বঙ্গমাতার জীবন-আদর্শ চর্চার মাধ্যমে নতুন প্রজন্ম দেশপ্রেমে উদ্বুদ্ধ হবে

মঙ্গলবার, আগস্ট ১০, ২০২১,১২:১৩ অপরাহ্ণ
0
25

[ + ফন্ট সাইজ বড় করুন ] /[ - ফন্ট সাইজ ছোট করুন ]

বঙ্গমাতা বেগম ফজিলাতুন নেছা মুজিবের জন্মবার্ষিকী জাতীয়ভাবে উদ্‌যাপনের মাধ্যমে নতুন প্রজন্ম বঙ্গমাতার সংগ্রামী জীবন, আত্মত্যাগ, সাহসিকতা, দেশপ্রেম, মহান মুক্তিযুদ্ধে তাঁর অপরিসীম অবদান এবং স্বাধীনতা সংগ্রামের অজানা তথ্য জানতে পারবে। বঙ্গমাতার জীবন-আদর্শ চর্চার মাধ্যমে নতুন প্রজন্ম  আরো বেশি দেশপ্রেমে উদ্বুদ্ধ হবে বলে জানিয়েছেন মহিলা ও শিশু বিষয়ক প্রতিমন্ত্রী ফজিলাতুন নেসা ইন্দিরা। তিনি এসময় বঙ্গমাতার জীবনাদর্শ পাঠ্যক্রমে অন্তর্ভুক্ত করা এবং বঙ্গমাতার বর্ণাঢ্য ও কর্মময় জীবনের ওপর গবেষণার প্রস্তাব করেন।

প্রতিমন্ত্রী গতকাল ঢাকায় বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিব মেডিকেল বিশ্ববিদ্যালয় আয়োজিত ও বিশ্ববিদ্যালয়ের শহিদ ডা. মিল্টন হলে অনুষ্ঠিত ‘বঙ্গমাতা বেগম ফজিলাতুন নেছা মুজিবের ৯১তম জন্মবার্ষিকী উদযাপন’ উপলক্ষে আলোচনা সভায় প্রধান অতিথির বক্তব্যে এসব কথা বলেন। বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিব মেডিকেল বিশ্ববিদ্যালয়ের উপাচার্য অধ্যাপক ডা. মোঃ শারফুদ্দিন আহমেদের সভাপতিত্বে আলোচনা সভায় প্রধান বক্তা ছিলেন বিএমএ সভাপতি ডা. মোস্তফা জালাল মহিউদ্দিন।

প্রতিমন্ত্রী বলেন, ‘বাংলাদেশের স্বাধীনতা অর্জনের লক্ষ্যে প্রতিটি পদক্ষেপ ও কার্যক্রম বাস্তবায়নে জাতির পিতার নেপথ্য শক্তি, সাহস ও বিচক্ষণ পরামর্শক ছিলেন বঙ্গমাতা। তিনি রাজনীতির সাথে জড়িত না থেকেও বঙ্গবন্ধুর রাজনৈতিক সাফল্যে উল্লেখযোগ্য অবদান রাখেন। তিনি ছিলেন দেশপ্রেমে উদ্বুদ্ধ, রাজনীতি সচেতন এক মহীয়সী নারী এবং বঙ্গবন্ধুর বন্ধু, দার্শনিক ও পথ প্রদর্শক’।  তিনি বলেন, ‘বঙ্গমাতা কারাগারে বঙ্গবন্ধুর জন্য খাবার নিয়ে যেতেন, আর নেতা-কর্মী ও দলের জন্য নির্দেশনা নিয়ে এসে তাদের কাছে পৌঁছে দিতেন। কর্মী ও কারাবন্দি নেতাদের পরিবারের আর্থিক সহায়তা করতেন। বঙ্গবন্ধুর বিরুদ্ধে সকল মামলা নিজেই পরিচালনা করতেন। কঠিন সময়ে সংসার পরিচালনা, সন্তানদের লেখাপড়া ও সকল দায়িত্ব পালন করেছেন ধৈর্য এবং সাহসের সাথে।

বঙ্গমাতার সাথে ব্যক্তিগত স্মৃতি চারণ করে প্রতিমন্ত্রী ইন্দিরা বলেন, জাতির পিতা এবং প্রধানমন্ত্রীর স্ত্রী হয়েও বঙ্গমাতা ছিলেন নিরহঙ্কার, আন্তরিক, অমায়িক, অতিথিপরায়ণ ও কর্মীবান্ধব একজন মমতাময়ী মা। তিনি ছিলেন দলের নেতাকর্মীদের পরম নির্ভরতা ও আস্থার শেষ আশ্রয়স্থল।

এসময় আরো উপস্থিত ছিলেন বিএসএমএমইউ প্রো-উপাচার্য (গবেষণা ও উন্নয়ন) অধ্যাপক ডা. মোঃ জাহিদ হোসেন, উপ-উপাচার্য (শিক্ষা) অধ্যাপক ডা. একেএম মোশাররফ হোসেন, উপ-উপাচার্য (প্রশাসন) অধ্যাপক ডা. মোহাম্মদ ছায়েফ উদ্দিন আহমেদ ও কোষাধ্যক্ষ অধ্যাপক ডা. মোহাম্মদ আতিকুর রহমানসহ বিভিন্ন অনুষদের ডিন ও প্রক্টর।

বিঃদ্রঃ মানব সংবাদ সব ধরনের আলোচনা-সমালোচনা সাদরে গ্রহণ ও উৎসাহিত করে। অশালীন ও কুরুচিপূর্ণ মন্তব্য পরিহার করুন। এটা আইনত দণ্ডনীয় অপরাধ।

একটি উত্তর ত্যাগ

আপনার মন্তব্য লিখুন দয়া করে!
এখানে আপনার নাম লিখুন দয়া করে