নবান্ন

রবিবার, নভেম্বর ১৫, ২০২০,১:১১ অপরাহ্ণ
0
15

[ + ফন্ট সাইজ বড় করুন ] /[ - ফন্ট সাইজ ছোট করুন ]

তানভীর হোসেন অপু

কার্তিকের শেষে অগ্রহায়ণের শুরুতে,
প্রকৃতির অকৃত্রিম বন্ধুত্বে,
নবআগমন হে নবান্ন তোমার
কুয়াশায় ভেজা মাঠ শুকাতে শুকাতে,
সোনালি ধানের মধুর আবেশে,
কৃষাণ কৃষাণীর শত ব্যস্ততার মাঝে
আর্বিভাব হে নবান্ন চিরসবুজ বাংলার বুকে।

তোমারে করিতে বরণ পিঠা পুলি হইতেছে গরম গরম,
মৃদু মন্দ শীতের আমেজে,
এসেছি আজ প্রকৃতির অতি সন্নিকটে।
হে নবরূপ নবান্ন, তোমারি আগমনে,
গ্রাম বাংলার পুরোনো ঐতিহ্যের মাঝে,
দেখিতে পেয়েছি কত গান, কত খেলা, কত আলো, কত মেলা।

তুমি এক মিশ্রিত অনুভুতি নিয়ে,
গ্রামীণ জনজীবনে,
ফেলেছ এক রুপকথার পদচিহ্ন মেলে ধরে।

হে নবান্ন, তুমি এসেছ বলে প্রতিটি পথঘাট সেজেছ নতুন রুপে,
সমগ্র বাংলার বুকে জেগেছে নতুন প্রাণের নবরূপায়ণ।

মুগ্ধ দৃষ্টি মেলে কাগজের চশমা পরে দেখেছি তোমায় নতুন করে।
চিরচেনা পথ-ঘাট, আত্মীয়-স্বজন,
নবান্নের ফলে ফিরেছে তাদের নব নব যৌবন।

ওগো নবান্ন, তোমারি কারণে তপুর তারুণ্য,
অন্তরার বার্ধক্য
তোমারি কারণে কাঁদে আমার প্রাণ
হয়ে যায় খান খান।

কত বিস্মৃতির, স্মৃতি রেখায় এঁকেছো আমার স্বপ্নপট
চিরনবীন সেইসব শৈশব আবার মনে পড়ে।

কখন আসবে আবার ফিরে সবুজ কোমল বাংলার বুকে?
আমরা তোমারি প্রতিক্ষায় রহিনু বসে।

বিঃদ্রঃ মানব সংবাদ সব ধরনের আলোচনা-সমালোচনা সাদরে গ্রহণ ও উৎসাহিত করে। অশালীন ও কুরুচিপূর্ণ মন্তব্য পরিহার করুন। এটা আইনত দণ্ডনীয় অপরাধ।

একটি উত্তর ত্যাগ

আপনার মন্তব্য লিখুন দয়া করে!
এখানে আপনার নাম লিখুন দয়া করে