বগুড়া ও শেরপুরে কথিত বন্দুকযুদ্ধে ৩ জন নিহত

বুধবার, আগস্ট ৭, ২০১৯,৪:১৫ পূর্বাহ্ণ
0
16

[ + ফন্ট সাইজ বড় করুন ] /[ - ফন্ট সাইজ ছোট করুন ]

কথিত বন্দুকযুদ্ধে তিনজন নিহত হয়েছেন বগুড়া ও শেরপুর জেলায় ।এ পৃথক ‘বন্দুকযুদ্ধের’ ঘটনা ঘটে আজ বুধবার (৭ আগস্ট) ভোরে বগুড়া জেলার শেরপুর উপজেলার ভবানীপুর বাজারের পূর্বপাশের ব্রিজের ওপর এবং কাছাকাছি সময় শেরপুর জেলার সদর উপজেলার চরশেরপুর ইউনিয়নের ধোপাঘাট এলাকায় পুলিশ ও গোয়েন্দা পুলিশের সঙ্গে ।বগুড়ায় নিহতরা হলেন গাইবান্ধার সদর উপজেলার কাঁচদহ গ্রামের মন্টু সরকারের ছেলে ধনেশ সুকুমার (৩৮) এবং অপরজন হলেন নাটোর জেলার সিংড়া উপজেলার বামিহাল গ্রামের বাসিন্দা রজব আলীর ছেলে আফজাল হোসেন (৫৫)। তারা দুজনই সর্বহারা পার্টির সক্রিয় নেতা বলে দাবি করেছে পুলিশ। এ ছাড়া শেরপুরে নিহত ব্যক্তি সম্পর্কে গোয়েন্দা পুলিশের পক্ষ থেকে এ রিপোর্ট লেখার সময় পর্যন্ত কোনো বক্তব্য পাওয়া যায়নি।

বগুড়া জেলা পুলিশের মিডিয়া সেলের দায়িত্বপ্রাপ্ত অতিরিক্ত পুলিশ সুপার সনাতন চক্রবর্তীর ভাষ্যমতে, বগুড়ার শেরপুর উপজেলার ভবানীপুর বাজারের পাশে দুই দলের মধ্যে গোলাগুলি হচ্ছে- এমন সংবাদ পেয়ে শেরপুর থানার ওসি হুমায়ুন কবিরের নেতৃত্বে সেখানে যায় পুলিশের একটি টহলদল । সেখানে তাঁরা গুলিবিদ্ধ হয়ে গুরুতর আহত অবস্থায় পড়ে থাকতে দেখেন দুই ব্যক্তিকে। পরে তাদেরকে উদ্ধার করে বগুড়া শজিমেক হাসপাতালে নেওয়া হলে সেখানে দুজনকেই মৃত ঘোষণা করেন কর্তব্যরত চিকিৎসক । এর আগে ঘটনাস্থল থেকে পুলিশ উদ্ধার করে  একটি ওয়ান শুটার গান, একটি পাইপ গান এবং দুই রাউন্ড গুলি। পুলিশ পরে খোঁজ নিয়ে নিশ্চিত হয়, নিহত আফজালের নামে বিভিন্ন থানায় অন্তত ২০টি এবং ধনেশের নামে মামলা রয়েছে ১১টি ।

অপরদিকে, শেরপুরের সদর উপজেলার চরশেরপুর ইউনিয়নের ধোপাঘাট এলাকায় গোয়েন্দা পুলিশের সঙ্গে কথিত বন্দুকযুদ্ধে নিহত হয়েছেন এক যুবক । গোয়েন্দা পুলিশ দাবি করেছে এ সময় জেলা গোয়েন্দা শাখার এএসআই আরিফুল হকসহ চার পুলিশ সদস্য আহত হয়েছেন। তাঁদেরকে শেরপুর জেলা হাসপাতালে ভর্তি করা হয়েছে বলে দাবি করা হয়েছে গোয়েন্দা পুলিশের একটি সূত্র।লাশ রাখা হয়েছে জেলা হাসপাতাল মর্গে । এ ব্যাপারে জেলা পুলিশের পক্ষ থেকে সংবাদ সম্মেলনে জানানোর কথা রয়েছে আজ বুধবার (৭ আগস্ট) বেলা ১১টায় ।

বিঃদ্রঃ মানব সংবাদ সব ধরনের আলোচনা-সমালোচনা সাদরে গ্রহণ ও উৎসাহিত করে। অশালীন ও কুরুচিপূর্ণ মন্তব্য পরিহার করুন। এটা আইনত দণ্ডনীয় অপরাধ।

একটি উত্তর ত্যাগ

আপনার মন্তব্য লিখুন দয়া করে!
এখানে আপনার নাম লিখুন দয়া করে