[ + ফন্ট সাইজ বড় করুন ] /[ - ফন্ট সাইজ ছোট করুন ]
ঢাকার ধামরাইয়ে বিয়ের প্রলোভন দিয়ে এক কলেজছাত্রীকে এক পুলিশ সদস্য ধর্ষণ করেছে বলে অভিযোগ পাওয়া গেছে। পুলিশ সদস্যর বিরুদ্ধে বুধবার ধামরাই থানায় মামলা দায়ের করা হয়েছে এ ঘটনায়। এ মামলায় ধর্ষণের অভিযুক্ত আসামি উপজেলার সানোড়া ইউনিয়নের পশ্চিম বাসনা গ্রামের মোজাম্মেল হোসেনের ছেলে পুলিশ কনস্টেবল সাদ্দাম হোসেন।
বুধবার ঢাকা মেডিক্যাল কলেজের ওয়ানস্টপ ক্রাইসিস সেন্টারে পাঠানো হয়ে ধর্ষিতার ডাক্তারি পরিক্ষার জন্য। এর আগে বিয়ের দাবিতে পুলিশ সদস্যের বাড়িতে তিনদিন অবস্থান করে ওই কলেজছাত্রী। সাদ্দামের মা-বাবা বাড়ি থেকে অন্যত্র চলে যায়। এ অবস্থায় মেয়েটি আত্মহত্যা করার চেষ্টা করে। খবর পেয়ে পুলিশ ওই বাড়িতে গিয়ে মেয়েটিকে উদ্ধার করে থানায় নিয়ে আসে।
মামলা ও ভুক্তভোগীর কাছ থেকে জানা গেছে, বাসনা গ্রামের মোজাম্মেল হকের ছেলে পুলিশ কনস্টেবল সাদ্দাম হোসেন পাশের নান্নার ইউনিয়নের রঘুনাথপুর গ্রামের এক কলেজছাত্রীর সঙ্গে প্রায় এক বছর আগে মোবাইল ফোনে প্রেমের সম্পর্ক গড়ে উঠে। এরমধ্যে ওই ছাত্রীকে বিয়ের প্রলোভন দিয়ে ধামরাইয়ের একটি রিসোর্ট সেন্টারে ও সাভারের একটি আবাসিক হোটেলে নিয়ে দৈহিক মেলামেশা করেন সাদ্দাম। এ অবস্থায় গত চার মাস আগে সাদ্দাম তার বাবাকে নিয়ে মেয়ের বাড়িতে গিয়ে মেয়ের বাবার কাছে বিয়ের প্রস্তাব দেন। এক পর্যায়ে যৌতুক হিসেবে নগদ ৫ লাখ টাকা ও ৩ ভরি স্বর্ণালংকার দাবি করে সাদ্দামের বাবা। এতে কলেজছাত্রীর বাবা এতো টাকা যৌতুক দিতে অস্বীকার করেন। এরপর থেকে সাদ্দাম হোসেন তার প্রেমিকার সঙ্গে যোগাযোগ বন্ধ করে দেন। পরে বিয়ের দাবিতে গত রবিবার সন্ধ্যায় পুলিশ কনস্টেবল সাদ্দাম হোসেনের বাড়িতে গিয়ে বিয়ের দাবিতে অবস্থান করতে থাকে ওই ছাত্রী। বর্তমানে সাদ্দাম হোসেন ডিএমপিতে কর্মরত।
পুলিশ কনস্টেবল সাদ্দাম হোসেনের সঙ্গে এ বিষয়ে যোগাযোগের চেষ্টা করা হলে তার মোবাইল ফোন বন্ধ পাওয়া যায়।
জানা গেছে, সাদ্দাম আগেও একটি বিয়ে করেছিলেন। কয়েক মাস আগে ওই স্ত্রীকে তালাক দেন তিনি।
ধামরাই থানার ওসি দীপক চন্দ্র সাহা বলেন, মেয়েটিকে ডাক্তারি পরীক্ষার জন্য ওয়ানস্টপ ক্রাইসিস সেন্টারে পাঠানো হয়েছে। আসামি পলাতক।





























