বঙ্গবন্ধু ছিলেন সাহসী ও দৃঢ়প্রতিজ্ঞ নেতা: বিদ্যা দেবী ভাণ্ডারি

মঙ্গলবার, মার্চ ২৩, ২০২১,২:২৯ অপরাহ্ণ
0
7

[ + ফন্ট সাইজ বড় করুন ] /[ - ফন্ট সাইজ ছোট করুন ]

নেপালের প্রেসিডেন্ট বিদ্যা দেবী ভাণ্ডারি মন্তব্য করেছেন, বঙ্গবন্ধুর অবিরাম সংগ্রামের ফলে বাংলাদেশ সৃষ্টি হয়েছে। তিনি এর জন্য অদম্য নেতৃত্ব এবং নিরবচ্ছিন্ন উদ্যোগ দেখিয়েছেন। বঙ্গবন্ধু একজন ক্যারিশম্যাটিক, সাহসী, দৃঢ়প্রতিজ্ঞ নেতা ও দক্ষ সংগঠক ছিলেন। সোমবার সন্ধ্যায় তিনি এই মন্তব্য করেন ঢাকায় জাতীয় প্যারেড স্কয়ারে ‘মুজিব চিরন্তন’ অনুষ্ঠানে ‘নেপাল-বাংলাদেশ সম্পর্ক: বঙ্গবন্ধুর জন্মশতবার্ষিকী’ শীর্ষক বক্তব্য রাখার সময়। 

বঙ্গবন্ধুর জন্মশতবার্ষিকী উদযাপন অনুষ্ঠানে আমন্ত্রণ জানানোর জন্য নেপালের প্রেসিডেন্ট তাঁর বক্তব্যে রাষ্ট্রপতি মো. আব্দুল হামিদকে ধন্যবাদ জানান। তিনি বলেন, এর মধ্য দিয়ে বাংলাদেশ ও নেপালের মধ্যে নিবিড় ও বন্ধুত্বপূর্ণ সম্পর্কের প্রতিফলন ঘটেছে।

বিদ্যা দেবী ভান্ডারী বলেন, বাংলাদেশে এলে প্রথমে বঙ্গবন্ধুর কথাই মনে আসে, তার কথাই বলতে হয়। বঙ্গবন্ধু একজন অকুতোভয় মুক্তিযোদ্ধা ছিলেন। তিনি বলেন, বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমান সোনার বাংলা নির্মাণের যে পথ দেখিয়েছিলেন তার পথ ধরেই গত পাঁচ দশকে বাংলাদেশের অর্থনৈতিক অগ্রগতি এবং মানুষের জীবনযাত্রার মানের অনেক উন্নতি হয়েছে। দারিদ্র্যসীমার নিচে অবস্থান করা জনগোষ্ঠীর একটা বড় অংশকে এই অভিশাপ থেকে মুক্ত করা সম্ভব হয়েছে। এই ধারা অব্যাহত থাকবে বলে আশা প্রকাশ করেন তিনি।

নেপালের প্রেসিডেন্ট বিদ্যা দেবী ভাণ্ডারি এর আগে বাংলাদেশে ব্যক্তিগত সফরের কথা স্মরণ করেন। ওই সফরের সঙ্গে এবারের পার্থক্য তুলে ধরে তিনি বলেন, অর্থনৈতিক কর্মকাণ্ড, উন্নয়ন ও জনগণের জীবনমানোন্নয়নের ক্ষেত্রে এবার অনেক অগ্রগতি চোখে পড়ছে। সাম্প্রতিক বছরগুলোতে বাংলাদেশ দ্রুত অর্থনৈতিক প্রবৃদ্ধির মাধ্যমে বড় একটি জনগোষ্ঠীকে দারিদ্র সীমা থেকে বের করতে সফল হয়েছে। এই ধারা এখনও চলছে। 

বাংলাদেশকে ‘বন্ধু রাষ্ট্র’ হিসেবে উল্লেখ করে তিনি জানান, এই দেশ ও জনগণের ইতিবাচক পরিবর্তন দেখে তিনি আনন্দিত।  বাংলাদেশ-নেপাল সম্পর্ক প্রসঙ্গে বিদ্যা দেবী ভাণ্ডারি বলেন, দুই দেশের মধ্যে নিবিড়, বন্ধুত্ব ও সহযোগিতাপূর্ণ সম্পর্ক অব্যাহত আছে অনেক দিন ধরেই। ভৌগলিকভাবে দুই দেশের মধ্যে দূরত্ব কম। ভৌগলিক নৈকট্য, সাংস্কৃতিক ও ঐতিহ্যগত সাদৃশ্য, পারস্পরিক সমর্থন ও শুভেচ্ছা এই সম্পর্ককে জোরালো করেছে। ১৯৭১ সএলর ৮ এপ্রিল দুই দেশের মধ্যে কূটনৈতিক সম্পর্ক প্রতিষ্ঠার পর থেকে সম্পর্ক জোরালো হওয়া অব্যাহত আছে। 

বিঃদ্রঃ মানব সংবাদ সব ধরনের আলোচনা-সমালোচনা সাদরে গ্রহণ ও উৎসাহিত করে। অশালীন ও কুরুচিপূর্ণ মন্তব্য পরিহার করুন। এটা আইনত দণ্ডনীয় অপরাধ।

একটি উত্তর ত্যাগ

আপনার মন্তব্য লিখুন দয়া করে!
এখানে আপনার নাম লিখুন দয়া করে