“বঙ্গবন্ধুর প্রত্যাবর্তন ও দূরদর্শিতা’’

সোমবার, জানুয়ারি ১৮, ২০২১,১২:৪৮ অপরাহ্ণ
0
17

[ + ফন্ট সাইজ বড় করুন ] /[ - ফন্ট সাইজ ছোট করুন ]

শেখ মোঃ মুজাহিদ নোমানী

১০ জানুয়ারী ১৯৭২ সাল,ফাঁসির মঞ্চ হতে ফিরে এসে দেখলে
যুদ্ধ-বিধ্বস্থ, ক্ষত-বিক্ষত তোমার সোনার বাংলা,
শুরু হলো ভাবনা, সাড়ে সাত কোটি মানুষেরে দিতে হবে,
অন্ন,বস্ত্র,শিক্ষা,স্বাস্থ্য আর বাসস্থানের নিশ্চয়তা।

বুঝেছিলে তুমি তখনই দেশ ও জাতির উন্নয়নে,
উৎপন্ন করতে হবে অনেক ফসল, অনেক খাবার,
আর তাই প্রয়োজন ভাল জাতের ভাল বীজের, সার ও সেচের,
নইলে সোনার বাংলা হয়ে যাবে ছাড়খাড়।
তাই প্রকল্প নিলে তুমি কৃষি গবেষণা, বীজ উৎপাদন ও সম্প্রসারণের।

ভারত,জাপান,রাশিয়াসহ বহু দেশ মহাদেশ ঘুরে,
বঙ্গবন্ধু সেতুসহ সফল উন্নয়ন চুক্তি করে,
আমৃত্যু দেশে-বিদেশে শান্তি আর ন্যায়ের সুবাতাস ছড়িয়ে,
১৯৭৩ সালে ‘জুলিও কুরী শান্তি পুরস্কার ‘নিয়ে এলে দেশে,
১৯৭৪-এ জাতিসংঘে বাংলায় প্রথম ভাষণ দিয়ে ফিরে এলে শেষে।

১৩ ফেব্রুয়ারী ১৯৭৩, তোমার পদভারে ধন্য বাংলাদেশ কৃষি বিশ্ববিদ্যালয়,
বজ্র কণ্ঠে ঘোষণা করলে তোমার অবদান,
“আজ থেকে কৃষিবিদ তোরা ক্লাশ ওয়ান”
তুমি বলেছিলে, “রাখিস তোরা আমার মান”।

হে জাতির পিতা বঙ্গবন্ধু!
তোমার চির উন্নত শির, উঁচু রেখেছি বার বার।
আজ তাই ২০২০ সালে তোমার জন্মশতবর্ষে
১৬ কোটি মানুষের সোনার বাংলায়,
ভাত-কাপড় আর মাছ-মাংসের নেই কোন হাহাকার!

লেখক : বঙ্গবন্ধু জাতীয় কৃষি পদক প্রাপ্ত কৃষি সাংবাদিক, উদ্ভাবক, অবঃ প্রাপ্ত উপ-পরিচালক ও জেলা বীজ প্রত্যয়ন অফিসার, এসসিএ (কৃষি মন্ত্রণালয়)
এবং সিনিয়র সহ-সভাপতি, বঙ্গবন্ধু জাতীয় কৃষি পদকপ্রাপ্ত পরিষদ, ঢাকা, বাংলাদেশ।

বিঃদ্রঃ মানব সংবাদ সব ধরনের আলোচনা-সমালোচনা সাদরে গ্রহণ ও উৎসাহিত করে। অশালীন ও কুরুচিপূর্ণ মন্তব্য পরিহার করুন। এটা আইনত দণ্ডনীয় অপরাধ।

একটি উত্তর ত্যাগ

আপনার মন্তব্য লিখুন দয়া করে!
এখানে আপনার নাম লিখুন দয়া করে