বাংলাদেশের চিকিৎসকদের অনলাইনে প্রশিক্ষণ দিচ্ছে জনস হপকিন্স বিশ্ববিদ্যালয়

শুক্রবার, মে ৮, ২০২০,৮:০৪ পূর্বাহ্ণ
0
7

[ + ফন্ট সাইজ বড় করুন ] /[ - ফন্ট সাইজ ছোট করুন ]

যুক্তরাষ্ট্রের জনস হপকিন্স বিশ্ববিদ্যালয় নভেল করোনাভাইরাস (কভিড-১৯) মোকাবিলায় সহযোগিতার অংশ হিসেবে বাংলাদেশের চিকিৎসকদের অনলাইনে বিনামূল্যে প্রশিক্ষণ দিচ্ছে।

বৃহস্পতিবার আনুষ্ঠানিকভাবে ওই প্রশিক্ষণ কর্মসূচি উদ্বোধন করা হয়। ঢাকায় যুক্তরাষ্ট্র দূতাবাস জানায়, যুক্তরাষ্ট্রের জনস হপকিন্স বিশ্ববিদ্যালয়ের সেন্টার ফর কমিউনিকেশন প্রোগ্রাম ওই প্রশিক্ষণ কর্মসূচি বাস্তবায়ন করছে। আর অনলাইন কার্যক্রমের ব্যবস্থাপনায় আছে বাংলাদেশ সরকারের ‘অ্যাক্সেস টু ইনফরমেশন (এটুআই)’।

চিকিৎসকরা কভিড-১৯ বিষয়ক দরকারি তথ্য জানতে পারবেন এ কোর্সের মাধ্যমে। এছাড়া স্বাস্থ্য পেশাজীবী হিসেবে তারা নিজেদের সুরক্ষা ও নিরাপত্তা নিশ্চিত করে কাজ করার উপায়ও জানতে পারবেন। 

সরকারের ই-লার্নিং কার্যক্রম মুক্তপাঠের মাধ্যমে বাংলাদেশের যে কোনো জায়গা থেকে চিকিৎসকরা বিনামূল্যে এই প্রশিক্ষণ গ্রহণ করতে পারেন। যুক্তরাষ্ট্রের আন্তর্জাতিক উন্নয়ন কর্মসূচি (ইউএসএআইডি), বাংলাদেশ সরকারের স্বাস্থ্য ও পরিবার কল্যাণ মন্ত্রণালয় এবং বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিব মেডিক্যাল বিশ্ববিদ্যালয় (বিএসএমএমইউ) যৌথভাবে এই অনলাইন প্রশিক্ষণ কোর্সের ব্যবস্থা করেছে।

যুক্তরাষ্ট্র দূতাবাস জানায়, কভিড-১৯ এর বিস্তার প্রতিরোধের প্রস্তুতি এবং কার্যক্রম বাস্তবায়নে বাংলাদেশ সরকারের চলমান প্রচেষ্টাগুলোতে সম্পূরক সহায়তা হিসেবে ইউএসএআইডি এবং যুক্তরাষ্ট্রের সেন্টারস ফর ডিজিজ কন্ট্রোল অ্যান্ড প্রিভনশনের (সিডিসি) মাধ্যমে দুই কোটি ২০ লাখ ডলারের বেশি অনুদান দিয়েছে। গত ২০ বছরে বাংলাদেশে ১০০ কোটি ডলারের বেশি স্বাস্থ্য সহায়তার ধারাবাহিকতায় যুক্তরাষ্ট্র ওই অনুদান দেয়। 

অনলাইন প্রশিক্ষণ কর্মসূচির উদ্বোধন অনুষ্ঠানে বাংলাদেশে যুক্তরাষ্ট্রের রাষ্ট্রদূত আর্ল রবার্ট মিলার বলেন, ‘আজ যুক্তরাষ্ট্র সরকার ইউএসএআইডির মাধ্যমে বাংলাদেশের স্বাস্থ্য ও পরিবার কল্যাণ মন্ত্রণালয়ের সঙ্গে যৌথভাবে সারাদেশের চিকিৎসকদের জন্য কভিড-১৯ বিষয়ক একটি অনলাইন কোর্স চালু করছে। এই কোর্সটির মাধ্যমে কভিড-১৯ রোগীদের চিকিৎসার সময় সতর্কতার বিষয়ে জানতে পারবেন চিকিৎসকরা।’

বিঃদ্রঃ মানব সংবাদ সব ধরনের আলোচনা-সমালোচনা সাদরে গ্রহণ ও উৎসাহিত করে। অশালীন ও কুরুচিপূর্ণ মন্তব্য পরিহার করুন। এটা আইনত দণ্ডনীয় অপরাধ।

একটি উত্তর ত্যাগ

আপনার মন্তব্য লিখুন দয়া করে!
এখানে আপনার নাম লিখুন দয়া করে