বাণিজ্যিক আচরণ এবং অভিবাসী কর্মীগণের প্রতি মানবিকতা প্রদর্শণ করতে হবে : রাবাব ফাতিমা

রবিবার, জুলাই ১২, ২০২০,৪:২৮ পূর্বাহ্ণ
0
8

[ + ফন্ট সাইজ বড় করুন ] /[ - ফন্ট সাইজ ছোট করুন ]

 জাতিসংঘে নিযুক্ত বাংলাদেশের স্থায়ী প্রতিনিধি রাষ্ট্রদূত রাবাব ফাতিমা বলেছেন; কোভিড-১৯ সংকটকালে দায়িত্বশীল বানিজ্যিক আচরণ এবং অভিবাসী ও অভিবাসী কর্মীদের জীবন-জীবিকা সুরক্ষায় মানবিকতা প্রদর্শণের জন্য উন্নয়ন ও ব্যবসায়িক অংশীদারদের প্রতি আহ্বান জানান। তিনি বলেন, দারিদ্র্য বিমোচন এবং নারীর ক্ষমতায়নে আমাদের যে অর্জন তা আজ তীব্র ঝুঁকির মধ্যে পড়েছে। এটি অর্থনৈতিক ও বাণিজ্য সংরক্ষণবাদের সময় নয়; এটি বৈশ্বিক সংহতিকে বহুগুণে বৃদ্ধি করার সময়।

 বৃহস্পতিবার (৯ জুলাই) জাতিসংঘে চলমান উচ্চ পর্যায়ের রাজনৈতিক ফোরাম (এইএলপিএফ) এর একটি সাইড ইভেন্টে  এসব কথা বলেন তিনি। দারিদ্র্য বিমোচনে বৈশ্বিক অগ্রগতি অব্যাহত রাখা ও এগিয়ে নেওয়া: কোভিড-১৯ এর সঙ্কট মোকাবিলা –শীর্ষক এই ভার্চুয়াল সাইড ইভেন্টির আয়োজন করে কানাডা।

রাষ্ট্রদূত ফাতিমা বলেন, সরকারের গৃহীত দারিদ্র্য বিমোচন কৌশলসমূহ তুলে ধরেন এবং জলবায়ু পরিবর্তনের প্রভাব মোকাবিলা করে ঘুরে দাঁড়ানোর সক্ষমতা বিনির্মাণ ইত্যাদি সুধিজনদের সামনে তুলে ধরেন বাংলাদেশের স্থায়ী প্রতিনিধি।

ইভেন্টটিতে ‘দারিদ্র্য বিমোচন’, ‘কোভিড-১৯ থেকে পূনরুদ্ধার ও নতুন করে যাত্রা শুরু’, ‘এসডিজি-১: কোনো দারিদ্র্য নয় -এর অব্যাহত অগ্রগতি’ -এসকল পরস্পর সম্পর্কযুক্ত । এতে যোগ দেন কানাডার শিশু, পরিবার ও সামাজিক উন্নয়ন বিষয়ক মন্ত্রী আহমেদ হুসেন। তিনি বৈশ্বিক দারিদ্র্য বিমোচন ও নাজুক উন্নয়নশীল দেশসমূহ যেমন এলডিসি ও ক্ষুদ্র উন্নয়নশীল দ্বীপরাষ্ট্রগুলোর প্রতিকূলতা মোকাবিলা করে ঘুরে দাঁড়ানোর সামর্থ্য বিনির্মাণ এবং অতিক্ষুদ্র, ক্ষুদ্র ও মধ্যম সারির ব্যবসা উন্নয়নের দায়িত্বে নিয়োজিত মন্ত্রণালয়সমূহ ও বেসরকারি খাতের উন্নয়নে কানাডা সরকারের প্রতিশ্রুতি পূনর্ব্যক্ত করেন।

রাষ্ট্রদূত ফাতিমা বলেন, বাংলাদেশে এসডিজি বাস্তবায়ন ও দারিদ্র্য বিমোচন পদক্ষেপসমূহ এই মহামারিতে ক্ষতির মধ্যে পড়তে পারে। বাংলাদেশের কোভিড-১৯ পরবর্তী পুনরুদ্ধার পরিকল্পনার কেন্দ্রবিন্দুতে থাকবে দারিদ্র্য বিমোচন। উন্নয়নশীল দেশের উৎপাদনশীলতা বজায় রাখা,  প্রতিকূলতা সহনশীল অবকাঠামো উন্নয়ন, অর্থনীতির বৈচিত্র্যকরণ, এবং চাকুরির সুযোগ সৃষ্টির মতো বিষয়গুলোতে সহায়তা প্রদানে উন্নয়ন অংশীদার, বহুপাক্ষিক দাতাগোষ্ঠী, ও বেসরকারি খাতকে এগিয়ে আসার জন্য আহ্বান জানান রাষ্ট্রদূত ফাতিমা।

কোভিড-১৯ মহামারির কারনে অসমতা ব্যাপকতর হচ্ছে মর্মে উদ্বেগের কথা জানান কানাডার সিনিয়র অ্যাসোসিয়েট ডেপুটি মিনিস্টার ক্যাথরিন অ্যাডাম। তিনি এক্ষেত্রে অন্তর্ভুক্তিমূলক ব্যবস্থা গ্রহণের গুরুত্বের কথা তুলে ধরেন। অনেক বক্তা তাঁদের বক্তব্যে বাস্তবভিত্তিক ব্যবস্থা গ্রহণের মাধ্যমে দ্রুত দারিদ্র্য বিমোচনে সফলতা অর্জনের জন্য বাংলাদেশের প্রশংসা করেন।

বিঃদ্রঃ মানব সংবাদ সব ধরনের আলোচনা-সমালোচনা সাদরে গ্রহণ ও উৎসাহিত করে। অশালীন ও কুরুচিপূর্ণ মন্তব্য পরিহার করুন। এটা আইনত দণ্ডনীয় অপরাধ।

একটি উত্তর ত্যাগ

আপনার মন্তব্য লিখুন দয়া করে!
এখানে আপনার নাম লিখুন দয়া করে