট জনবলের ৫০ শতাংশই নার্স ও মিডওয়াইফ অত্যাবশ্যকীয় স্বাস্থ্যসেবা প্রদান করে আসছেন।

            সর্বকালের সর্বশ্রেষ্ঠ বাঙালী জাতির পিতা বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমান স্বাধীনতার পরপরই চিকিৎসা সেবাকে সাধারণ মানুষের দোরগোরায় পৌঁছে দেওয়ার জন্য ইউনিয়ন পর্যায়ে স্বাস্থ্য সেবা সম্প্রসারণের যুগান্তকারী উদ্যোগ গ্রহণ করেন। আমাদের সরকার জাতির পিতার পদাঙ্ক অনুসরণ করে দেশের স্বাস্থ্য সেবা মানুষের দোরগোড়ায় পৌঁছে দেওয়ার জন্য নিরলসভাবে কাজ করে যাচ্ছে। স্বাস্থ্য খাতে সাফল্যের স্বীকৃতিস্বরূপ বাংলাদেশ অর্জন করেছে এমডিজি অ্যাওয়ার্ড, সাউথ-সাউথ অ্যাওয়ার্ড ও গ্যাভি অ্যাওয়ার্ড  ও ভ্যাকসিন হিরোসহ বহু আন্তর্জাতিক পুরস্কার।

            আওয়ামী লীগ সরকার চিকিৎসা সেবার মানোন্নয়ন, অবকাঠামোগত উন্নযন, চিকিৎসা শিক্ষা ও জনশক্তি উন্নয়ন, পর্যাপ্ত সংখ্যক জনবল নিয়োগ, পরিবার পরিকল্পনা ও জনসংখ্যা নিয়ন্ত্রণ, নাসির্ং সেবার উন্নয়ন, স্বাস্থ্যখাতে তথ্য-প্রযুক্তির ব্যবহার, আইন ও নীতিমালা প্রণয়নসহ স্বাস্থ্যখাতে ব্যাপক উন্নয়ন কর্মকাণ্ড গ্রহণ ও বাস্তবায়ন করেছে। নার্স ও মিডওয়াফ পেশার মর্যাদা বৃদ্ধির জন্য তাঁদের পদকে দ্বতিীয় শ্রেণির গ্রেডে উত্তীর্ণ করা হয়েছে। নার্সিং পেশায় মাস্টার্স কোর্স চালু করা হয়েছে। নার্স ও মিডওয়াইফের প্রশিক্ষণ ও দক্ষতা বৃদ্ধির লক্ষ্যে সরকারি ও বেসরকারি নার্সিং কলেজ, নার্সিং ইনষ্টিটিউট তৈরি করা হয়েছে। ইতোমধ্যে নার্স ও মিডওয়াইফদের সংখ্যা বৃদ্ধির জন্য কার্যক্রম হাতে নেওয়া হয়েছে। বিশ্ব স্বাস্থ্য সংস্থার মতে একজন চিকিৎসকের জন্য ৩ জন নার্স দেওয়ার চেষ্টা করা হচ্ছে।

            এবছর এমন একটি সময়ে বিশ্ব স্বাস্থ্য দিবস পালিত হচ্ছে যখন করোনা ভাইরাসের প্রাদুর্ভাবকে বিশ্ব স্বাস্থ্য সংস্থা মহামারী হিসেবে আখ্যায়িত করেছে। আমাদের সরকার মানুষকে এই প্রাণঘাতি ভাইরাসের সংক্রমণ থেকে রক্ষা করার জন্য সর্বাত্বক প্রস্তুতি গ্রহণ করেছে। আশা করি, সকলের সম্মিলিত প্রচেষ্টায় বিশ্ববাসী এ দুর্যোগ থেকে দ্রুত পরিত্রাণ পাবে।

            করোনা ভাইরাস মোকাবিলায় সকলকে বিশ্বস্বাস্থ্য সংস্থার নির্দেশনা মেনে চলার আহ্বান জানিয়ে আমি ’বিশ্ব স্বাস্থ্য দিবস- ২০২০’ উদযাপন উপলক্ষে গৃহীত সকল কর্মসূচির সার্বিক সাফল্য কামনা করছি।

জয় বাংলা, জয় বঙ্গবন্ধু

বাংলাদেশ চিরজীবী হোক”।

বিঃদ্রঃ মানব সংবাদ সব ধরনের আলোচনা-সমালোচনা সাদরে গ্রহণ ও উৎসাহিত করে। অশালীন ও কুরুচিপূর্ণ মন্তব্য পরিহার করুন। এটা আইনত দণ্ডনীয় অপরাধ।

একটি উত্তর ত্যাগ

আপনার মন্তব্য লিখুন দয়া করে!
এখানে আপনার নাম লিখুন দয়া করে