নীলফামারীর ডোমারে বিএডিসির খামার পরিদর্শন করলেন কৃষিমন্ত্রী

বৃহস্পতিবার, জানুয়ারি ২৮, ২০২১,৯:৪৮ পূর্বাহ্ণ
0
12

[ + ফন্ট সাইজ বড় করুন ] /[ - ফন্ট সাইজ ছোট করুন ]

কৃষিমন্ত্রী ড. মোঃ আব্দুর রাজ্জাক গতকাল নীলফামারীর ডোমার উপজেলায় অবস্থিত বিএডিসি’র খামার পরিদর্শন করেন। পরিদর্শন শেষে  মন্ত্রী  বলেছেন, বর্তমানে বছরে ১ কোটি টনের বেশি উন্নত জাতের আলু উৎপাদন হয়। দেশে চাহিদা রয়েছে ৬০-৭০ লাখ টনের মতো। দেশে উৎপাদিত আলুতে পানির পরিমাণ বেশি হওয়ায় বিদেশে চাহিদা কম। সেজন্য বিদেশে চাহিদার বিষয়টি বিবেচনায় নিয়ে রপ্তানি ও শিল্পে ব্যবহারযোগ্য আলুর আবাদ ও উৎপাদন বৃদ্ধিতে গুরুত্ব দেয়া হচ্ছে।

          এর মধ্যে রয়েছে বারি উদ্ভাবিত মিউজিকা, সাগিতা, জার্মানি থেকে আনা আগামজাত সানসাইন, প্রাডা, কুইন অ্যানি, ডোনাটা, সানতানা, লাবেলা-সহ অনেক জাত। আগামজাতের, শুষ্ক উপাদান কম, উচ্চফলনশীল, রপ্তানি ও শিল্পে ব্যবহার উপযোগী এরকম আলুর ও আলুবীজের চাষ হচ্ছে বিএডিসি’র ডোমার বীজআলু উৎপাদন খামারে।

          এছাড়া, মন্ত্রী এদিন রপ্তানি ও শিল্পে ব্যবহারযোগ্য আলুর প্লট, আলু ফসলের মিউজিয়াম, ড্রাগন ও খেজুর বাগান পরিদর্শন করেন।

          উল্লেখ্য, বিএডিসি’র ‘মানসম্পন্ন বীজআলু উৎপাদন ও সংরক্ষণ এবং কৃষক পর্যায়ে বিতরণ জোরদারকরণ’ প্রকল্পের আওতায় এই ডোমার খামারে ভিত্তি বীজআলু উৎপাদন করা হচ্ছে। পাশাপাশি নতুন জাতের উপযোগিতা যাচাইয়ের জন্য ট্রায়াল প্লট স্থাপন ও পর্যবেক্ষণ করা হচ্ছে। এছাড়া প্রকল্পের আওতায় সারা দেশে ২৮টি জোনে চুক্তিবদ্ধ চাষির মাধ্যমে কৃষক পর্যায়ে ব্যবহৃত/প্রত্যায়িত বীজআলু উৎপাদন করা হচ্ছে।

          এ প্রকল্পের আওতায় উচ্চ ফলনশীল, রপ্তানি ও শিল্পে ব্যবহার উপযোগী আলুর জাত পরিচিতি ও জনপ্রিয়করণের জন্য বিএডিসি আমদানিকৃত এবং বারি উদ্ভাবিত সম্ভাবনাময় ২০টি জাত নিয়ে এ বছর সারা দেশে ৩০০টি প্রদর্শনী প্লট ও মাল্টিলোকেশন টেস্ট পরিচালনা করা হচ্ছে।

          আলুবীজ উৎপাদন বৃদ্ধির পাশাপাশি সংরক্ষণ ক্ষমতা বাড়াতেও উদ্যোগ নেয়া হয়েছে। বর্তমানে সারা দেশে ২৮টি জোনের ৩০টি হিমাগার রয়েছে, যার বর্তমান ধারণক্ষমতা মোট ৪৫ হাজার ৫০০ মে.টন। এই প্রকল্পের মেয়াদে ২ হাজার মেট্রিক টন ধারণ ক্ষমতা সম্পন্ন ৪টি হিমাগার নির্মাণ করা হবে। ফলে বিএডিসি’র বীজআলুর সংরক্ষণ ক্ষমতা উন্নীত হবে ৫৩ হাজার ৫০০ মে.টনে। এসডিজি লক্ষ্যমাত্রা অনুযায়ী ২০২৯-৩০ সালের মধ্যে বীজআলু উৎপাদন ৬০ হাজার মে.টনে উন্নীত করা হবে।          

এ সময় কৃষিসচিব মোঃ মেসবাহুল ইসলাম, বিএডিস’র চেয়ারম্যান মোঃ সায়েদুল ইসলাম, কৃষি সম্প্রসারণ অধিদপ্তরের মহাপরিচালক মোঃ আসাদুল্লাহ, ব্রির মহাপরিচালক ড. মোঃ শাহজাহান কবীর, বিএআরস’র নির্বাহী চেয়ারম্যান ড. শেখ মোহাম্মদ বখতিয়ার, বারির মহাপরিচালক নাজিরুল ইসলাম, গম ও ভুট্টা গবেষণা ইনস্টিটিউটের মহাপরিচাল ড. মোঃ এছরাইল হোসেন উপস্থিত ছিলেন।  

বিঃদ্রঃ মানব সংবাদ সব ধরনের আলোচনা-সমালোচনা সাদরে গ্রহণ ও উৎসাহিত করে। অশালীন ও কুরুচিপূর্ণ মন্তব্য পরিহার করুন। এটা আইনত দণ্ডনীয় অপরাধ।

একটি উত্তর ত্যাগ

আপনার মন্তব্য লিখুন দয়া করে!
এখানে আপনার নাম লিখুন দয়া করে