দাম না পেয়ে ধান নিয়ে হাপিত্যেশ করছে কৃষকরা

মঙ্গলবার, আগস্ট ৬, ২০১৯,৫:০৯ পূর্বাহ্ণ
0
12

[ + ফন্ট সাইজ বড় করুন ] /[ - ফন্ট সাইজ ছোট করুন ]

দাম না পেয়ে ধান নিয়ে মাঠের কৃষক হাপিত্যেশ করছে। কৃষকদের কাছ থেকে না পেয়ে মিলারদের কাছ থেকে সরকার ধান কিনতে বাধ্য হচ্ছে; এমন মন্তব্যে দ্বিমত পোষণ করছেন খাদ্য বিভাগের কর্মকর্তারাই । আর কৃষক নেতারা বলছেন, সত্যের অপলাপ মাত্র।
৭ কোটি ৮ লাখ মণেরও বেশি ধান রংপুর বিভাগের আটটি জেলায় বোরো মৌসুমে উৎপাদিত হয়েছে, দাম কমে এখন ৫০০ টাকারও নিচে। এ অবস্থায় ১ হাজার ৪০ টাকা মণ দরে সরকার ধান কিনলেও কৃষক নেই সরকারি খাদ্যগুদামগুলোতে।

কিন্তু কেন? এই প্রশ্নের উত্তর খুঁজতে গিয়ে জানা গেল, রংপুর নগরীর ৩২ নম্বর ওয়ার্ডে যে ২০ ভাগ্যবান কৃষক সরকারের ঘরে ধান বিক্রির স্লিপ পেয়েছেন, এক পরিবারের
তার ৬ জনই । আবার মিঠাপুকুর ও গঙ্গাচড়া উপজেলার ব্লকে ব্লকে খুঁজে পাওয়া গেল না স্লিপ পাওয়া কৃষকের সন্ধান।আমাদের জানা মতে সরকার কারও ধান ক্রয় করেনি বলেন এলাকার কয়েক বাসিন্দা ।সরকারি খাদ্য গুদামগুলোতে ট্রাকে ট্রাকে ব্যবসায়ীদের চাল ঢুকছে। ধানের প্রসঙ্গে গুদাম পরিদর্শক আর খাদ্য কর্মকর্তার একেক কথা।

রংপুরের সদর এলএসডি’র পরিদর্শক আব্দুল্লাহ আরফিন বলেন, বৃদ্ধি করা দরকার
ধারণ ক্ষমতা । কারণ ধানের মৌসুমে ধারণ ক্ষমতা নিয়ে একটু সমস্যায় পড়তে হয় আমাদের ।রংপুরের জেলা খাদ্য নিয়ন্ত্রক কার্যালয়ের তথ্য কর্মকর্তা রইচ উদ্দীন বলেন, জায়গার সংকট হয়নি। আগামীতেও হবে না।

কৃষকদের অনাগ্রহের কারণে সরকারের ধান ক্রয় কার্যক্রম ব্যাহত হচ্ছে;  খাদ্য বিভাগের মাঠ পর্যায়ের কর্মকর্তা
মন্ত্রীর এমন বক্তব্যের সঙ্গে একমত নন।রংপুর জেলার খাদ্য নিয়ন্ত্রক আব্দুল কাদের বলেন, তাদের কোনো রকম অনীহা নেই। তারা অনেকেই এসেছেন। আমরা বলতে পারি তাদের আগ্রহ আছে।

কৃষক নেতারা
মাঠের পরিস্থিতি আর মন্ত্রীর কথার বৈপরীত্য দেখছেন। কৃষক নেতা মমিনুর রহমান বলেন, কৃষক ধান দেয়ার জন্য উদগ্রীব।

কৃষক নেতা আব্দুল কুদ্দুস বলেন, কৃষক কাকে ধান দিবে সেই পথই খুঁজে পাওয়া যাচ্ছে না। কারণ  ধান নেয়া হচ্ছে না
গোডাউনে। কিছু জায়গাতে ধান নেয়া হলেও প্রকৃত কৃষক সেখানে যেতে পারছেন না।
সরকার প্রথমে সারা দেশ থেকে দেড় লাখ মেট্রিক টন ধান কেনার সিদ্ধান্ত নিলে রংপুর বিভাগের ভাগে পড়ে প্রায় ২৪ হাজার মেট্রিক টন ধান। পরে আরও আড়াই লাখ মেট্রিক টন ধান কেনার সরকারি ঘোষণা এলেও প্রায় তিন মাসে খাদ্য বিভাগ
অর্ধেক ধানও কিনতে পারেনি ।

বিঃদ্রঃ মানব সংবাদ সব ধরনের আলোচনা-সমালোচনা সাদরে গ্রহণ ও উৎসাহিত করে। অশালীন ও কুরুচিপূর্ণ মন্তব্য পরিহার করুন। এটা আইনত দণ্ডনীয় অপরাধ।

একটি উত্তর ত্যাগ

আপনার মন্তব্য লিখুন দয়া করে!
এখানে আপনার নাম লিখুন দয়া করে