বঙ্গবন্ধু ছিলেন লাঞ্ছিত-বঞ্চিত নিপীড়িত মানুষের নেতা : আইসিটি প্রতিমন্ত্রী

রবিবার, আগস্ট ১৬, ২০২০,৪:১৯ পূর্বাহ্ণ
0
11

[ + ফন্ট সাইজ বড় করুন ] /[ - ফন্ট সাইজ ছোট করুন ]

তথ্য ও যোগাযোগ প্রযুক্তি প্রতিমন্ত্রী জুনাইদ আহমেদ পলক বলেছেন, বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমান ৫৫ বছর জীবনের প্রায় ১৪ বছর কারাগারে কাটিয়েছেন। তিনি বলেন, বঙ্গবন্ধু ছিলেন লাঞ্ছিত- বঞ্চিত, নিপীড়িত মানুষের নেতা, বাঙালি জাতির প্রেরণার চিরন্তন উৎস। শৈশব, কৈশোর থেকেই বঙ্গবন্ধু অন্যায়ের সাথে কখনো আপোস করেননি। ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের ছাত্র থাকাকালীন চতুর্থ শ্রেণির কর্মচারীদের ন্যায্য অধিকার আদায়ের আন্দোলনে নেতৃত্ব দিয়ে ছাত্রত্ব বিসর্জন দিয়েছিলেন।

প্রতিমন্ত্রী গতকাল ১৫ই আগস্ট জাতীয় শোক দিবস উপলক্ষে সন্ধানী কেন্দ্রীয় পরিষদের সহযোগিতায় বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিব মেডিকেল বিশ্ববিদ্যালয় (বিএসএমএমইউ) এর ট্রান্সফিউশন মেডিসিন বিভাগে “স্বেচ্ছায় কনভালেসেন্ট প্লাজমা ডোনেশন” অনুষ্ঠানে প্রধান অতিথির বক্তৃতায় এসব কথা বলেন।

প্রতিমন্ত্রী বলেন, বঙ্গবন্ধু নির্লোভ ও ত্যাগী  নেতা ছিলেন। তিনি মন্ত্রিত্ব ছেড়ে দিয়ে আওয়ামী লীগের সাধারণ সম্পাদক পদে অধিষ্ঠিত হয়ে সারা বাংলাদেশকে সুসংগঠিত করার জন্য নিজেকে নিয়োজিত করেছেন। তিনি জীবনের ঝুঁকি উপেক্ষা করে বাঙালি জাতির ন্যায্য অধিকার প্রতিষ্ঠার সংগ্রাম করে গেছেন। বঙ্গবন্ধুর আদর্শের একজন সৈনিক ও সুনাগরিক হিসাবে যার যতটুকু কর্তব্য- দায়িত্ব রয়েছে সেটি সর্বোচ্চ আন্তরিকতা ও মানসিকতার সাথে বাস্তবায়ন করলে সেটি বঙ্গবন্ধুর প্রতি প্রকৃত শ্রদ্ধা জানানো হবে।

সন্ধানী বাংলাদেশ এর সেবাধর্মী কার্যক্রমের প্রশংসা করে প্রতিমন্ত্রী বলেন, রক্তের প্রয়োজনে একজন মানুষও যেন মৃত্যুবরণ না করে সে লক্ষ্যে ৪০ বছরের বেশি সময় ধরে  আর্তমানবতার সেবায় কাজ করেছে প্রতিষ্ঠানটি।  রক্তদান, চক্ষুদান এবং আজকে প্লাজমাদান কর্মসূচি শুরুর মধ্য দিয়ে আরেকটি সেবাধর্মী কার্যক্রম চালু করলো।

প্রতিমন্ত্রী বলেন, ৭১ এর পরাজিত ঘাতকেরা ১৫ ই আগস্ট বঙ্গবন্ধুকে হত্যার মধ্য দিয়ে স্বাধীনতাকে হত্যা করতে চেয়েছিল। বঙ্গবন্ধু অসমাপ্ত অর্থনৈতিক মুক্তির সংগ্রামকে জননেত্রী শেখ হাসিনা সফল করে চলেছেন। বঙ্গবন্ধু নীতি ও  জীবনাদর্শকে  অনুসরণ করে বঙ্গবন্ধুর স্বপ্নের সোনার বাংলাদেশের আধুনিক রূপ প্রধানমন্ত্রী জননেত্রী শেখ হাসিনা প্রযুক্তিনির্ভর ও সমৃদ্ধ বাংলাদেশ প্রতিষ্ঠিত করতে চিকিৎসকসহ সকলকে এগিয়ে আসার আহবান জানান।

          অনুষ্ঠানে বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিব মেডিকেল বিশ্ববিদ্যালয়ের উপাচার্য অধ্যাপক ডা. কনক কান্তি বড়ুয়ার সভাপতিত্বে অন্যান্যের মধ্যে বক্তব্য রাখেন প্রো-ভিসি অধ্যাপক ডাক্তার রফিকুল আলম, সন্ধানী বাংলাদেশের সভাপতি তানভির হাসান ইকবাল ও অধ্যাপক ডাক্তার শাহানারা বেগম।

এ সময় করোনাকে জয় করে আবার মানুষের জীবন বাঁচাতে প্লাজমা দান করতে এগিয়ে আসা শামীম গাজী ও অর্ণব সাহা উপস্থিত ছিলেন।

পরে প্রতিমন্ত্রী বিএসএমএমইউতে স্থাপিত বঙ্গবন্ধুর প্রতিকৃতিতে পুষ্পস্তবক অর্পণ করেন।

বিঃদ্রঃ মানব সংবাদ সব ধরনের আলোচনা-সমালোচনা সাদরে গ্রহণ ও উৎসাহিত করে। অশালীন ও কুরুচিপূর্ণ মন্তব্য পরিহার করুন। এটা আইনত দণ্ডনীয় অপরাধ।

একটি উত্তর ত্যাগ

আপনার মন্তব্য লিখুন দয়া করে!
এখানে আপনার নাম লিখুন দয়া করে